
ধারের টাকা পরিশোধ না করে প্রতারণার দায়ে যশোরের এক ইটভাটা ব্যবসায়ীকে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার (১৩ জুলাই) যশোরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মুরাদ হোসেন যশোর সদর উপজেলার গোপালপুর গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে। রায়ের সময় তিনি পলাতক ছিলেন।
মামলার নথি থেকে জানা যায়, যশোর শহরতলীর চাঁচড়া এলাকার বাসিন্দা মাসুম মোড়লের সঙ্গে মুরাদ হোসেনের পূর্বপরিচয় ও সুসম্পর্ক ছিল। ব্যবসায়িক সমস্যার কথা বলে ২০১৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি নিজ বাড়িতে ডেকে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে মাসুম মোড়লের কাছ থেকে নগদ ২ লাখ ৫৬ হাজার টাকা ধার নেন মুরাদ। টাকা গ্রহণের সময় তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঋণ পরিশোধের অঙ্গীকার করে ১৫০ টাকার স্ট্যাম্পে একটি চুক্তিনামা সম্পাদন করেন এবং নিজের ব্যাংক হিসাবের একটি চেক মাসুম মোড়লের কাছে প্রদান করেন।
কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও তিনি টাকা ফেরত দেননি। পরে ২০২২ সালের ২৭ জুন পাওনা টাকা চাইলে মুরাদ হোসেন তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এরপর টাকা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে ২০২২ সালের ২৮ জুন আদালতে প্রতারণার অভিযোগে মামলা করেন মাসুম মোড়ল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত মুরাদ হোসেনকে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং জরিমানার অর্থ অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন।