ঢাকা ০৮:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মাদ্রাসা পরিচালকের বিরুদ্ধে ছাত্রী নির্যাতনের অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি Logo ৩১ অক্টোবর লংমার্চ সফল করতে যশোরে এনসিপির লিফলেট বিতরণ Logo অভয়নগরে জামায়েত ইসলামীর লং মার্চের প্রস্তুতি সভা Logo যশোর সীমান্তে ৪ লাখ টাকার মদ ও চোরাচালানি পণ্য জব্দ Logo যশোরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গাছের ডাল কেটে বিক্রির অভিযোগ Logo ডেঙ্গু আক্রান্ত কৃষকদল সভাপতি আমিরুলের পাশে যুবদল-ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ Logo কালীগঞ্জে সাধারণ মানুষের চলাচলের পথ অবরুদ্ধ করার অভিযোগ Logo কেশবপুরে জামাইয়ের বিরুদ্ধে শ্বশুর-শাশুড়িকে মারধরের অভিযোগ Logo মোটরসাইকেলের সামনে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট বাধ্যতামূলক Logo সততা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে গুরুত্ব দিচ্ছেন ওসি শামিনুল হক
এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া

যশোরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গাছের ডাল কেটে বিক্রির অভিযোগ

বেলাল হোসেন বনি
  • আপডেট সময় : ০৬:৩২:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / ২০ বার পঠিত

যশোর সদর উপজেলার ধোপাখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছের ডাল কেটে প্রায় ১০০ মণ জ্বালানি কোন প্রকার অনুমতি ছাড়া বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় রুম্মন হোসাইন নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। দুর্গাপূজার ছুটির সুযোগে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের একাধিক গাছের ডাল কেটে তা জ্বালানি হিসেবে বিক্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এ ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছের ডাল কাটার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ও নিয়মনীতি অনুসরণ করা প্রয়োজন। কিন্তু ধোপাখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছের ডাল কাটার আগে বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়দের যথাযথভাবে অবহিত করা হয়নি। রুম্মন হোসাইন নামের ওই যুবকের নেতৃত্বে ডাল কাটার এ ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি তাঁদের।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের একাংশ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটার মতো বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল। নিয়মনীতি অনুসরণ না করে এভাবে গাছের ডাল কেটে জ্বালানি বিক্রির বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক আলোচনাও শুরু হয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন জানান, তাঁকে ফোনে মৌখিকভাবে বিষয়টি জানানো হয়েছিল। তিনি বলেন, আমি বলেছি, স্কুল কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সবাই মতামত দিলে ডাল কাটার অনুমতি দিতে।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, সরকারি বিদ্যালয়ের গাছের ডাল কাটার আগে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর কথা। কিন্তু এ ক্ষেত্রে যথাযথভাবে সবাইকে অবহিত করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাঁদের মতে, সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।

অভিযোগের বিষয়ে রুম্মন হোসাইন ভুল স্বীকার করে বলেন, পূজার ছুটি থাকায় তাৎক্ষণিক এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সবাইকে না জানিয়ে ও অনুমতি না নিয়ে কাজটি করা আমার ঠিক হয়নি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সুইটি জানান, গাছের ডাল কাটার পর স্থানীয় লোকজন তাঁকে ফোন করে বিষয়টি জানান। পরে তিনি বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন। স্কুল খোলার পর বিষয়টি নিয়ে কমিটির সাথে আলোচনা করা হবে।

সরকারি বিদ্যালয়ের গাছের ডাল কাটার ঘটনায় প্রয়োজনীয় অনুমতি, নিয়মনীতি অনুসরণ এবং বিক্রির অর্থের হিসাব যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

ট্যাগস :

এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া

যশোরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গাছের ডাল কেটে বিক্রির অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৬:৩২:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

যশোর সদর উপজেলার ধোপাখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছের ডাল কেটে প্রায় ১০০ মণ জ্বালানি কোন প্রকার অনুমতি ছাড়া বিক্রির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় রুম্মন হোসাইন নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। দুর্গাপূজার ছুটির সুযোগে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের একাধিক গাছের ডাল কেটে তা জ্বালানি হিসেবে বিক্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এ ঘটনায় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছের ডাল কাটার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমতি ও নিয়মনীতি অনুসরণ করা প্রয়োজন। কিন্তু ধোপাখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছের ডাল কাটার আগে বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয়দের যথাযথভাবে অবহিত করা হয়নি। রুম্মন হোসাইন নামের ওই যুবকের নেতৃত্বে ডাল কাটার এ ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি তাঁদের।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের একাংশ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকারি প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটার মতো বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত ছিল। নিয়মনীতি অনুসরণ না করে এভাবে গাছের ডাল কেটে জ্বালানি বিক্রির বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক আলোচনাও শুরু হয়েছে।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি মোফাজ্জল হোসেন জানান, তাঁকে ফোনে মৌখিকভাবে বিষয়টি জানানো হয়েছিল। তিনি বলেন, আমি বলেছি, স্কুল কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট সবাই মতামত দিলে ডাল কাটার অনুমতি দিতে।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, সরকারি বিদ্যালয়ের গাছের ডাল কাটার আগে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানোর কথা। কিন্তু এ ক্ষেত্রে যথাযথভাবে সবাইকে অবহিত করা হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তাঁদের মতে, সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি।

অভিযোগের বিষয়ে রুম্মন হোসাইন ভুল স্বীকার করে বলেন, পূজার ছুটি থাকায় তাৎক্ষণিক এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সবাইকে না জানিয়ে ও অনুমতি না নিয়ে কাজটি করা আমার ঠিক হয়নি।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সুইটি জানান, গাছের ডাল কাটার পর স্থানীয় লোকজন তাঁকে ফোন করে বিষয়টি জানান। পরে তিনি বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছেন। স্কুল খোলার পর বিষয়টি নিয়ে কমিটির সাথে আলোচনা করা হবে।

সরকারি বিদ্যালয়ের গাছের ডাল কাটার ঘটনায় প্রয়োজনীয় অনুমতি, নিয়মনীতি অনুসরণ এবং বিক্রির অর্থের হিসাব যাচাই করে প্রকৃত ঘটনা উদ্‌ঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।