ঢাকা ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কেশবপুরে ডোংগাঘাটা বেলতলা পূজামন্দিরের রজতজয়ন্তী উদ্‌যাপন Logo যশোরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত Logo আনসার-ভিডিপি’র ৩ সদস্যকে সম্মাননা দিলেন জেলা প্রশাসক Logo কেশবপুরে বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা Logo দর্শনায় দুর্গামাতা মন্দির পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক Logo ফের গ্রেপ্তার ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের এমডি দিলীপ আগরওয়ালা Logo বেনাপোলে দুই পূজামণ্ডপে আর্থিক সহায়তা দিলেন মেয়রপ্রার্থী ইমদাদ Logo যশোর সীমান্তে প্রায় ৮ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ Logo বিজয়ের আগমনী বার্তা বহন করে মহানবমী পূজা Logo যশোরে কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির উপদেষ্টা পরিষদ গঠন
আট গুণীজনকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান,

কেশবপুরে ডোংগাঘাটা বেলতলা পূজামন্দিরের রজতজয়ন্তী উদ্‌যাপন

তুহিন হোসেন, কেশবপুর
  • আপডেট সময় : ০১:০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৫৭ বার পঠিত

যশোরের কেশবপুর উপজেলার ডোংগাঘাটা বেলতলা সার্বজনীন পূজামন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসবের রজতজয়ন্তী-২০২৬ উপলক্ষে সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আটজন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও গুণীজনকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

ডোংগাঘাটা বেলতলা সার্বজনীন পূজামন্দির কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে মানবিক চিকিৎসাসেবা, শিক্ষা, ক্রীড়া ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অবদানের জন্য গুণীজনদের সম্মাননা জানানো হয়। এ সময় প্রয়াত বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরও মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মন্দির কমিটির সভাপতি সিদ্ধার্থ বসু। সঞ্চালনা করেন মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও গড়ভাঙ্গা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুপ্রভাত কুমার বসু।

সম্মাননা প্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন, ইএনটি বিশেষজ্ঞ ও এফসিপিএস ডিগ্রিধারী চিকিৎসক উৎপল সরকার, মানবিক চিকিৎসক অনুপ কুমার বসু, প্রয়াত মানবিক চিকিৎসক কামরুজ্জামান, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বাবু মুকুন্দ মুরারী কুণ্ডু, কৃতী ফুটবল খেলোয়াড় নারায়ণ চন্দ্র কুণ্ডু, কৃতি খেলোয়াড় লিমা খাতুন, মন্দিরের জমিদাতা সৌরভ বসু এবং সাবেক প্রধান শিক্ষক ইসলাম দফাদার। তাঁদের মধ্যে প্রয়াত ব্যক্তিদের মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয়।

সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এর মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসবের রজতজয়ন্তী উদ্‌যাপন করা হয়। আয়োজকেরা জানান, সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্মানিত করার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁদের অবদান তুলে ধরাই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে ধর্মীয় উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি, গুণীজনদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং মানবিকতা, শিক্ষা ও ক্রীড়াক্ষেত্রে অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার এক ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে।

ট্যাগস :

আট গুণীজনকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান,

কেশবপুরে ডোংগাঘাটা বেলতলা পূজামন্দিরের রজতজয়ন্তী উদ্‌যাপন

আপডেট সময় : ০১:০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

যশোরের কেশবপুর উপজেলার ডোংগাঘাটা বেলতলা সার্বজনীন পূজামন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসবের রজতজয়ন্তী-২০২৬ উপলক্ষে সম্মাননা স্মারক ক্রেস্ট প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) মন্দির প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আটজন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও গুণীজনকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

ডোংগাঘাটা বেলতলা সার্বজনীন পূজামন্দির কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে মানবিক চিকিৎসাসেবা, শিক্ষা, ক্রীড়া ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অবদানের জন্য গুণীজনদের সম্মাননা জানানো হয়। এ সময় প্রয়াত বিশিষ্ট ব্যক্তিদেরও মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মন্দির কমিটির সভাপতি সিদ্ধার্থ বসু। সঞ্চালনা করেন মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও গড়ভাঙ্গা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুপ্রভাত কুমার বসু।

সম্মাননা প্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন, ইএনটি বিশেষজ্ঞ ও এফসিপিএস ডিগ্রিধারী চিকিৎসক উৎপল সরকার, মানবিক চিকিৎসক অনুপ কুমার বসু, প্রয়াত মানবিক চিকিৎসক কামরুজ্জামান, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বাবু মুকুন্দ মুরারী কুণ্ডু, কৃতী ফুটবল খেলোয়াড় নারায়ণ চন্দ্র কুণ্ডু, কৃতি খেলোয়াড় লিমা খাতুন, মন্দিরের জমিদাতা সৌরভ বসু এবং সাবেক প্রধান শিক্ষক ইসলাম দফাদার। তাঁদের মধ্যে প্রয়াত ব্যক্তিদের মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান করা হয়।

সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এর মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসবের রজতজয়ন্তী উদ্‌যাপন করা হয়। আয়োজকেরা জানান, সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্মানিত করার পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের কাছে তাঁদের অবদান তুলে ধরাই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে ধর্মীয় উৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি, গুণীজনদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং মানবিকতা, শিক্ষা ও ক্রীড়াক্ষেত্রে অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার এক ইতিবাচক দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে।