ডেঙ্গু প্রতিরোধে যশোরে সচেতনতামূলক র্যালি
- আপডেট সময় : ০৬:৩৮:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
- / ৬৫ বার পঠিত

‘সচেতন হোন, অন্যকে সচেতন করুন’ প্রতিপাদ্যে যশোরে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সচেতনতামূলক র্যালি, পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৬ জুন) সকালে যশোর জেলা প্রশাসন, যশোর পৌরসভার সহযোগিতায় সিভিল সার্জন অফিস, যশোরের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। র্যালির উদ্বোধন করেন যশোরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান। পরে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে বের হওয়া র্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। এসময় শহরের বিভিন্ন ড্রেনে মশানাশক স্প্রে করা হয়।
কর্মসূচির উদ্বোধনকালে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান বলেন, বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার সংক্রমণ বৃদ্ধি পায়। এ বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে প্রশাসন বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তবে এখন শুধু সচেতনতা নয়, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অবহেলার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, “আজ থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় অবহেলাকারীদের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের অভিযান শুরু হবে।” একই সঙ্গে তিনি যশোরবাসীকে নিজ নিজ আঙিনা ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানান।
র্যালিতে যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকন, সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুনসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
র্যালিতে অংশগ্রহণকারীরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান। পরে শহরের জিরো পয়েন্ট চত্বরে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হয়।
র্যালি শেষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি সামাজিক উদ্যোগও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জমে থাকা পানি অপসারণ, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমে ডেঙ্গুর বিস্তার অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব।
তিনি আরও বলেন, বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে সবাইকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে। সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে ডেঙ্গুমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।






















