ঢাকা ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মরহুম তোফায়েল হকের স্মরণে সাতক্ষীরায় স্মৃতিচারণ ও দোয়া মাহফিল Logo যশোর সীমান্তে ১৭ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ Logo যশোরে আঁশ তুলা আবাদে বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা Logo তরিকুল ইসলাম ছিলেন গণমানুষের কল্যাণে নিবেদিত রাজনীতিবিদ Logo তরিকুল ইসলামের ৮ম মৃত্যুবার্ষিকীতে উপশহরে দোয়া ও খাবার বিতরণ Logo যশোরে নানা আয়োজনে তরিকুল ইসলামের অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত Logo বেনাপোলে সাবেক পৌর ছাত্রলীগ নেতা শাকিব গ্রেপ্তার Logo সাতক্ষীরায় দোয়া অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ছাদ ঢালাইয়ের উদ্বোধন Logo নড়াইলের চাঞ্চল্যকর নুর আরাফাত হত্যা মামলার আসামি যশোরে গ্রেপ্তার Logo ঝিকরগাছায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণ শুরু

কেশবপুরে জোড়া হত্যাকাণ্ড: মাঠ থেকে উদ্ধার স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ

তুহিন হোসেন, কেশবপুর
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
  • / ৩১১২ বার পঠিত

যশোরের কেশবপুরে একটি মাঠ থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাতপরিচয় নারী ও পুরুষের মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ। তাঁরা স্বামী-স্ত্রী। নিহতরা হলেন যশোরের কেশবপুর উপজেলার মঙ্গলকোট ইউনিয়নের মাগুরখালি গ্রামের মৃত জোবান আলী সর্দারের ছেলে আলেক সর্দার (৪৫) ও তাঁর স্ত্রী মাজেদা বেগম (৩৮)।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে কেশবপুর উপজেলার পাঁজিয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের কমলাপুর–ব্রাহ্মণডাঙ্গা গ্রামের মাঠ থেকে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় ব্রাহ্মণডাঙ্গা গ্রামের আফসার আলী গাজী বিকেল ৫টার দিকে কপির চারা রোপণের উদ্দেশ্যে মাঠে যান। এ সময় কুদ্দুসের সেচ বোরিং ও ধানখেতের পাশের এলাকায় এক নারী ও এক পুরুষের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তিনি তাঁর ভাতিজা শহীদকে বিষয়টি জানান। এরপর স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইবাদ আলী
এবং গ্রাম পুলিশ সিরাজুল ইসলামকে অবহিত করা হয়। গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়ে কেশবপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে এবং পরবর্তী সময়ে তাঁদের পরিচয় শনাক্ত করে। প্রাথমিকভাবে তাঁদের হত্যার শিকার হওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে হত্যাকাণ্ডের কারণ ও এর সঙ্গে কারা জড়িত, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।

ঘটনার খবর পেয়ে কেশবপুর থানা পুলিশের পাশাপাশি যশোর জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তাঁরা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটনে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ ও তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলামের নির্দেশনায় মনিরামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ইমদাদুল হক, কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান, পিবিআই কর্মকর্তা দেবব্রত হরিসহ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে তদন্ত কার্যক্রমে অংশ নেন।

পরে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস :

কেশবপুরে জোড়া হত্যাকাণ্ড: মাঠ থেকে উদ্ধার স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ

আপডেট সময় : ০৭:৪৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬

যশোরের কেশবপুরে একটি মাঠ থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাতপরিচয় নারী ও পুরুষের মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ। তাঁরা স্বামী-স্ত্রী। নিহতরা হলেন যশোরের কেশবপুর উপজেলার মঙ্গলকোট ইউনিয়নের মাগুরখালি গ্রামের মৃত জোবান আলী সর্দারের ছেলে আলেক সর্দার (৪৫) ও তাঁর স্ত্রী মাজেদা বেগম (৩৮)।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে কেশবপুর উপজেলার পাঁজিয়া ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের কমলাপুর–ব্রাহ্মণডাঙ্গা গ্রামের মাঠ থেকে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় ব্রাহ্মণডাঙ্গা গ্রামের আফসার আলী গাজী বিকেল ৫টার দিকে কপির চারা রোপণের উদ্দেশ্যে মাঠে যান। এ সময় কুদ্দুসের সেচ বোরিং ও ধানখেতের পাশের এলাকায় এক নারী ও এক পুরুষের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তিনি তাঁর ভাতিজা শহীদকে বিষয়টি জানান। এরপর স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ইবাদ আলী
এবং গ্রাম পুলিশ সিরাজুল ইসলামকে অবহিত করা হয়। গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে খবর পেয়ে কেশবপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে এবং পরবর্তী সময়ে তাঁদের পরিচয় শনাক্ত করে। প্রাথমিকভাবে তাঁদের হত্যার শিকার হওয়ার বিষয়টি সামনে এসেছে। তবে হত্যাকাণ্ডের কারণ ও এর সঙ্গে কারা জড়িত, সে বিষয়ে এখনো বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।

ঘটনার খবর পেয়ে কেশবপুর থানা পুলিশের পাশাপাশি যশোর জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তাঁরা হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটনে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ ও তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলামের নির্দেশনায় মনিরামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ইমদাদুল হক, কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান, পিবিআই কর্মকর্তা দেবব্রত হরিসহ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে তদন্ত কার্যক্রমে অংশ নেন।

পরে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।