কেসিসি’র নির্মাণাধীন বর্জ্য রিসাইকিং প্লান্টের মেশিনারিজ পরীক্ষামূলক চালু
- আপডেট সময় : ০৭:৩৮:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৪ বার পঠিত

খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বৃহস্পতিবার সকালে ডুমুরিয়া উপজেলার সলুয়ায় নির্মাণাধীন বর্জ্য রিসাইকিং প্লান্টের কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে প্লান্টে স্থাপিত মেশিনারিজ পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়।
পরিদর্শন শেষে উপস্থিত কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, আজই প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে প্লান্টের মেশিনারিজ চালু করা হয়েছে। ত্রিশ ঘন্টা পর এর ফলাফল জানা যাবে এবং প্রথম পরীক্ষামূলক চালু করায় প্রকৌশলীগণ এর ওপর একটি রিপোর্ট প্রদান করবেন।
প্রকল্পটির সফলতার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি আরো বলেন, প্লান্টের কার্যক্রম সফল হলেই খুলনার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে নতুন দ্বারা উম্মোচিত হবে। বর্জ্য বোঝা নয়, সম্পদে পরিণত হবে এবং দেশের অন্যন্য সিটি কর্পোরেশন ও জেলা শহরের জন্য এটি একটি মডেল প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হবে।
উল্লেখ্য, সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নগর অঞ্চল উন্নয়ন প্রকল্প-২ (সিআরডিপি) এর আওতায় ৫৩ কোটি টাকা ব্যয়ে সলুয়া ল্যান্ডফিলে বর্জ্য রিসাইকিং প্লান্টটি স্থাপন করা হয়েছে। আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে প্লান্টটি সম্পূর্ণরূপে চালু করা সম্ভব হবে বলে প্রকৌশলীগণ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সিআরডিপি-২ প্রকল্পের টিম লিডার মো: শফিকুর রহমান, বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) এর সাবেক চেয়ারম্যান ডক্টর এসানুল হক, কেসিসি’র প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো: আনিসুর রহমান, সহকারী প্রকৌশলী মো: ওবায়দুল্লাহ খান, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মাহবুব ব্রাদার্সের স্বত্ত্বাধিকারী মো: মাহবুবুর রহমান, কোয়ালিটি কন্ট্রোল ইঞ্জিনিয়ার শামসুদ্দিন মোল্লা, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রজেক্ট ম্যানেজার মিন্টু মণ্ডল, ফিল্ড ইঞ্জিনিয়ার মোঃ সোহেল রানাসহ টেকনিক্যাল টিমের সদস্যবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় খালিশপুরস্থ লাল হাসপাতালে নবম ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন। জ¦রে আক্রান্ত রোগীদের ফ্রি প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা প্রদান, ডেঙ্গু পরীক্ষা ও ঔষধ সরবরাহ করার লক্ষ্য নিয়ে কেসিসি’র স্বাস্থ্য বিভাগ কর্তৃক এ মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে।
এসময়ে তিনি বলেন, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে তিনি নব্বই দিনের সময় নির্ধারণ করে দিয়েছেন। ইতোমধ্যে কুড়ি দিন পার হয়েছে। কিন্তু এর আগে থেকেই আমরা ডেঙ্গু সংক্রমণ প্রতিরোধে সর্বশক্তি নিয়োগ করে কাজ করছি। বাকি সময়ও ডেঙ্গু মোকাবেলায় কাজ করা হবে।














