ডুমুরিয়ায় জেলা পরিষদের উদ্যোগে বৃক্ষচারা বিতরণ
- আপডেট সময় : ০৮:৫৫:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
- / ৪২ বার পঠিত

সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী দেশব্যাপী পাঁচ বছরে ২০ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুলনার ডুমুরিয়ায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণবিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
খুলনা জেলা পরিষদের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে ডুমুরিয়া উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ সবিতা সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বাপ্পী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। সরকারের পাঁচ বছরে ২০ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য শুধু একটি প্রশাসনিক কর্মসূচি নয়, বরং দেশের সবুজ ভবিষ্যৎ নির্মাণের দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার। তিনি প্রতিটি চারাগাছ রোপণের পাশাপাশি সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যা ও সংরক্ষণে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সাবেক জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাদেক চেয়ারম্যান এবং মোল্লা মোশাররফ হোসেন মফিজ বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ রাজনৈতিক বিভেদ বা মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে। বিশেষ করে খুলনা ও উপকূলীয় অঞ্চলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি। এজন্য সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তারা।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডুমুরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অমিত কুমার বিশ্বাস। এছাড়া জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শামীম কবির, শেখ আব্দুর রশিদ, আশরাফুল আলম নান্নুসহ বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা ডুমুরিয়ার প্রতিটি ইউনিয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও খাস জমিতে পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং পরিবেশ সুরক্ষায় প্রশাসনের এ উদ্যোগকে সফল করতে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
সভা শেষে প্রধান অতিথি মো. মনিরুল ইসলাম বাপ্পী উপজেলা পরিষদ চত্বরে একটি স্মারক বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পরে উপস্থিত পরিবেশপ্রেমী, জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।





















