প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা
টিকটকে ছবি বিকৃত করে ছড়ানোর অভিযোগে থানায় জিডি
- আপডেট সময় : ০৬:০০:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
- / ৪৩ বার পঠিত

যশোরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নগ্ন ও আপত্তিকর ছবি এআই দিয়ে তৈরি করে প্রচার এবং ব্ল্যাকমেইলের চেষ্টার অভিযোগে যশোরের কোতোয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন এক গৃহবধূ। এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটক ও ফেসবুকে তার ছবি বিকৃত (নগ্ন) করে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে করা হয়েছে।
অভিযোগকারী হোসনেয়ারা খাতুন (২৮) যশোর সদর উপজেলার বসুন্দিয়া ইউনিয়নের জগন্নাথপুর গ্রামের বাসিন্দা। গত ২৯ সেপ্টেম্বর যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় তিনি এ সাধারণ ডায়েরি করেন। জিডি নম্বর – ২৬১৪। জিডিতে ঝিকরগাছা উপজেলার রায়পতন গ্রামের মাহফুজা আক্তার পিয়াসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগে হোসনেয়ারা উল্লেখ করেন, তাঁর নিজস্ব টিকটক আইডিতে নিজের বিভিন্ন ছবি সংরক্ষিত ছিল। পরিচিত হওয়ার সুবাদে অভিযুক্ত ব্যক্তি কৌশলে ওই আইডি থেকে ছবিগুলো সংগ্রহ করেন। পরে সেসব ছবি বিকৃত (নগ্ন) ও আপত্তিকরভাবে সম্পাদনা করে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।
জিডিতে আরও বলা হয়, গত ২৫ আগস্ট থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তি বিভিন্ন ভুয়া ও বানোয়াট তথ্য এবং আপত্তিকর ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করছেন। এতে তিনি সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হচ্ছেন এবং মানসম্মানের ক্ষতির মুখে পড়ছেন। এ বিষয়ে প্রতিবাদ জানালে তাঁকে মুঠোফোন অকথ্য ভাষা ব্যবহার করে এবং হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তার কলরেকড তার হেফাজতে আছে।
এ বিষয়ে মাহফুজা আক্তার পিয়ার বক্তব্য নেওয়ার জন্য মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার মুঠোফোনের নম্বরটা বন্ধ পাওয়া গেছে এবং তার চাচার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, প্রিয়া আমার ভাইজি। তার সাথে আমার ভাগ্নের সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়েছে। এখন কোথায় আছে সেটা আমি জানি না। আমার ভাগ্নে অন্য একজন মেয়েকে বিবাহ করে সংসার করছেন।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মাহফুজা আক্তার প্রিয়া একজন প্রতারক প্রকৃতির মেয়ে সে স্বামী সন্তান ছেড়ে একাধিক পুরুষের সাথে অনৈতিক সম্পর্কের ঘটনা ঘটায়।
অভিযোগকারীর দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তি পূর্ববিরোধের জেরে তাঁদের দাম্পত্য জীবনে অশান্তি সৃষ্টি এবং সামাজিকভাবে হেয় করার উদ্দেশ্যে এসব কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে বলে তিনি আশঙ্কা করছেন।
জিডিতে নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন হোসনেয়ারা খাতুন।
এ বিষয়ে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন জানান, ভুক্তভোগী থানায় জিডি করেছেন। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

























