ঢাকা ১০:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১২৫ টাকায় সরকারি চাকরি, বিরল দৃষ্টান্ত: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

যশোর দর্পণ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ১০:২৬:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • / ৪১ বার পঠিত

কোনো ধরনের তদবির বা উৎকোচ ছাড়াই মাত্র ১২৫ টাকা খরচে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু প্রক্রিয়ায় সরকারি চাকরি পাওয়া বাংলাদেশের গত ২০ বছরের ইতিহাসে বিরল ঘটনা বলে মন্তব্য করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।

সোমবার (২৮ জুলাই) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ভূমি ভবনের ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় সেমিনার হলে নবযোগদানকারী পেশকারদের ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল হাছানাত। প্রধান অতিথি ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো ধরনের তদবির ছাড়াই মাত্র ১২৫ টাকা খরচ করে আপনারা চাকরি পেয়েছেন। আপনাদের অভিজ্ঞতার বর্ণনা সত্যিই আমাদের মুগ্ধ করেছে। বিগত ২০ বছর ধরে দেশ দুর্নীতি ও অনিয়মে জর্জরিত ছিল। মাঠপর্যায়ের গুটিকয়েক অসাধু ব্যক্তির কারণে পুরো ভূমি ব্যবস্থাপনাকে দুর্নীতির বোঝা বহন করতে হয়েছে। তাই সবাইকে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নির্বাচনের আগে ঘোষিত ৩১ দফার আলোকে অগ্রাধিকারভিত্তিতে ১৮০ দিনের বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। জনগণকে রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক উল্লেখ করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে জনসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেন, সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক প্রক্রিয়ায় চাকরিতে যোগ দেওয়া নতুন পেশকারদের সততা ও মানসিকতা প্রশংসনীয়। দুর্নীতিমুক্ত কর্মপরিবেশ গড়ে তুলে জনগণের কল্যাণে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ভূমিসংক্রান্ত সেবা নিতে এসে কোনো নাগরিক যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। এ সময় সরকারের ‘সিটিজেন সার্ভিস’ উদ্যোগ এবং দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা কানুনগো পদে পদোন্নতির বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে নবনিযুক্ত কর্মচারীদের পক্ষে ফারহানা খাতুন, শিহাব উদ্দিন ও শাকিল আহমদ বক্তব্য দেন। তারা স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত নিয়োগপ্রক্রিয়ায় চাকরির সুযোগ পাওয়ায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ, ভূমি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান (সচিব) আবদুল্লাহ আল বাকী, ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান (সচিব) এ জেড এম সালাহউদ্দিন নাগরীসহ ভূমি মন্ত্রণালয় ও ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

১২৫ টাকায় সরকারি চাকরি, বিরল দৃষ্টান্ত: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:২৬:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

কোনো ধরনের তদবির বা উৎকোচ ছাড়াই মাত্র ১২৫ টাকা খরচে স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু প্রক্রিয়ায় সরকারি চাকরি পাওয়া বাংলাদেশের গত ২০ বছরের ইতিহাসে বিরল ঘটনা বলে মন্তব্য করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।

সোমবার (২৮ জুলাই) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ভূমি ভবনের ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের কেন্দ্রীয় সেমিনার হলে নবযোগদানকারী পেশকারদের ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল হাছানাত। প্রধান অতিথি ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো ধরনের তদবির ছাড়াই মাত্র ১২৫ টাকা খরচ করে আপনারা চাকরি পেয়েছেন। আপনাদের অভিজ্ঞতার বর্ণনা সত্যিই আমাদের মুগ্ধ করেছে। বিগত ২০ বছর ধরে দেশ দুর্নীতি ও অনিয়মে জর্জরিত ছিল। মাঠপর্যায়ের গুটিকয়েক অসাধু ব্যক্তির কারণে পুরো ভূমি ব্যবস্থাপনাকে দুর্নীতির বোঝা বহন করতে হয়েছে। তাই সবাইকে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নির্বাচনের আগে ঘোষিত ৩১ দফার আলোকে অগ্রাধিকারভিত্তিতে ১৮০ দিনের বিশেষ কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। জনগণকে রাষ্ট্রের প্রকৃত মালিক উল্লেখ করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে জনসেবা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেন, সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও মেধাভিত্তিক প্রক্রিয়ায় চাকরিতে যোগ দেওয়া নতুন পেশকারদের সততা ও মানসিকতা প্রশংসনীয়। দুর্নীতিমুক্ত কর্মপরিবেশ গড়ে তুলে জনগণের কল্যাণে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ভূমিসংক্রান্ত সেবা নিতে এসে কোনো নাগরিক যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। এ সময় সরকারের ‘সিটিজেন সার্ভিস’ উদ্যোগ এবং দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা কানুনগো পদে পদোন্নতির বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে নবনিযুক্ত কর্মচারীদের পক্ষে ফারহানা খাতুন, শিহাব উদ্দিন ও শাকিল আহমদ বক্তব্য দেন। তারা স্বচ্ছ ও দুর্নীতিমুক্ত নিয়োগপ্রক্রিয়ায় চাকরির সুযোগ পাওয়ায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ, ভূমি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান (সচিব) আবদুল্লাহ আল বাকী, ভূমি সংস্কার বোর্ডের চেয়ারম্যান (সচিব) এ জেড এম সালাহউদ্দিন নাগরীসহ ভূমি মন্ত্রণালয় ও ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।