ঢাকা ০৬:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘কনডেম সেলে’ সোহেল-স্বপ্না

দর্পণ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ১২:৩৭:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
  • / ৬৬ বার পঠিত

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে পৃথক কারাগারের কনডেম সেলে রাখা হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কারা অধিদপ্তরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ। তিনি জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে এবং স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসির আসামিদের জন্য নির্ধারিত কনডেম সেলে রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, অন্যান্য মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের যেভাবে রাখা হয়, তাদেরও একই নিয়মে রাখা হচ্ছে। কারাগারে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

কারা অধিদপ্তরের এ কর্মকর্তা আরও জানান, কারাগার একটি নিরাপদ স্থান এবং বন্দিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কারা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। কোনো বন্দি অন্য বন্দির প্রতি বিরূপ আচরণ বা সহিংসতায় জড়ালে তাকে শাস্তিমূলক সেলে স্থানান্তর করা হয়।

তিনি বলেন, সাধারণত মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের একা রাখা হয় না। কারণ রায় ঘোষণার পর তারা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়তে পারেন এবং আত্মহানির ঝুঁকিও থাকে। এ কারণে একই সেলে সাধারণত দুই থেকে পাঁচজন বন্দিকে একসঙ্গে রাখা হয়।

উল্লেখ্য, গত রোববার দেশের বহুল আলোচিত রামিসা হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। মাত্র ছয় কার্যদিবসে বিচারকাজ সম্পন্ন করে দেওয়া ওই রায়ে সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্না আক্তারকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। রায় ঘোষণার পর দ্রুত বিচার সম্পন্ন হওয়ায় বিভিন্ন মহলে সন্তোষ প্রকাশ করা হলেও দণ্ড কার্যকরের দাবিও অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস :

‘কনডেম সেলে’ সোহেল-স্বপ্না

আপডেট সময় : ১২:৩৭:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে পৃথক কারাগারের কনডেম সেলে রাখা হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কারা অধিদপ্তরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উন্নয়ন) মো. জান্নাত-উল ফরহাদ। তিনি জানান, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে এবং স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারে ফাঁসির আসামিদের জন্য নির্ধারিত কনডেম সেলে রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, অন্যান্য মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের যেভাবে রাখা হয়, তাদেরও একই নিয়মে রাখা হচ্ছে। কারাগারে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

কারা অধিদপ্তরের এ কর্মকর্তা আরও জানান, কারাগার একটি নিরাপদ স্থান এবং বন্দিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কারা কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। কোনো বন্দি অন্য বন্দির প্রতি বিরূপ আচরণ বা সহিংসতায় জড়ালে তাকে শাস্তিমূলক সেলে স্থানান্তর করা হয়।

তিনি বলেন, সাধারণত মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের একা রাখা হয় না। কারণ রায় ঘোষণার পর তারা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়তে পারেন এবং আত্মহানির ঝুঁকিও থাকে। এ কারণে একই সেলে সাধারণত দুই থেকে পাঁচজন বন্দিকে একসঙ্গে রাখা হয়।

উল্লেখ্য, গত রোববার দেশের বহুল আলোচিত রামিসা হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। মাত্র ছয় কার্যদিবসে বিচারকাজ সম্পন্ন করে দেওয়া ওই রায়ে সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্না আক্তারকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। রায় ঘোষণার পর দ্রুত বিচার সম্পন্ন হওয়ায় বিভিন্ন মহলে সন্তোষ প্রকাশ করা হলেও দণ্ড কার্যকরের দাবিও অব্যাহত রয়েছে।