চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের অপসারণ দাবি
ইসলামী ব্যাংকের সামনে গ্রাহক ফোরামের অবস্থান
- আপডেট সময় : ১২:৪২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
- / ৯৫ বার পঠিত

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মো. খুরশীদ আলমের অপসারণ দাবিতে টানা নবম দিনের মতো আন্দোলন করছেন ব্যাংকটির সচেতন গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা। মঙ্গলবার (৯ জুন) রাজধানীর মতিঝিলে ইসলামী ব্যাংক টাওয়ারের সামনে ‘সচেতন গ্রাহক ফোরাম’-এর ব্যানারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন তারা।
এর আগে টানা আট দিন মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হলেও নবম দিনে এসে আন্দোলনকারীরা অবস্থান কর্মসূচি গ্রহণ করেন। সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে শতাধিক নারী গ্রাহক অংশ নেন। আগের দিনগুলোর তুলনায় এবার নারীদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য।
অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া গ্রাহকরা অভিযোগ করেন, আর্থিক অনিয়ম ও বিভিন্ন বিতর্কের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় তারা আমানতের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। নিজেদের সঞ্চিত অর্থের সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই তারা চেয়ারম্যান মো. খুরশীদ আলমের অপসারণ দাবি করছেন।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে এমন একজন ব্যক্তিকে নিয়োগ দিতে হবে, যিনি ইসলামী অর্থনীতি ও ব্যাংকিং বিষয়ে অভিজ্ঞ, দক্ষ ও সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য। একই সঙ্গে তারা ব্যাংকটির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ওমর ফারুককে পুনর্বহালের দাবিও জানান।
আন্দোলনকারীরা আরও দাবি করেন, এস আলম গ্রুপের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের সুষ্ঠু বিচার করতে হবে এবং ব্যাংক থেকে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনার কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
জানা গেছে, ঈদের আগে শেষ কর্মদিবসে ইসলামী ব্যাংকের তৎকালীন চেয়ারম্যান এম জুবায়দুর রহমান পদত্যাগ করেন। তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোনীত স্বতন্ত্র পরিচালক ছিলেন। একই দিন রাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর মো. খুরশীদ আলমকে ব্যাংকটির নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
ব্যাংকটির কর্মকর্তারা জানান, নতুন চেয়ারম্যান নিয়োগের প্রতিবাদে ঈদের ছুটির সময়ও দেশের বিভিন্ন স্থানে কর্মসূচি পালন করে আসছেন গ্রাহক ফোরামের সদস্যরা। এর ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি একটি সমাবেশের আয়োজন করা হলে সেখানে পুলিশ বাধা দেয় বলে অভিযোগ ওঠে। আন্দোলনকারীদের দাবি, ওই সময় পুলিশ লাঠিচার্জ, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে, যাতে অন্তত ২৫ জন গ্রাহক আহত হন।
সচেতন গ্রাহক ফোরামের নেতারা জানিয়েছেন, তাদের দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন ও কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।























