মাহদী আমিন
প্রস্তাবিত বাজেট জনবান্ধব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির প্রতিফলন
- আপডেট সময় : ০৯:৩০:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
- / ৬৪ বার পঠিত

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে ‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তার মতে, এই বাজেট দেশের প্রায় সব শ্রেণি-পেশার মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন এবং এর সফল বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশ একটি স্বনির্ভর ও টেকসই অর্থনীতির পথে এগিয়ে যাবে। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান।
তিনি বলেন, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের ভিত্তিতে প্রণীত এই জনবান্ধব ও ভিশনারি বাজেটের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ জানানো উচিত। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের বহু বছর পর এটি একটি বাস্তবমুখী ও কল্যাণমুখী বাজেট।
মাহদী আমিনের ভাষ্য অনুযায়ী, বাজেটে অর্থনীতির গণতন্ত্রায়নে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়ন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ক্রিয়েটিভ ইকোনমি, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা, সামাজিক নিরাপত্তা, নারী ও শিশু কল্যাণ, অবকাঠামো, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি এবং জলবায়ু পরিবর্তন—এই ১২টি খাতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের ওপর কর কমানোয় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতকে আরও সমতাভিত্তিক ও সবার জন্য সহজলভ্য করার পাশাপাশি কৃষকদের জন্য সার, বীজ, সেচ ও বীমা সহজ করার কথা উল্লেখ করেন তিনি। জ্বালানি খাতে সৌর ও নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসারে বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি স্টার্টআপ, ফ্রিল্যান্সিং ও প্রযুক্তিনির্ভর খাতে তরুণ ও নারীদের অংশগ্রহণ বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন।
মাহদী আমিন বলেন, এবারের বাজেট শুধু নগরকেন্দ্রিক উন্নয়ন নয়; বরং তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, এবারের বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রাখা হয়নি এবং বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। ব্যাংকিং ও পুঁজিবাজারে সুশাসন প্রতিষ্ঠার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সবশেষে তিনি বলেন, পরিচালন ব্যয় কমিয়ে উন্নয়ন ব্যয় বাড়ানোর মাধ্যমে অর্থনীতিকে উৎপাদনমুখী করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। জনগণের আস্থা ও অংশগ্রহণের ভিত্তিতে এই বাজেট দেশের টেকসই উন্নয়নের পথকে আরও শক্তিশালী করবে।
























