‘তারাদের ক্রীড়ানন্দন’ আয়োজনে শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ
যবিপ্রবিতে তারামন বিবি হলে অন্তঃহল বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শুরু
- আপডেট সময় : ১০:৪৫:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬
- / ২১ বার পঠিত

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) বীর প্রতীক তারামন বিবি হলের আয়োজনে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দমুখর পরিবেশে তিন দিনব্যাপী ‘অন্তঃহল বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ২০২৬’ শুরু হয়েছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টায় বীর প্রতীক তারামন বিবি হলে ‘তারাদের ক্রীড়ানন্দন’ শীর্ষক এই ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ‘অন্তঃহল বার্ষিক ক্রীড়া সপ্তাহ ২০২৬’-এর উদ্বোধন ঘোষণা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফারুক হাসান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বীর প্রতীক তারামন বিবি হলের প্রভোস্ট ড. ফারহানা ইয়াসমিন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আগে হলের জিমনেসিয়াম এবং শিক্ষার্থীদের আঁকা ‘জুলাইয়ের ক্যানভাস’ শীর্ষক দেয়াল পত্রিকার উদ্বোধন করা হয়। এ ছাড়া হলের শিক্ষার্থীদের জন্য হল প্রশাসনের উদ্যোগে চা-চক্রের আয়োজন করা হয়।
এবারের অন্তঃহল বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বীর প্রতীক তারামন বিবি হলের শিক্ষার্থীরা ক্যারম, দাবা, বাস্কেটবল নিক্ষেপ, টেবিল টেনিস, লুডু ও ব্যাডমিন্টনসহ বিভিন্ন ইভেন্টে অংশ নিচ্ছেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিজেদের দক্ষ করে তুলতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাজ সুযোগ-সুবিধা তৈরি করে দেওয়া হলেও নিজেদের গড়ে তোলার দায়িত্ব শিক্ষার্থীদের নিজেদেরই নিতে হবে।
তিনি আরও বলেন, হলে থাকার পরিবেশ ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে। হল ও বিশ্ববিদ্যালয়কে নিজেদের মনে করে দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, বীর প্রতীক তারামন বিবি মুক্তিযুদ্ধের এক অনন্য ও সংগ্রামী ইতিহাস, যা দেশের জন্য গৌরবের। তার নামে নামাঙ্কিত এই হলের শিক্ষার্থীরাও নিজেদের দক্ষতা, পেশাগত জ্ঞান ও মানবিক গুণাবলির মাধ্যমে দেশকে গৌরবান্বিত করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রদের পাশাপাশি ছাত্রীদেরও সমান ও বীরত্বপূর্ণ অংশগ্রহণ ছিল। সেই অর্জনের ধারাবাহিকতায় নতুন বাংলাদেশ গড়তে হলে শিক্ষার্থীদের আগে সৎ ও আদর্শ নাগরিক হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে।


























