ঢাকা ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মায়ের প্রতি অবহেলায় যুগ্ম-সচিবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

  • দর্পণ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৮:০৯:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
  • ২৪ ভার পঠিত

রাজধানীর মিরপুরে ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধা নুরজাহান বেগমের মৃত্যুকে ঘিরে তার ছেলে, যুগ্ম-সচিব এ কে এম আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। প্রজ্ঞাপনে তাকে মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে মায়ের প্রতি অবহেলার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। মিরপুর-১১ এলাকার নিজ ফ্ল্যাট থেকে নুরজাহান বেগমের পচাগলা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এ সিদ্ধান্ত আসে।

গত রবিবার (৩১ মে) জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে একাই বসবাস করতেন এবং মৃত্যুর বিষয়টি প্রতিবেশীদের কাছেও অনেক দেরিতে জানা যায়।

প্রতিবেশীদের অভিযোগ, নুরজাহান বেগমের দুই ছেলে ও এক মেয়ে বিভিন্ন পেশায় থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে তার সঙ্গে যোগাযোগ ছিল না। ফলে তিনি একা জীবনযাপন করছিলেন।

ঘটনায় যুগ্ম-সচিব এ কে এম আনিসুর রহমান ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক এ কে এম আশিকুর রহমানের নাম সামনে আসায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মায়ের প্রতি অবহেলায় যুগ্ম-সচিবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

আপডেট সময় : ০৮:০৯:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

রাজধানীর মিরপুরে ৭৫ বছর বয়সী বৃদ্ধা নুরজাহান বেগমের মৃত্যুকে ঘিরে তার ছেলে, যুগ্ম-সচিব এ কে এম আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। প্রজ্ঞাপনে তাকে মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ থেকে প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এর আগে মায়ের প্রতি অবহেলার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। মিরপুর-১১ এলাকার নিজ ফ্ল্যাট থেকে নুরজাহান বেগমের পচাগলা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এ সিদ্ধান্ত আসে।

গত রবিবার (৩১ মে) জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে পুলিশ তার মরদেহ উদ্ধার করে। জানা যায়, তিনি দীর্ঘদিন ধরে একাই বসবাস করতেন এবং মৃত্যুর বিষয়টি প্রতিবেশীদের কাছেও অনেক দেরিতে জানা যায়।

প্রতিবেশীদের অভিযোগ, নুরজাহান বেগমের দুই ছেলে ও এক মেয়ে বিভিন্ন পেশায় থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে তার সঙ্গে যোগাযোগ ছিল না। ফলে তিনি একা জীবনযাপন করছিলেন।

ঘটনায় যুগ্ম-সচিব এ কে এম আনিসুর রহমান ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক এ কে এম আশিকুর রহমানের নাম সামনে আসায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।