ঢাকা ০৬:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাঘারপাড়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত Logo সান্তাহারে ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার Logo সাতক্ষীরার শান্তি ও আরোগ্যদায়ী সভা Logo রাজধানীতে সার্বভৌমত্ব র‌্যালি, পায়ে হেঁটে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী Logo জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে যশোর পুলিশের বিশেষ কল্যাণ সভা Logo গ্রাম পুলিশ মহাসমাবেশে যাওয়ার পথে গরমে অসুস্থ হয়ে ২ জনের মৃত্যু Logo সাতক্ষীরায় বিজ’র কৃষি কর্মসূচির আওতায় গাছের চারা বিতরণ Logo সাতক্ষীরায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা Logo অক্টোবর বিপ্লব বার্ষিকীতে যশোরে লাল পতাকা মিছিল ও সমাবেশ Logo গ্রাম পুলিশের মহাসমাবেশে যোগ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

অক্টোবর বিপ্লব বার্ষিকীতে যশোরে লাল পতাকা মিছিল ও সমাবেশ

যশোর দর্পণ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৩:৩১:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
  • / ৩০ বার পঠিত

ঐতিহাসিক মহান অক্টোবর সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের ১০৯তম বার্ষিকী উপলক্ষে যশোরে লাল পতাকা মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টায় বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ যশোর জেলা কমিটির উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। সংগঠনের দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহরের পাইপপট্টি মোড় থেকে একটি লাল পতাকা মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে যশোর প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ যশোর জেলা কমিটির সভাপতি আশুতোষ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট যশোর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতি যশোর জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সমীরণ বিশ্বাস এবং যশোর জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক কামাল পারভেজ বুলু। সমাবেশ পরিচালনা করেন সংগঠনের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণা সরকার।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, বিশ্বের শ্রমিক শ্রেণি বর্তমানে নিজেদের অধিকার আদায়ে তীব্র লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ছাত্র, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ অধিকার হরণের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রসহ সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো যুদ্ধকে সামনে রেখে সামরিক ব্যয় ও যুদ্ধের প্রস্তুতি বাড়াচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার সংকুচিত করা হচ্ছে।

বক্তারা আরও বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসন বিশ্ব পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। এসব যুদ্ধ ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট দেশের জনগণের অবস্থান উপেক্ষা করে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো নিজেদের স্বার্থ বাস্তবায়নে তৎপর রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পুঁজিবাদী রাষ্ট্র ও সমাজব্যবস্থার বিপরীতে শ্রমিকশ্রেণির রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রশ্ন এবং অক্টোবর সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের ঐতিহাসিক তাৎপর্য নতুন করে তুলে ধরা জরুরি।

দেশের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রসঙ্গে বক্তারা বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, রেশনিং ব্যবস্থা চালু এবং গণতান্ত্রিক শ্রম আইন বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলন আরও জোরদার করতে হবে।

গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে চলমান আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে পরিবার-পরিজন নিয়ে সম্মানজনকভাবে বেঁচে থাকার জন্য শ্রমিকদের যে পরিমাণ মজুরি প্রয়োজন, তা দেওয়া হচ্ছে না। ফলে শ্রমিকরা ন্যায্য দাবি আদায়ে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হচ্ছেন।

তারা অভিযোগ করেন, শ্রমিকরা অধিকার আদায়ে রাজপথে সোচ্চার হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে নির্যাতন, গ্রেপ্তার ও হয়রানির ঘটনা ঘটছে। এমনকি শ্রমিকদের বাড়িতে বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি মেনে নেওয়া এবং আটক শ্রমিক নেতাদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান নেতারা।

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কাঠামো নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, দেশটি নয়াঔপনিবেশিক ও আধাসামন্তবাদী বৈশিষ্ট্যের রাষ্ট্রব্যবস্থার মধ্যে পরিচালিত হচ্ছে।

তাদের অভিযোগ, সাম্রাজ্যবাদী লগ্নিপুঁজির স্বার্থে দেশের বাজার, প্রাকৃতিক সম্পদ, কৃষি ও সস্তা শ্রমশক্তিকে শোষণ ও লুণ্ঠনের ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো স্থানীয় সহযোগী ও আমলাতান্ত্রিক কাঠামোর ওপর নির্ভর করে নিজেদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বার্থ বাস্তবায়ন করছে।

বিশ্ব ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে বক্তারা বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত এবং দক্ষিণ চীন সাগর ও তাইওয়ান প্রণালী ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সামরিক উত্তেজনা বিশ্বকে ক্রমেই সংঘাতমুখর করে তুলছে। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, ভারত মহাসাগর, প্রশান্ত মহাসাগর এবং বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের ভূরাজনৈতিক ও কৌশলগত গুরুত্ব বাড়ায় বাংলাদেশও বৃহৎ শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।

এ সময় মানবিক করিডোরের প্রস্তাব, চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালসহ গুরুত্বপূর্ণ বন্দর বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা প্রদান, এনডিএসহ বিভিন্ন সামরিক ও প্রতিরক্ষা চুক্তি এবং বিদেশি সামরিক উপস্থিতির বিষয়গুলোকে জাতীয় স্বার্থবিরোধী বলে উল্লেখ করেন নেতৃবৃন্দ। এসব উদ্যোগ ও চুক্তি বাতিলের দাবিও জানান তারা।

সমাবেশ থেকে শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি, গণতান্ত্রিক শ্রম আইন বাস্তবায়ন, রেশনিং ব্যবস্থা চালু, শ্রমিক নির্যাতন বন্ধ এবং আটক শ্রমিক নেতাদের মুক্তির দাবিতে শ্রমিক-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।

ট্যাগস :

অক্টোবর বিপ্লব বার্ষিকীতে যশোরে লাল পতাকা মিছিল ও সমাবেশ

আপডেট সময় : ০৩:৩১:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

ঐতিহাসিক মহান অক্টোবর সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের ১০৯তম বার্ষিকী উপলক্ষে যশোরে লাল পতাকা মিছিল ও সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টায় বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ যশোর জেলা কমিটির উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। সংগঠনের দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে শহরের পাইপপট্টি মোড় থেকে একটি লাল পতাকা মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে যশোর প্রেসক্লাবের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘ যশোর জেলা কমিটির সভাপতি আশুতোষ বিশ্বাসের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য দেন জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট যশোর জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতি যশোর জেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সমীরণ বিশ্বাস এবং যশোর জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক কামাল পারভেজ বুলু। সমাবেশ পরিচালনা করেন সংগঠনের জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণা সরকার।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, বিশ্বের শ্রমিক শ্রেণি বর্তমানে নিজেদের অধিকার আদায়ে তীব্র লড়াই-সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ছাত্র, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষ অধিকার হরণের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রসহ সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো যুদ্ধকে সামনে রেখে সামরিক ব্যয় ও যুদ্ধের প্রস্তুতি বাড়াচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার সংকুচিত করা হচ্ছে।

বক্তারা আরও বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসন বিশ্ব পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করে তুলেছে। এসব যুদ্ধ ও আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট দেশের জনগণের অবস্থান উপেক্ষা করে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো নিজেদের স্বার্থ বাস্তবায়নে তৎপর রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পুঁজিবাদী রাষ্ট্র ও সমাজব্যবস্থার বিপরীতে শ্রমিকশ্রেণির রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠার প্রশ্ন এবং অক্টোবর সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবের ঐতিহাসিক তাৎপর্য নতুন করে তুলে ধরা জরুরি।

দেশের শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রসঙ্গে বক্তারা বলেন, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি নিশ্চিত করা, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, রেশনিং ব্যবস্থা চালু এবং গণতান্ত্রিক শ্রম আইন বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলন আরও জোরদার করতে হবে।

গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে চলমান আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে পরিবার-পরিজন নিয়ে সম্মানজনকভাবে বেঁচে থাকার জন্য শ্রমিকদের যে পরিমাণ মজুরি প্রয়োজন, তা দেওয়া হচ্ছে না। ফলে শ্রমিকরা ন্যায্য দাবি আদায়ে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হচ্ছেন।

তারা অভিযোগ করেন, শ্রমিকরা অধিকার আদায়ে রাজপথে সোচ্চার হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মাধ্যমে নির্যাতন, গ্রেপ্তার ও হয়রানির ঘটনা ঘটছে। এমনকি শ্রমিকদের বাড়িতে বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা। এসব ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি মেনে নেওয়া এবং আটক শ্রমিক নেতাদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান নেতারা।

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কাঠামো নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বলেন, দেশটি নয়াঔপনিবেশিক ও আধাসামন্তবাদী বৈশিষ্ট্যের রাষ্ট্রব্যবস্থার মধ্যে পরিচালিত হচ্ছে।

তাদের অভিযোগ, সাম্রাজ্যবাদী লগ্নিপুঁজির স্বার্থে দেশের বাজার, প্রাকৃতিক সম্পদ, কৃষি ও সস্তা শ্রমশক্তিকে শোষণ ও লুণ্ঠনের ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলো স্থানীয় সহযোগী ও আমলাতান্ত্রিক কাঠামোর ওপর নির্ভর করে নিজেদের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বার্থ বাস্তবায়ন করছে।

বিশ্ব ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে বক্তারা বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত এবং দক্ষিণ চীন সাগর ও তাইওয়ান প্রণালী ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র-চীনের সামরিক উত্তেজনা বিশ্বকে ক্রমেই সংঘাতমুখর করে তুলছে। দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, ভারত মহাসাগর, প্রশান্ত মহাসাগর এবং বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের ভূরাজনৈতিক ও কৌশলগত গুরুত্ব বাড়ায় বাংলাদেশও বৃহৎ শক্তিগুলোর প্রতিযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।

এ সময় মানবিক করিডোরের প্রস্তাব, চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালসহ গুরুত্বপূর্ণ বন্দর বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে ইজারা প্রদান, এনডিএসহ বিভিন্ন সামরিক ও প্রতিরক্ষা চুক্তি এবং বিদেশি সামরিক উপস্থিতির বিষয়গুলোকে জাতীয় স্বার্থবিরোধী বলে উল্লেখ করেন নেতৃবৃন্দ। এসব উদ্যোগ ও চুক্তি বাতিলের দাবিও জানান তারা।

সমাবেশ থেকে শ্রমিকের ন্যায্য মজুরি, গণতান্ত্রিক শ্রম আইন বাস্তবায়ন, রেশনিং ব্যবস্থা চালু, শ্রমিক নির্যাতন বন্ধ এবং আটক শ্রমিক নেতাদের মুক্তির দাবিতে শ্রমিক-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।