ঢাকা ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেশবপুর থানার শ্রেষ্ঠ অফিসার চিংড়া ক্যাম্প ইনচার্জ শামীম হোসাইন

তুহিন হোসেন, কেশবপুর
  • আপডেট সময় : ০৩:০৭:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৪০ বার পঠিত

যশোরের কেশবপুর থানার শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে বিশেষ সম্মানসূচক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন চিংড়া বাজার পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই শামীম হোসাইন। যশোর জেলায় গুরুত্বপূর্ণ পুলিশিং কার্যক্রম ও পেশাগত দায়িত্ব পালনে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলামের কাছ থেকে তিনি এ পুরস্কার গ্রহণ করেন।

চিংড়া বাজার পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি এ সম্মাননা পেয়েছেন।

নিজের এ অর্জনে সন্তোষ প্রকাশ করে এসআই শামীম হোসাইন বলেন, চিংড়া বাজার পুলিশ ক্যাম্পের আওতাধীন এলাকায় দায়িত্ব পালন করা বেশ চ্যালেঞ্জিং। বিভিন্ন সমস্যা ও প্রতিকূলতার মধ্যেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পেশাগত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করে যাচ্ছেন তিনি।

এ সম্মাননা অর্জনে সহযোগিতার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, মনিরামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ইমদাদুল হক, কেশবপুর থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকসানা এবং বর্তমান ওসি হাফিজুর রহমানের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। পাশাপাশি চিংড়া পুলিশ ক্যাম্পের কর্মকর্তা ও সদস্য, স্থানীয় শুভাকাঙ্ক্ষী এবং সাংবাদিকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

শামীম হোসাইন আরও বলেন, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা বাধা ও প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সহকর্মী, স্থানীয় শুভাকাঙ্ক্ষী ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা এবং উৎসাহ তাঁকে দায়িত্ব পালনে অনুপ্রাণিত করেছে। তাঁদের সম্মিলিত সহযোগিতা তাঁর এ অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে এসআই শামীম হোসাইন বলেন, এলাকায় অপরাধ দমনের ধারাবাহিকতায় অজ্ঞান পার্টির সদস্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা তাঁর অন্যতম লক্ষ্য। এ কাজে এলাকার সচেতন নাগরিক, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় অপরাধ দমন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।

ট্যাগস :

কেশবপুর থানার শ্রেষ্ঠ অফিসার চিংড়া ক্যাম্প ইনচার্জ শামীম হোসাইন

আপডেট সময় : ০৩:০৭:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

যশোরের কেশবপুর থানার শ্রেষ্ঠ অফিসার হিসেবে বিশেষ সম্মানসূচক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন চিংড়া বাজার পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই শামীম হোসাইন। যশোর জেলায় গুরুত্বপূর্ণ পুলিশিং কার্যক্রম ও পেশাগত দায়িত্ব পালনে কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলামের কাছ থেকে তিনি এ পুরস্কার গ্রহণ করেন।

চিংড়া বাজার পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি এ সম্মাননা পেয়েছেন।

নিজের এ অর্জনে সন্তোষ প্রকাশ করে এসআই শামীম হোসাইন বলেন, চিংড়া বাজার পুলিশ ক্যাম্পের আওতাধীন এলাকায় দায়িত্ব পালন করা বেশ চ্যালেঞ্জিং। বিভিন্ন সমস্যা ও প্রতিকূলতার মধ্যেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পেশাগত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের চেষ্টা করে যাচ্ছেন তিনি।

এ সম্মাননা অর্জনে সহযোগিতার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, মনিরামপুর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ইমদাদুল হক, কেশবপুর থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকসানা এবং বর্তমান ওসি হাফিজুর রহমানের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। পাশাপাশি চিংড়া পুলিশ ক্যাম্পের কর্মকর্তা ও সদস্য, স্থানীয় শুভাকাঙ্ক্ষী এবং সাংবাদিকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

শামীম হোসাইন আরও বলেন, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে বিভিন্ন সময়ে নানা বাধা ও প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সহকর্মী, স্থানীয় শুভাকাঙ্ক্ষী ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা এবং উৎসাহ তাঁকে দায়িত্ব পালনে অনুপ্রাণিত করেছে। তাঁদের সম্মিলিত সহযোগিতা তাঁর এ অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে এসআই শামীম হোসাইন বলেন, এলাকায় অপরাধ দমনের ধারাবাহিকতায় অজ্ঞান পার্টির সদস্যদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা তাঁর অন্যতম লক্ষ্য। এ কাজে এলাকার সচেতন নাগরিক, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, সবার সম্মিলিত সহযোগিতায় অপরাধ দমন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।