ঢাকা ০৮:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জমে উঠেছে কেশবপুরের গড়ভাঙ্গা সুপারি হাট, জমজমাট কেনাবেচা Logo কোটালীপাড়ার ৯৫ বছরের বৃদ্ধের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী Logo ডুমুরিয়ায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২’র শুভ উদ্বোধন Logo দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ও গণপ্রতিরক্ষায় আনসার-ভিডিপির পেশাগত দক্ষতায় নতুন দিগন্ত Logo অঙ্গীভূত আনসারদের বেতন বৃদ্ধির প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে: মহাপরিচালক Logo সান্তাহারে ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার Logo সাতক্ষীরায় জাতীয় অধ্যাপক ডা. এম আর খানের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত Logo নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo যশোরে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন Logo ঝিকরগাছায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ উদ্বোধন

দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ও গণপ্রতিরক্ষায় আনসার-ভিডিপির পেশাগত দক্ষতায় নতুন দিগন্ত

দর্পণ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৭:৪৪:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • / ১৯ বার পঠিত

জনশৃঙ্খলা রক্ষা, দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ও জাতীয় প্রতিরক্ষায় অপারেশনাল সক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ১১৮ সদস্য। তুরস্কের জেন্ডারমেরি বাহিনীর বিশেষজ্ঞদের সরাসরি তত্ত্বাবধানে দেশে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয়েছে ‘পাবলিক অর্ডার ইনসিডেন্ট রেসপন্স ট্রেনিং (রায়ট কন্ট্রোল)’। পাশাপাশি গণপ্রতিরক্ষার ভিত্তি শক্তিশালী করতে অনুষ্ঠিত হয়েছে উপজেলা/থানা আনসার উচ্চতর প্রশিক্ষণ-১ কোর্স।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) গাজীপুরের সফিপুরে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি একাডেমির বীর বিক্রম শহীদ এলাহী বক্স অডিটোরিয়ামে এসব প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ।

আনসার ও ভিডিপি বাহিনীর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো তুরস্কের জেন্ডারমেরি বাহিনীর পাঁচ সদস্যের বিশেষজ্ঞ দলের অংশগ্রহণে ‘পাবলিক অর্ডার ইনসিডেন্ট রেসপন্স ট্রেনিং (রায়ট কন্ট্রোল)’ কোর্সটি আয়োজন করা হয়। গত ১ নভেম্বর শুরু হওয়া পাঁচ দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে বিসিএস (আনসার) কর্মকর্তা, এসআরবি ও আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যসহ মোট ১১৮ জন অংশ নেন।

প্রশিক্ষণে দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ, জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সমন্বিতভাবে কার্যকর প্রতিক্রিয়া জানানোর আধুনিক কৌশল ও পদ্ধতি হাতে-কলমে শেখানো হয়। এতে তুরস্কের জেন্ডারমেরি বাহিনীর অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণপদ্ধতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পান অংশগ্রহণকারীরা।

অন্যদিকে, ২৮ দিনব্যাপী ‘উপজেলা/থানা আনসার উচ্চতর প্রশিক্ষণ-১’ কোর্সটি বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। গণপ্রতিরক্ষার ভিত্তি জোরদার করা এবং বিভিন্ন বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা বাড়ানো ছিল এ প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ বলেন, তুরস্কের জেন্ডারমেরি বাহিনীর অংশগ্রহণে এ ধরনের বিশেষ প্রশিক্ষণের আয়োজন বাহিনীর ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক সূচনা। প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান ও দক্ষতা নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতিসহ দেশের যেকোনো স্থানে জনশৃঙ্খলা রক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে বাহিনীর আধুনিক সরঞ্জাম ও অপারেশনাল সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে এ প্রশিক্ষণ বাংলাদেশ ও তুরস্কের সংশ্লিষ্ট বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার এবং ভবিষ্যতে যৌথ প্রশিক্ষণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।

মহাপরিচালক আরও বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘পিপলস ওয়ারফেয়ার ডকট্রিন’-এর আওতায় পরিচালিত উপজেলা/থানা আনসার উচ্চতর প্রশিক্ষণ-১ কোর্সটি সদস্যদের আগামী শীতকালীন মহড়াসহ দেশের সার্বভৌমত্ব ও প্রতিরক্ষাসংশ্লিষ্ট বৃহত্তর দায়িত্ব পালনে সক্ষমতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।

বাহিনীর শক্তির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে সদস্যদের অন্তর্ভুক্তি, বৈচিত্র্য, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং ধারাবাহিক দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে মহাপরিচালক বলেন, প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা শুধু নিজেদের কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগ করলেই হবে না, নিজ নিজ ইউনিটের অন্য সদস্যদের মধ্যেও তা ছড়িয়ে দিতে হবে। নতুন প্রশিক্ষক তৈরিতেও প্রশিক্ষণার্থীদের ভূমিকা রাখতে হবে। বাহিনীর মর্যাদা ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে সততা, পেশাদারিত্ব এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণের মাধ্যমে ইতিবাচক নেতৃত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে।

সদস্যদের আত্মনির্ভরশীল জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন মহাপরিচালক। তিনি বলেন, আনসার-ভিডিপির সদস্যদের এমনভাবে দক্ষ করে তুলতে হবে, যাতে তাঁরা নিজেদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি অন্যদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও অবদান রাখতে পারেন। এ লক্ষ্যে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের শেয়ার প্রদানসহ সদস্যদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও কল্যাণে বিভিন্ন উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, তুরস্কের জেন্ডারমেরি বাহিনীর আধুনিক দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ কৌশল ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আনসার-ভিডিপি সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা, প্রস্তুতি এবং জনশৃঙ্খলা রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালনের সক্ষমতা আরও বাড়বে। একই সঙ্গে উপজেলা ও থানা পর্যায়ে গণপ্রতিরক্ষার কাঠামো শক্তিশালী করতে এ প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মামুনূর রশীদ, আনসার ও ভিডিপি একাডেমির কমান্ড্যান্ট (অতিরিক্ত মহাপরিচালক) মো. সাইফুল্লাহ রাসেল, তুরস্ক দূতাবাসের প্রতিনিধি, তুরস্ক থেকে আগত প্রশিক্ষণসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষক, বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং প্রশিক্ষণার্থীসহ অন্যান্য সদস্য।

ট্যাগস :

দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ও গণপ্রতিরক্ষায় আনসার-ভিডিপির পেশাগত দক্ষতায় নতুন দিগন্ত

আপডেট সময় : ০৭:৪৪:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

জনশৃঙ্খলা রক্ষা, দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ও জাতীয় প্রতিরক্ষায় অপারেশনাল সক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর ১১৮ সদস্য। তুরস্কের জেন্ডারমেরি বাহিনীর বিশেষজ্ঞদের সরাসরি তত্ত্বাবধানে দেশে প্রথমবারের মতো আয়োজন করা হয়েছে ‘পাবলিক অর্ডার ইনসিডেন্ট রেসপন্স ট্রেনিং (রায়ট কন্ট্রোল)’। পাশাপাশি গণপ্রতিরক্ষার ভিত্তি শক্তিশালী করতে অনুষ্ঠিত হয়েছে উপজেলা/থানা আনসার উচ্চতর প্রশিক্ষণ-১ কোর্স।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) গাজীপুরের সফিপুরে বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি একাডেমির বীর বিক্রম শহীদ এলাহী বক্স অডিটোরিয়ামে এসব প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ।

আনসার ও ভিডিপি বাহিনীর ইতিহাসে প্রথমবারের মতো তুরস্কের জেন্ডারমেরি বাহিনীর পাঁচ সদস্যের বিশেষজ্ঞ দলের অংশগ্রহণে ‘পাবলিক অর্ডার ইনসিডেন্ট রেসপন্স ট্রেনিং (রায়ট কন্ট্রোল)’ কোর্সটি আয়োজন করা হয়। গত ১ নভেম্বর শুরু হওয়া পাঁচ দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে বিসিএস (আনসার) কর্মকর্তা, এসআরবি ও আনসার ব্যাটালিয়নের সদস্যসহ মোট ১১৮ জন অংশ নেন।

প্রশিক্ষণে দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ, জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সমন্বিতভাবে কার্যকর প্রতিক্রিয়া জানানোর আধুনিক কৌশল ও পদ্ধতি হাতে-কলমে শেখানো হয়। এতে তুরস্কের জেন্ডারমেরি বাহিনীর অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণপদ্ধতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পান অংশগ্রহণকারীরা।

অন্যদিকে, ২৮ দিনব্যাপী ‘উপজেলা/থানা আনসার উচ্চতর প্রশিক্ষণ-১’ কোর্সটি বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দক্ষ ও অভিজ্ঞ প্রশিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। গণপ্রতিরক্ষার ভিত্তি জোরদার করা এবং বিভিন্ন বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা বাড়ানো ছিল এ প্রশিক্ষণের মূল উদ্দেশ্য।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদ বলেন, তুরস্কের জেন্ডারমেরি বাহিনীর অংশগ্রহণে এ ধরনের বিশেষ প্রশিক্ষণের আয়োজন বাহিনীর ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক সূচনা। প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান ও দক্ষতা নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতিসহ দেশের যেকোনো স্থানে জনশৃঙ্খলা রক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, এ লক্ষ্য অর্জনে বাহিনীর আধুনিক সরঞ্জাম ও অপারেশনাল সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে এ প্রশিক্ষণ বাংলাদেশ ও তুরস্কের সংশ্লিষ্ট বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার এবং ভবিষ্যতে যৌথ প্রশিক্ষণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে।

মহাপরিচালক আরও বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘পিপলস ওয়ারফেয়ার ডকট্রিন’-এর আওতায় পরিচালিত উপজেলা/থানা আনসার উচ্চতর প্রশিক্ষণ-১ কোর্সটি সদস্যদের আগামী শীতকালীন মহড়াসহ দেশের সার্বভৌমত্ব ও প্রতিরক্ষাসংশ্লিষ্ট বৃহত্তর দায়িত্ব পালনে সক্ষমতা ও আত্মবিশ্বাস বাড়াবে।

বাহিনীর শক্তির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে সদস্যদের অন্তর্ভুক্তি, বৈচিত্র্য, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং ধারাবাহিক দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে মহাপরিচালক বলেন, প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা শুধু নিজেদের কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগ করলেই হবে না, নিজ নিজ ইউনিটের অন্য সদস্যদের মধ্যেও তা ছড়িয়ে দিতে হবে। নতুন প্রশিক্ষক তৈরিতেও প্রশিক্ষণার্থীদের ভূমিকা রাখতে হবে। বাহিনীর মর্যাদা ও শৃঙ্খলা বজায় রেখে সততা, পেশাদারিত্ব এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণের মাধ্যমে ইতিবাচক নেতৃত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে হবে।

সদস্যদের আত্মনির্ভরশীল জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন মহাপরিচালক। তিনি বলেন, আনসার-ভিডিপির সদস্যদের এমনভাবে দক্ষ করে তুলতে হবে, যাতে তাঁরা নিজেদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি অন্যদের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও অবদান রাখতে পারেন। এ লক্ষ্যে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের শেয়ার প্রদানসহ সদস্যদের আর্থসামাজিক উন্নয়ন ও কল্যাণে বিভিন্ন উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।

সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, তুরস্কের জেন্ডারমেরি বাহিনীর আধুনিক দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ কৌশল ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আনসার-ভিডিপি সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা, প্রস্তুতি এবং জনশৃঙ্খলা রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালনের সক্ষমতা আরও বাড়বে। একই সঙ্গে উপজেলা ও থানা পর্যায়ে গণপ্রতিরক্ষার কাঠামো শক্তিশালী করতে এ প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মামুনূর রশীদ, আনসার ও ভিডিপি একাডেমির কমান্ড্যান্ট (অতিরিক্ত মহাপরিচালক) মো. সাইফুল্লাহ রাসেল, তুরস্ক দূতাবাসের প্রতিনিধি, তুরস্ক থেকে আগত প্রশিক্ষণসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও প্রশিক্ষক, বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং প্রশিক্ষণার্থীসহ অন্যান্য সদস্য।