ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কন্টেন্ট নির্মাণ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী নড়াইলের সৌরভ Logo জমে উঠেছে কেশবপুরের গড়ভাঙ্গা সুপারি হাট, জমজমাট কেনাবেচা Logo কোটালীপাড়ার ৯৫ বছরের বৃদ্ধের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী Logo ডুমুরিয়ায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২’র শুভ উদ্বোধন Logo দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ও গণপ্রতিরক্ষায় আনসার-ভিডিপির পেশাগত দক্ষতায় নতুন দিগন্ত Logo অঙ্গীভূত আনসারদের বেতন বৃদ্ধির প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে: মহাপরিচালক Logo সান্তাহারে ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার Logo সাতক্ষীরায় জাতীয় অধ্যাপক ডা. এম আর খানের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত Logo নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo যশোরে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন

ড. ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

দর্পণ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৩:১৫:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
  • / ৬৪ বার পঠিত

হামের প্রাদুর্ভাব ও শিশু মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়িত্বে অবহেলা, আইন অমান্য এবং অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ডা. মো. আবু জাফর এবং প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করা হয়েছে।

রোববার (৫ জুলাই) সকালে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে সিরাজুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি এ আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশের জন্য আবেদনটি অপেক্ষমাণ রাখেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার আবেদনে বাদী উল্লেখ করেন, তাঁর ৯ মাস বয়সী কন্যা সাউদা মুসকান জ্বরে আক্রান্ত হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে শয্যা সংকট, অক্সিজেনের অভাব, চিকিৎসক ও নার্সদের অবহেলা এবং যথাযথ চিকিৎসাসেবা না পাওয়ায় শিশুটির অবস্থার অবনতি ঘটে। একই সঙ্গে সময়মতো হামের টিকা সরবরাহ না থাকায় সে টিকা নিতে পারেনি এবং পরে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।

আবেদনে আরও বলা হয়, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, তৎকালীন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা হামের টিকা সংগ্রহ, সরবরাহ ও টিকাদান কর্মসূচি যথাযথভাবে বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছেন। তাদের অবহেলার কারণে দেশব্যাপী শত শত শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে এবং হাজারো শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

বাদীর দাবি, বিবাদীদের কর্মকাণ্ড সংবিধান অনুযায়ী জনস্বাস্থ্য ও মানুষের জীবন রক্ষায় রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা, ক্ষমতার অপব্যবহার, দায়িত্বে অবহেলা এবং আইনি বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘনের শামিল। তবে আদালত এখনো এ বিষয়ে কোনো আদেশ দেননি। মামলার আবেদনটি গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।

ড. ইউনূসসহ চারজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

আপডেট সময় : ০৩:১৫:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

হামের প্রাদুর্ভাব ও শিশু মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে দায়িত্বে অবহেলা, আইন অমান্য এবং অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ডা. মো. আবু জাফর এবং প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করা হয়েছে।

রোববার (৫ জুলাই) সকালে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালতে সিরাজুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি এ আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে আদেশের জন্য আবেদনটি অপেক্ষমাণ রাখেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী তাসলিমা জাহান পপি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার আবেদনে বাদী উল্লেখ করেন, তাঁর ৯ মাস বয়সী কন্যা সাউদা মুসকান জ্বরে আক্রান্ত হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে শয্যা সংকট, অক্সিজেনের অভাব, চিকিৎসক ও নার্সদের অবহেলা এবং যথাযথ চিকিৎসাসেবা না পাওয়ায় শিশুটির অবস্থার অবনতি ঘটে। একই সঙ্গে সময়মতো হামের টিকা সরবরাহ না থাকায় সে টিকা নিতে পারেনি এবং পরে হামে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।

আবেদনে আরও বলা হয়, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, তৎকালীন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা হামের টিকা সংগ্রহ, সরবরাহ ও টিকাদান কর্মসূচি যথাযথভাবে বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়েছেন। তাদের অবহেলার কারণে দেশব্যাপী শত শত শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে এবং হাজারো শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

বাদীর দাবি, বিবাদীদের কর্মকাণ্ড সংবিধান অনুযায়ী জনস্বাস্থ্য ও মানুষের জীবন রক্ষায় রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা, ক্ষমতার অপব্যবহার, দায়িত্বে অবহেলা এবং আইনি বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘনের শামিল। তবে আদালত এখনো এ বিষয়ে কোনো আদেশ দেননি। মামলার আবেদনটি গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে।