ঢাকা ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo শার্শায় কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার Logo বেনাপোলে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি শরিফুল আটক, আদালতে প্রেরণ Logo মনিরামপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খেয়াল খুশি মতো চেম্বার করেন ডাক্তারগণ Logo সাতক্ষীরায় সারের ডিলারশিপ নিয়ে রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার Logo বড়দিয়া–মহাজন খেয়াঘাটে নদীভাঙনের তাণ্ডব Logo জনগণের যৌক্তিক দাবি উপেক্ষার চেষ্টা করছে সরকার: গোলাম পরওয়ার Logo ঝিকরগাছা পৌরবাসী স্বাস্থ্যঝুঁকিতে, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বেহাল দশা Logo যশোরে ৭৫ লাখ টাকা কাবিন নিয়ে বিরোধ, সংবাদ সম্মেলন Logo খোলাডাঙ্গায় চারজনকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় প্রধান আসামি আটক Logo যশোরে সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোটের বিক্ষোভ সমাবেশ

সুন্দরবনে আলিফ বাহিনীর ১৫ জলদস্যুর আত্মসমর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১২:২৮:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • / ৩৯ বার পঠিত

সুন্দরবনে সক্রিয় আলিফ বাহিনীর ১৫ সদস্য আত্মসমর্পণ করেছেন। গত ৯ অক্টোবর আব্দুল্লাহ গ্রুপের আটজন ও মজিদ গ্রুপের সাতজনসহ মোট ১৫ জন জলদস্যু এসআরবি-৬-এর কাছে আত্মসমর্পণ করেন। সুন্দরবনকে জলদস্যুমুক্ত ও নিরাপদ রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক তৎপরতার মধ্যে এ ঘটনাকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) এসআরবি-৬-এর সদর দপ্তর, খুলনার মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল হাজারো জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালসহ বনজীবীদের জীবিকা দীর্ঘদিন ধরে জলদস্যু ও বনদস্যুদের তৎপরতার কারণে হুমকির মুখে ছিল। অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে বনজীবীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযান এবং সরকারের পুনর্বাসন উদ্যোগের ফলে অতীতে সুন্দরবনের বিভিন্ন দস্যু বাহিনীর উল্লেখযোগ্যসংখ্যক সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন দস্যুচক্রের তৎপরতা এবং পূর্বে আত্মসমর্পণ করা কিছু ব্যক্তির পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে পড়ার তথ্য পাওয়া যায়। পাশাপাশি জেলে ও অন্যান্য বনজীবীদের অপহরণ এবং মুক্তিপণ দাবির ঘটনাও সামনে আসে।

এ পরিস্থিতিতে সুন্দরবনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযানিক কার্যক্রম জোরদার করে এসআরবি-৬। বাহিনীটির দাবি, ধারাবাহিক তৎপরতা, বনের প্রতিকূল পরিবেশ এবং অপরাধমূলক জীবনের অনিশ্চয়তার কারণে বিভিন্ন দস্যু বাহিনীর সদস্যরা স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় আলিফ বাহিনীর আব্দুল্লাহ ও মজিদ গ্রুপের ১৫ সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। তাঁদের এ পদক্ষেপ সুন্দরবনের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পাশাপাশি বননির্ভর মানুষের নিরাপদে জীবিকা নির্বাহের পরিবেশ উন্নত করতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এসআরবি-৬-এর মিডিয়া সেল জানায়, সুন্দরবনকে জলদস্যু ও বনদস্যুদের অপতৎপরতা থেকে মুক্ত রাখা এবং বননির্ভর জনগোষ্ঠীর জীবন ও জীবিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বাহিনীটির অন্যতম অগ্রাধিকার। জলদস্যুতা, অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়সহ সংঘবদ্ধ অপরাধ প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আত্মসমর্পণকারী ১৫ জনের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হবে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

ট্যাগস :

সুন্দরবনে আলিফ বাহিনীর ১৫ জলদস্যুর আত্মসমর্পণ

আপডেট সময় : ১২:২৮:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

সুন্দরবনে সক্রিয় আলিফ বাহিনীর ১৫ সদস্য আত্মসমর্পণ করেছেন। গত ৯ অক্টোবর আব্দুল্লাহ গ্রুপের আটজন ও মজিদ গ্রুপের সাতজনসহ মোট ১৫ জন জলদস্যু এসআরবি-৬-এর কাছে আত্মসমর্পণ করেন। সুন্দরবনকে জলদস্যুমুক্ত ও নিরাপদ রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক তৎপরতার মধ্যে এ ঘটনাকে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) এসআরবি-৬-এর সদর দপ্তর, খুলনার মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল হাজারো জেলে, বাওয়ালি ও মৌয়ালসহ বনজীবীদের জীবিকা দীর্ঘদিন ধরে জলদস্যু ও বনদস্যুদের তৎপরতার কারণে হুমকির মুখে ছিল। অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের কারণে বনজীবীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযান এবং সরকারের পুনর্বাসন উদ্যোগের ফলে অতীতে সুন্দরবনের বিভিন্ন দস্যু বাহিনীর উল্লেখযোগ্যসংখ্যক সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে নতুন দস্যুচক্রের তৎপরতা এবং পূর্বে আত্মসমর্পণ করা কিছু ব্যক্তির পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে পড়ার তথ্য পাওয়া যায়। পাশাপাশি জেলে ও অন্যান্য বনজীবীদের অপহরণ এবং মুক্তিপণ দাবির ঘটনাও সামনে আসে।

এ পরিস্থিতিতে সুন্দরবনের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযানিক কার্যক্রম জোরদার করে এসআরবি-৬। বাহিনীটির দাবি, ধারাবাহিক তৎপরতা, বনের প্রতিকূল পরিবেশ এবং অপরাধমূলক জীবনের অনিশ্চয়তার কারণে বিভিন্ন দস্যু বাহিনীর সদস্যরা স্বাভাবিক জীবনে ফেরার আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

এরই ধারাবাহিকতায় আলিফ বাহিনীর আব্দুল্লাহ ও মজিদ গ্রুপের ১৫ সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। তাঁদের এ পদক্ষেপ সুন্দরবনের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পাশাপাশি বননির্ভর মানুষের নিরাপদে জীবিকা নির্বাহের পরিবেশ উন্নত করতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এসআরবি-৬-এর মিডিয়া সেল জানায়, সুন্দরবনকে জলদস্যু ও বনদস্যুদের অপতৎপরতা থেকে মুক্ত রাখা এবং বননির্ভর জনগোষ্ঠীর জীবন ও জীবিকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বাহিনীটির অন্যতম অগ্রাধিকার। জলদস্যুতা, অপহরণ, মুক্তিপণ আদায়সহ সংঘবদ্ধ অপরাধ প্রতিরোধে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আত্মসমর্পণকারী ১৫ জনের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাঁদের আদালতে সোপর্দ করা হবে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।