তদন্ত দাবি
কেশবপুরে বিএনপি নেতাকে ফাঁসানোর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন
- আপডেট সময় : ০৮:৫৯:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
- / ৩৫ বার পঠিত

যশোরের কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সহ-কোষাধ্যক্ষ সিরাজুল ইসলামকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার অভিযোগ তুলেছেন তাঁর স্ত্রী সুলতানা নাসরিন। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের ভূমিকা তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় কেশবপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এসব অভিযোগ করেন সুলতানা নাসরিন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, গত ২৯ সেপ্টেম্বর দুপুর আনুমানিক দেড়টার দিকে তাঁর স্বামীকে একটি ভাড়া বাসায় ডেকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়। এ ঘটনার পেছনে দলীয় কোন্দল ও ব্যক্তিস্বার্থ কাজ করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সুলতানা নাসরিন তাঁর বক্তব্যে কেশবপুর পৌর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আব্দুল হালিম মোড়ল এবং সদর ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য কামরুজ্জামান কামালসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন।
এ ছাড়া সদর ইউনিয়ন বিএনপির শ্রমিকবিষয়ক সম্পাদক আবুল হোসেন মনা এবং আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে তাঁদের ভূমিকা খতিয়ে দেখার দাবি জানান তিনি। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সংবাদ সম্মেলনে সুলতানা নাসরিন আরও দাবি করেন, তাঁর স্বামী অতীতেও রাজনৈতিক হয়রানির শিকার হয়েছেন এবং একাধিক মামলায় কারাভোগ করেছেন। এসব ঘটনার কারণে তাঁদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ভোগান্তির মধ্যে রয়েছে বলেও জানান তিনি।
লিখিত বক্তব্যে তিনি অভিযোগ করেন, গত মাসে ঘটে যাওয়া ঘটনাটির একটি ভিডিও ধারণ করে তা ব্যবহার করে তাঁর স্বামীর সম্মানহানি করা হচ্ছে। ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার পেছনেও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কর্মকাণ্ড রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের চাপের কারণে ওই নারী ঘটনাটিতে জড়িয়েছিলেন বলে তাঁদের কাছে স্বীকার করেছেন।
সুলতানা নাসরিন বলেন, তাঁর স্বামীকে ঘিরে ওঠা অভিযোগ এবং ভিডিও প্রচারের প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করা জরুরি। এ জন্য তিনি দলীয় ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান।
























