কলারোয়া থেকে নিখোঁজ স্কুলছাত্রী যশোর সদর হাসপাতালে উদ্ধার
- আপডেট সময় : ০১:৩৯:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
- / ৫৪ বার পঠিত

সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার নিখোঁজ স্কুলছাত্রী সামিয়া ইয়াসমিন জুইকে (১২) যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে যশোর কোতোয়ালি থানার হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তবে সারাদিন তিনি কোথায় ছিলেন এবং কীভাবে যশোরে পৌঁছালেন, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জুই কলারোয়া উপজেলার দেয়াড়া ইউনিয়নের পাকুরিয়া গ্রামের তাইজুল গাজী ও হিরা খাতুনের মেয়ে। তিনি খোরদো বাজারের সালেহা হক উচ্চ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
বুধবার সকালে প্রতিদিনের মতো স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হন জুই। কিন্তু স্কুল ছুটির পর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান না পেয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবার সহযোগিতা কামনা করেন। একই ঘটনায় তার মা হিরা খাতুন কলারোয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
এরপর বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের দ্বিতীয় তলার মডেল ওয়ার্ডের সামনে জুইকে একা ঘোরাফেরা করতে দেখে সন্দেহ হয় হাসপাতালের এক রোগীর স্বজনের। পরে তাকে হাসপাতালের পুলিশ বক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক রোগীর স্বজন রওশন আরা জানান, সকাল থেকেই কিশোরীটিকে হাসপাতাল চত্বরে ঘোরাফেরা করতে দেখেছিলেন। রাতে তাকে একা দেখে সন্দেহ হলে পুলিশ বক্সে নিয়ে যান।
হাসপাতাল পুলিশ সূত্র জানায়, কিশোরীর পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর বিষয়টি যশোর কোতোয়ালি থানা এবং তার পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়। পরে তাকে কোতোয়ালি থানার হেফাজতে নেওয়া হয়।
পুলিশের কাছে জুই দাবি করেছে, বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে স্কুলে যাওয়ার পথে মোটরসাইকেলে থাকা দুই অজ্ঞাত ব্যক্তি তাকে জোর করে তুলে নিয়ে যায়। এরপর কী ঘটেছে, সে বিষয়ে তিনি কিছুই বলতে পারেননি। তার দাবি, পরবর্তী ঘটনাগুলোর কিছুই তার মনে নেই।
যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান বলেন, “কিশোরীর বক্তব্যের সত্যতা যাচাই এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। পরিবারের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে একটি বিশেষ টিম কাজ করছে।”






















