ঢাকা ০৫:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নড়াগাতীর মূলশ্রী খাল কচুরিপানায় ভরাট

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার কালিয়া উপজেলা–এর মূলশ্রী গ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ একটি খাল দীর্ঘদিন ধরে কচুরিপানা ও আবর্জনায় ভরাট হয়ে পড়েছে। আঠারোবাকি নদী–এর সঙ্গে সংযুক্ত এই খালটি বর্তমানে কচুরিপানার কারণে প্রায় অচল অবস্থায় রয়েছে। এতে স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ব্যাহত হয়ে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে খালটি পরিষ্কার না করায় সেখানে ব্যাপকভাবে কচুরিপানা জমে গেছে। ফলে এটি এখন মশার প্রজননক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে, যার কারণে ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে। পাশাপাশি দূষিত পানির কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা নানাবিধ ভোগান্তিতে পড়ছেন।

এ অবস্থায় খালটি থেকে কচুরিপানা অপসারণ ও নিয়মিত পরিষ্কারের দাবিতে কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী মনিরুজ্জামান চৌধুরী। আবেদনে তিনি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করতে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালটি দীর্ঘদিন সংস্কার ও পরিষ্কার না হওয়ায় এর নাব্যতা সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে পানি নিষ্কাশনে সমস্যা তৈরি হচ্ছে এবং আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় দ্রুত খালটি খনন ও কচুরিপানা অপসারণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে এলাকাবাসী আশা প্রকাশ করে বলেন, উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে। এতে পরিবেশের উন্নয়ন ঘটবে এবং তারা স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকেও অনেকাংশে রক্ষা পাবেন।

এ প্রসঙ্গে কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ জিন্নাতুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি অত্যন্ত সময়োপযোগী। আমরা আবেদনটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি এবং দ্রুত সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে অঙ্গীকারাবদ্ধ।”

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

নড়াগাতীর মূলশ্রী খাল কচুরিপানায় ভরাট

আপডেট সময় : ০৪:১৪:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার কালিয়া উপজেলা–এর মূলশ্রী গ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ একটি খাল দীর্ঘদিন ধরে কচুরিপানা ও আবর্জনায় ভরাট হয়ে পড়েছে। আঠারোবাকি নদী–এর সঙ্গে সংযুক্ত এই খালটি বর্তমানে কচুরিপানার কারণে প্রায় অচল অবস্থায় রয়েছে। এতে স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ ব্যাহত হয়ে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে খালটি পরিষ্কার না করায় সেখানে ব্যাপকভাবে কচুরিপানা জমে গেছে। ফলে এটি এখন মশার প্রজননক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে, যার কারণে ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে। পাশাপাশি দূষিত পানির কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা নানাবিধ ভোগান্তিতে পড়ছেন।

এ অবস্থায় খালটি থেকে কচুরিপানা অপসারণ ও নিয়মিত পরিষ্কারের দাবিতে কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন করেছেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী মনিরুজ্জামান চৌধুরী। আবেদনে তিনি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করতে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ এই খালটি দীর্ঘদিন সংস্কার ও পরিষ্কার না হওয়ায় এর নাব্যতা সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে পানি নিষ্কাশনে সমস্যা তৈরি হচ্ছে এবং আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ভয়াবহ জলাবদ্ধতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় দ্রুত খালটি খনন ও কচুরিপানা অপসারণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে এলাকাবাসী আশা প্রকাশ করে বলেন, উপজেলা প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেবে। এতে পরিবেশের উন্নয়ন ঘটবে এবং তারা স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকেও অনেকাংশে রক্ষা পাবেন।

এ প্রসঙ্গে কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ জিন্নাতুল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি অত্যন্ত সময়োপযোগী। আমরা আবেদনটি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছি এবং দ্রুত সমস্যার সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে অঙ্গীকারাবদ্ধ।”