
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, ইরানের একটি পেট্রোকেমিক্যাল স্থাপনায় কথিত মার্কিন-ইসরাইলি হামলার জবাবে তারা ইসরাইলের হাইফা শহরের একটি রাসায়নিক কারখানায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।
সোমবার (৮ জুন) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জানায়, এটি ছিল প্রতিশোধমূলক পাল্টা হামলা। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে বেসামরিক বা জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে আরও হামলা চালানো হলে তার প্রভাব শুধু মধ্যপ্রাচ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে সতর্ক করেছে বাহিনীটি। বিবৃতিতে আইআরজিসি আরও দাবি করে, এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তার দায়ভার যুক্তরাষ্ট্রকেই বহন করতে হবে। তবে ইরানের এই দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি ইসরাইল।
এর আগে রোববার (৭ জুন) যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ব্যাপক হামলা চালায় ইসরাইল। এর জবাবে ইসরাইলের উত্তরাঞ্চল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে তেহরান। রোববার রাতের হামলার পর আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানায়, তারা আর যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন মেনে নেবে না এবং সেই অবস্থানের অংশ হিসেবেই ইসরাইলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে।
এদিকে ইরানের হামলার পর সোমবার পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। দেশটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ শহরে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। তবে সর্বশেষ পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এসব ঘটনায় কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত থাকলে আঞ্চলিক সংঘাত আরও বিস্তৃত হতে পারে।






















