ঢাকা ১০:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাঘারপাড়ায় ছাত্রকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার

বাঘারপাড়া (যশোর) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৫:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / ২১ বার পঠিত

যশোরের বাঘারপাড়ায় ১২ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে হাফেজ আব্দুর রহিম (৪৫) নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় বাঘারপাড়া থানায় একটি মামলা হয়েছে।

গ্রেপ্তার আব্দুর রহিম বাঘারপাড়া উপজেলার ছিলিমপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি উপজেলার ৪ নম্বর নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নের দৌলতপুর দক্ষিণপাড়া নুরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি ওই মাদ্রাসার আবাসিক শিক্ষার্থী। গত ১২ অক্টোবর রাতে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ অবস্থায় সে মাদ্রাসায় ঘুমিয়ে পড়ে। অভিযোগ অনুযায়ী, রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ছুটি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে শিশুটিকে যৌন নির্যাতন করেন অভিযুক্ত শিক্ষক।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ঘটনার সময় পাশে ঘুমিয়ে থাকা ১২ বছর বয়সী আরেক শিক্ষার্থীর ঘুম ভেঙে যায়। সে আলো জ্বালিয়ে ঘটনাটি দেখতে পায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে বিষয়টি মাদ্রাসার অন্য এক শিক্ষককে জানানো হলে তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবহিত করেন।

ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে পাশের একটি মসজিদে আটক করেন এবং পুলিশকে খবর দেন। পরে নারিকেলবাড়িয়া পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা তাঁকে হেফাজতে নিয়ে থানায় নিয়ে যান।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা বিলায়েত হোসেন বাদী হয়ে বাঘারপাড়া থানায় মামলা করেন। মামলাটি ৮ নম্বর হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত শিক্ষককে আদালতে পাঠানো হয়।

ট্যাগস :

বাঘারপাড়ায় ছাত্রকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ০৯:৪৫:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

যশোরের বাঘারপাড়ায় ১২ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে হাফেজ আব্দুর রহিম (৪৫) নামে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় বাঘারপাড়া থানায় একটি মামলা হয়েছে।

গ্রেপ্তার আব্দুর রহিম বাঘারপাড়া উপজেলার ছিলিমপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি উপজেলার ৪ নম্বর নারিকেলবাড়িয়া ইউনিয়নের দৌলতপুর দক্ষিণপাড়া নুরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি ওই মাদ্রাসার আবাসিক শিক্ষার্থী। গত ১২ অক্টোবর রাতে জ্বরে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ অবস্থায় সে মাদ্রাসায় ঘুমিয়ে পড়ে। অভিযোগ অনুযায়ী, রাত আনুমানিক ৩টার দিকে ছুটি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে শিশুটিকে যৌন নির্যাতন করেন অভিযুক্ত শিক্ষক।

এজাহারে আরও বলা হয়েছে, ঘটনার সময় পাশে ঘুমিয়ে থাকা ১২ বছর বয়সী আরেক শিক্ষার্থীর ঘুম ভেঙে যায়। সে আলো জ্বালিয়ে ঘটনাটি দেখতে পায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে বিষয়টি মাদ্রাসার অন্য এক শিক্ষককে জানানো হলে তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবহিত করেন।

ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে পাশের একটি মসজিদে আটক করেন এবং পুলিশকে খবর দেন। পরে নারিকেলবাড়িয়া পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা তাঁকে হেফাজতে নিয়ে থানায় নিয়ে যান।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা বিলায়েত হোসেন বাদী হয়ে বাঘারপাড়া থানায় মামলা করেন। মামলাটি ৮ নম্বর হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত শিক্ষককে আদালতে পাঠানো হয়।