ভোজগাতীতে এলজিইডির লটারির মাধ্যমে নারীকর্মী বাছাই কার্যক্রম
- আপডেট সময় : ০৯:০৪:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৩ বার পঠিত

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ভোজগাতী ইউনিয়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন একটি প্রকল্পে কাজের জন্য লটারির মাধ্যমে ১০ জন নারীকে বাছাই করা হয়েছে। অসহায়, দরিদ্র ও বিধবা নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং তাঁদের পরিবারের আয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করাই এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মনিরামপুর উপজেলার ভোজগাতী ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ড থেকে মোট ৩৩ জন নারী এ প্রকল্পে কাজের জন্য আবেদন করেন। আবেদনকারীদের যাচাই-বাছাই শেষে বয়সসংক্রান্ত কারণে তিনটি আবেদন বাতিল করা হয়।
পরে স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে লটারির মাধ্যমে ১০ জন নারীকে কাজের জন্য নির্বাচিত করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে কাজের সুযোগ দেওয়ার জন্য আরও ১০ জনকে অপেক্ষমাণ তালিকায় রাখা হয়েছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানান, নির্বাচিত নারীরা প্রকল্পের আওতায় কাজের সুযোগ পেলে তাঁদের পরিবারের আর্থিক সংকট কিছুটা লাঘব হবে। পাশাপাশি তাঁরা নিজেদের আয় দিয়ে পরিবারের ভরণপোষণ, সন্তানদের লেখাপড়া ও দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।
ভোজগাতী ইউনিয়ন পরিষদের সচিব তাসলিমা আক্তার বলেন, এলজিইডির এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো অসহায়, দরিদ্র ও বিধবা নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে তাঁদের পরিবারের আয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করা। যেসব নারী আর্থিকভাবে অসচ্ছল এবং পরিবারের ভরণপোষণ চালাতে কষ্ট করছেন, তাঁদের জন্য এ প্রকল্প অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। লটারির মাধ্যমে ১০ জন নারীকে বাছাই করা হয়েছে। নির্বাচিত নারীরা কাজের সুযোগ পেলে তাঁদের পরিবারের আর্থিক সংকট অনেকটাই কমবে বলে আমরা আশা করছি।
তিনি আরও বলেন, লটারির মাধ্যমে বাছাই করায় প্রকল্পে স্বচ্ছতা বজায় থাকবে এবং প্রকৃত অসচ্ছল নারীরা কাজের সুযোগ পাবেন। এ ধরনের উদ্যোগ নারীদের আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে সহায়ক হবে।
লটারি কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন এলজিইডির উপসহকারী প্রকৌশলী আসাদুজ্জামান নূর, কর্মসহকারী মোহাম্মদ ফখরুল উদ্দিন, কর্যসহকারী জালাল উদ্দীন, ইউনিয়ন ভোজগাতী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান বাবু, প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল আলিম, ইউপি সদস্য বিউটি রাণী দাস, নুরুজ্জামান পাপ্পুসহ ইউনিয়নের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
ভোজগাতী ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দারা এলজিইডির এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের প্রত্যাশা, নির্বাচিত নারীরা দ্রুত কাজের সুযোগ পাবেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের প্রকল্পে আরও বেশি অসহায় ও দরিদ্র নারীকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।























