৯ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ
কেশবপুর পৌর শহরে জমি দখলের চেষ্টায় ভাঙচুর
- আপডেট সময় : ০৩:০৬:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
- / ৩৫৬ বার পঠিত

যশোরের কেশবপুরে পৈতৃক সূত্রে পাওয়া জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুর, গালিগালাজ ও জমি দখলের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রতিপক্ষের নয়জনের নাম উল্লেখ করে কেশবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন আমিনুর রহমান (৪৩) নামে এক ব্যক্তি। তিনি উপজেলার সদর ইউনিয়নের মূলগ্রামের মৃত আইয়ুব আলী সানার ছেলে।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কেশবপুর পৌর শহরের ২৮ নম্বর ভোগতী নরেন্দ্রপুর মৌজায় এসএ খতিয়ান নম্বর ১০৯৬, এসএ দাগ নম্বর ১১৬৮, আরএস খতিয়ান নম্বর ১৮০ এবং আরএস দাগ নম্বর ২৮৯৮-এর অন্তর্ভুক্ত ১০ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। অভিযোগকারী আমিনুর রহমানের দাবি, তাঁর বাবা মৃত আইয়ুব আলী সানা ১৯৮৬ সালে জমিটি ক্রয় করে রেজিস্ট্রি ও নামজারি সম্পন্ন করেন। এরপর থেকে তাঁরা ওই জমিতে বসতবাড়ি নির্মাণ করে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন।
অভিযোগে আমিনুর রহমান উল্লেখ করেন, গত ৩০ অক্টোবর ২০২৬ সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁদের জমির সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ফেলেন। এতে প্রায় ৪০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
অভিযুক্তরা হলেন কাস্তা গ্রামের এরফান সরদারের ছেলে জিয়ার সরদার এবং ভোগতী নরেন্দ্রপুর গ্রামের মৃত খয়রাত আলী সরদারের ছেলে হযরত আলী সরদার, মোঃ গনি সরদার, ওসমান সরদার, তুরফান সরদার, সকিনা বিবি, সুখজান বিবি, হাজেরা খাতুন ও তারা বিবি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, সীমানাপ্রাচীর ভাঙার কারণ জানতে আমিনুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেলে প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁদের সঙ্গে অশোভন আচরণ ও গালিগালাজ করেন। এ সময় জমি জবরদখলসহ বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এ ছাড়া এর আগেও জমি দখলের উদ্দেশ্যে প্রতিপক্ষের লোকজন সেখানে থাকা ঘরবাড়িতে তালা লাগানো এবং গাছপালা কেটে ক্ষতিসাধন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেও সমাধান না হওয়ায় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের পরামর্শে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানান আমিনুর রহমান। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুর রহমান জানান, পৌর শহরে জমি নিয়ে বিরোধ সীমানাপ্রাচীর ভাঙচুরের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।























