কুয়াদায় বিরোধীয় জমির স্থাপনা ভেঙ্গে ফেলার অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০৭:৪৬:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ২০ বার পঠিত

যশোরের মণিরামপুর উপজেলাধীন কুয়াদা বাজারস্থ জামজামি মোড়ে শহীদ লুৎফর রহমান খোকন’র স্মৃতি ফলক’র পাশের ৫০ শতক মামলাধীন জমিতে নির্মাণাধীন ইটের গাঁথুনি হাতুড়ি দ্বারা ভেঙে দিলেন জমির মালিকানা দাবিকৃত কাকলি ঘোষ। জনসমক্ষে এস্থাপনা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
তিনি মনিরামপুরের ভোজগাতী ইউনিয়নের জামজামি গ্রামের মৃত নিতাই চন্দ্র ঘোষের মেয়ে। বুধবার জনসমক্ষে এস্থাপনা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। তাঁর দাবি, জামজামি মৌজায় বর্ণিত জমির খতিয়ান নম্বর-৩৩৬, দাগ নম্বর-৩৭৪।
সূত্রমতে, ১৯৯৩ইং সালে কওছার আলী বিশ্বাস’র স্ত্রী ফাতেমা বেগম’র নামে ৫হাজার একশত টাকায় জমিটি বায়না করা হয়। কিন্তু ৩মাসের মধ্যে বাকি টাকা পরিশোধের কথা থাকলেও অদ্যবধি সেটি করেননি বলে তিনি দাবি করেন।
পরে চুক্তি ও স্বাক্ষর নিয়ে বিরোধের জেরে ১৯৯৯ইং সালে মামলা করা হয়। বর্তমানে বর্ণিত জমিটি নিয়ে যশোর জজ কোর্টে ৩৯/১০ ও ৪০/১০ নম্বর মামলা চলমান রয়েছে। মামলার পরবর্তী ধার্যকৃত দিন চলতি বছরের ১অক্টোবর।
কাকলি ঘোষের অভিযোগ, ৫০ শতক জমির মূল্য ১লাখ ৮০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হলেও মাত্র ৫হাজার ১’শো টাকা দিয়ে বায়নাপূর্বক সিরাজসিঙ্গার সুচতুর কওছার আলী বিশ্বাস জমিটি ভোগদখলে রেখেছেন।
তিনি আরো বলেন, আমার বাবার মালিকানাধীন ৫০ শতক জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। আদালতে মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও সেখানে অবৈধভাবে নির্মাণকাজ করা হচ্ছিল। তাই আমি ঘটনাস্থলে এসে নির্মাণাধীন ইটের গাঁথুনি ভেঙে দিয়েছি। আমি এ বিরোধের অবসান চাই।
এরপূর্বে একইস্থানে পাকাঘর ও ইটের গাঁথুনি নির্মাণের অভিযোগ ওঠে। সে সময়ে স্থানীয়দের অভিযোগে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে দু’দফায় নির্মাণকাজ বন্ধসহ সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে ভূমি অফিসে যেতে বলা হয়।
এদিকে, সদরের রামনগর ইউনিয়নের সিরাজসিঙ্গা গ্রামের কওছার আলী বিশ্বাসের দাবি, ওইস্থানে একসময় একজন মুক্তিযোদ্ধার কবর ছিল। পরে মরদেহ সেখান থেকে সরিয়ে নেয়ার পর তিনি জায়গাটি ভোগদখলে রেখেছেন।
স্মৃতি ফলকটিতে “শহীদ স্মৃতি ফলক, স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর সৈনিক শহীদ লুৎফর রহমান খোকন।” লেখা রয়েছে। ফলকটি ১৯৯৪ইং সালের ১৪ ডিসেম্বর তৎকালীন যশোর জেলা প্রশাসক ভূইয়া রফিউদিন আহমেদ উদ্বোধন করেন।
এলাকাবাসীর দাবি, আদালতে চলমান মামলার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে জমির মালিকানা ও সীমানা নির্ধারণ করা হোক। একই সঙ্গে শহীদ স্মৃতিফলকটি সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
এছাড়া কাকলি ঘোষ জনসমক্ষে বলেন, আমি এই বিরোধের দ্রুত সমাধান চাই এবং জমি নিয়ে চলমান বিরোধ হতে পরিত্রাণ চাই।






















