ঢাকা ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
যশোরে দুর্গোৎসব ঘিরে ব্যতিক্রমী আয়োজন

এক মন্দিরেই ১০১ প্রতিমা

কল্যান রায় জয়ন্ত
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৩:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ৩০ বার পঠিত

শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে যশোরে এবার ব্যতিক্রমী এক আয়োজনের দেখা মিলছে। যশোর সদর উপজেলার চাঁচড়া বর্মণ পাড়ার শ্রী হরি মন্দিরে স্থাপন করা হয়েছে ১০১টি প্রতিমা। একই মন্দির প্রাঙ্গণে বিপুলসংখ্যক প্রতিমার এমন আয়োজনকে ঘিরে এলাকায় তৈরি হয়েছে উৎসবের বাড়তি আমেজ। দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীদের কাছেও আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে মন্দিরটি।

দুর্গাপূজা বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন মন্দির ও পূজামণ্ডপে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ উৎসব উদ্যাপিত হয়। তবে চাঁচড়া বর্মণ পাড়ার শ্রী হরি মন্দিরের এবারের আয়োজন আলাদা করে নজর কেড়েছে ১০১টি প্রতিমার কারণে।

আর মাত্র অর্ধ মাসের অপেক্ষা। এরই মধ্যে যশোরের মন্দিরে মন্দিরে শুরু হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি। দুর্গোৎসবকে সামনে রেখে মন্দিরে মন্দিরে এখন উৎসবের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন সংশ্লিষ্টরা। মাটি, খড় আর বাঁশের কাঠামোয় ধীরে ধীরে পূর্ণতা পাচ্ছে দেব-দেবীর প্রতিমা। শিল্পীদের নিপুণ হাতে ফুটে উঠছে নানা রূপ। কোথাও চলছে মাটির শেষ প্রলেপ, কোথাও রং-তুলির আঁচড়, আবার কোথাও মণ্ডপ সাজানোর ব্যস্ততা।

যশোরের দুর্গোৎসবের প্রস্তুতিতে আলাদা করে নজর কাড়ছে শহরতলীর চাচড়া বর্মনপাড়া শ্রীহরি মন্দির। একটি-দুটি নয়, এখানে নির্মাণ করা হচ্ছে ১০১টি প্রতিমা। এসব প্রতিমায় ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে সনাতন ধর্মের নানা পৌরাণিক কাহিনী ও দেব-দেবীর বিচিত্র রূপ।

মন্দির প্রাঙ্গণে প্রতিমাগুলো এমনভাবে সাজানো হচ্ছে, যাতে দর্শনার্থীরা একসঙ্গে সেগুলো দেখতে পারেন। দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে মন্দির ও এর আশপাশের এলাকায় উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন বয়সী মানুষের আনাগোনায় মুখর হয়ে উঠছে মন্দির প্রাঙ্গণ।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, একটি মন্দিরে একসঙ্গে ১০১টি প্রতিমা স্থাপন করায় এবারের দুর্গোৎসবের আয়োজনটি অন্য বছরের তুলনায় আলাদা মাত্রা পেয়েছে। বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের মধ্যে এ আয়োজন ঘিরে কৌতূহল বেশি। পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকেই মন্দিরে এসে প্রতিমা দেখছেন এবং উৎসবের আনন্দ উপভোগ করছেন।

এ বিষয়ে চাঁচড়া বর্মনপাড়া গ্রাম উন্নয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক শিমুল বর্মন বলেন, প্রতিবছরই এখানে দুর্গাপুজা হলেও এবারের আয়োজনে থাকছে বিশেষ আকর্ষন ১০১টি প্রতিমা। পূজাকে ঘিরে মন্দির প্রাঙ্গনে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সম্পূর্ণ মন্দির এরিয়া সিসিটিভি’র আওতায় রাখা হচ্ছে। তাছাড়াও, প্রশাসনের সাথে আমাদের স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ নিরলস কাজ করবেন। যশোরাঞ্চলসহ দূর দুরান্ত থেকেও অনেক দর্শনার্থী আমাদের মন্দিরে পূজা দেখতে আসবে বলে আশা প্রকাশ করছি।

চাঁচড়া বর্মণ পাড়া শ্রী হরি মন্দিরের পূজা উদযাপন কমিটির সহঃ সাধারণ সম্পাদক শুভ বর্মন বলেন, আমরা যশোরের সবচেয়ে বড় ১০১টি প্রতিমা নিয়ে পূজা অনুষ্ঠান করতে যাচ্ছি। নতুন প্রজন্মকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ও মহাভারত সম্পর্কে জ্ঞান দেওয়ার জন্য ৬দিনব্যাপী পূজা অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে চলেছি। পূজায় প্রতিদিন বিশেষ বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠান থাকবে। প্রতিমা দর্শনের ক্ষেত্রে নারীদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হবে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে আমাদের ৫শত স্বেচ্ছাসেবক দিনরাত কাজ করবেন। আশা করি যশোরের সবচেয়ে বড় দুর্গোৎসব হবে আমাদের চাঁচড়া বর্মণ পাড়ায়। সেজন্য আমি সকলকে আমাদের মন্দিরে পূজা দেখতে আসার জন্য বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।

চাঁচড়া বর্মণ পাড়া শ্রী হরি মন্দির কমিটির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অভিমুন্য বর্মণ বলেন, যশোর সদরে ১০১টি প্রতিমা আপনাদের উপহার দিলাম। আপনারা সকলে আমাদের মন্দিরে এসে দুর্গাপূজা উপভোগ করবেন। দুর্গোৎসব ঘিরে মন্দিরে বিশেষ সেবা সার্ভিস থাকবে। বয়োজ্যেষ্ঠ, নারী ও শিশুদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় প্রতিমা দর্শনের সুযোগ থাকবে। শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের মধ্য দিয়ে এবারের দুর্গোৎসব সম্পন্ন হবে। ধর্মীয় উৎসব মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও দৃঢ় করার সুযোগ তৈরি করে। সেই লক্ষ্যেই উৎসবের আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি ব্যতিক্রমী এ আয়োজন করা হয়েছে।

যশোরে প্রতিবছরই বিভিন্ন পূজামণ্ডপে নানা ধরনের নান্দনিক ও ব্যতিক্রমী আয়োজন দেখা যায়। তবে চাঁচড়া বর্মণ পাড়ার শ্রী হরি মন্দিরে একসঙ্গে ১০১টি প্রতিমা স্থাপনের উদ্যোগ দর্শনার্থীদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করেছে। দুর্গোৎসবের কয়েকদিন মন্দিরটিতে বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর আগমণ ঘটবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

উৎসবকে ঘিরে মন্দির এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং দর্শনার্থীদের নির্বিঘ্নে প্রতিমা দর্শনের ব্যবস্থা করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে ১০১ প্রতিমার এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে চাঁচড়া বর্মণ পাড়ার শ্রী হরি মন্দিরে এবারের দুর্গোৎসব পেতে চলেছে ভিন্ন এক মাত্রা।

শ্রী হরি মন্দিরের এই আয়োজন শুধু ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে স্থানীয় মানুষের মিলনমেলাতেও পরিণত হবে এমন প্রত্যাশা আয়োজক কমিটির। পূজাকে কেন্দ্র করে মন্দির প্রাঙ্গণে তৈরি হচ্ছে আনন্দঘন পরিবেশ। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষও উৎসবের আয়োজন দেখতে আসবেন বলে প্রত্যাশা করছেন আয়োজকরা।

ট্যাগস :

যশোরে দুর্গোৎসব ঘিরে ব্যতিক্রমী আয়োজন

এক মন্দিরেই ১০১ প্রতিমা

আপডেট সময় : ০৯:৩৩:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শারদীয় দুর্গোৎসবকে ঘিরে যশোরে এবার ব্যতিক্রমী এক আয়োজনের দেখা মিলছে। যশোর সদর উপজেলার চাঁচড়া বর্মণ পাড়ার শ্রী হরি মন্দিরে স্থাপন করা হয়েছে ১০১টি প্রতিমা। একই মন্দির প্রাঙ্গণে বিপুলসংখ্যক প্রতিমার এমন আয়োজনকে ঘিরে এলাকায় তৈরি হয়েছে উৎসবের বাড়তি আমেজ। দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীদের কাছেও আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে মন্দিরটি।

দুর্গাপূজা বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন মন্দির ও পূজামণ্ডপে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ উৎসব উদ্যাপিত হয়। তবে চাঁচড়া বর্মণ পাড়ার শ্রী হরি মন্দিরের এবারের আয়োজন আলাদা করে নজর কেড়েছে ১০১টি প্রতিমার কারণে।

আর মাত্র অর্ধ মাসের অপেক্ষা। এরই মধ্যে যশোরের মন্দিরে মন্দিরে শুরু হয়েছে শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি। দুর্গোৎসবকে সামনে রেখে মন্দিরে মন্দিরে এখন উৎসবের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন সংশ্লিষ্টরা। মাটি, খড় আর বাঁশের কাঠামোয় ধীরে ধীরে পূর্ণতা পাচ্ছে দেব-দেবীর প্রতিমা। শিল্পীদের নিপুণ হাতে ফুটে উঠছে নানা রূপ। কোথাও চলছে মাটির শেষ প্রলেপ, কোথাও রং-তুলির আঁচড়, আবার কোথাও মণ্ডপ সাজানোর ব্যস্ততা।

যশোরের দুর্গোৎসবের প্রস্তুতিতে আলাদা করে নজর কাড়ছে শহরতলীর চাচড়া বর্মনপাড়া শ্রীহরি মন্দির। একটি-দুটি নয়, এখানে নির্মাণ করা হচ্ছে ১০১টি প্রতিমা। এসব প্রতিমায় ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে সনাতন ধর্মের নানা পৌরাণিক কাহিনী ও দেব-দেবীর বিচিত্র রূপ।

মন্দির প্রাঙ্গণে প্রতিমাগুলো এমনভাবে সাজানো হচ্ছে, যাতে দর্শনার্থীরা একসঙ্গে সেগুলো দেখতে পারেন। দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে মন্দির ও এর আশপাশের এলাকায় উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন বয়সী মানুষের আনাগোনায় মুখর হয়ে উঠছে মন্দির প্রাঙ্গণ।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, একটি মন্দিরে একসঙ্গে ১০১টি প্রতিমা স্থাপন করায় এবারের দুর্গোৎসবের আয়োজনটি অন্য বছরের তুলনায় আলাদা মাত্রা পেয়েছে। বিশেষ করে শিশু-কিশোরদের মধ্যে এ আয়োজন ঘিরে কৌতূহল বেশি। পরিবার-পরিজন নিয়ে অনেকেই মন্দিরে এসে প্রতিমা দেখছেন এবং উৎসবের আনন্দ উপভোগ করছেন।

এ বিষয়ে চাঁচড়া বর্মনপাড়া গ্রাম উন্নয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক শিমুল বর্মন বলেন, প্রতিবছরই এখানে দুর্গাপুজা হলেও এবারের আয়োজনে থাকছে বিশেষ আকর্ষন ১০১টি প্রতিমা। পূজাকে ঘিরে মন্দির প্রাঙ্গনে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সম্পূর্ণ মন্দির এরিয়া সিসিটিভি’র আওতায় রাখা হচ্ছে। তাছাড়াও, প্রশাসনের সাথে আমাদের স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ নিরলস কাজ করবেন। যশোরাঞ্চলসহ দূর দুরান্ত থেকেও অনেক দর্শনার্থী আমাদের মন্দিরে পূজা দেখতে আসবে বলে আশা প্রকাশ করছি।

চাঁচড়া বর্মণ পাড়া শ্রী হরি মন্দিরের পূজা উদযাপন কমিটির সহঃ সাধারণ সম্পাদক শুভ বর্মন বলেন, আমরা যশোরের সবচেয়ে বড় ১০১টি প্রতিমা নিয়ে পূজা অনুষ্ঠান করতে যাচ্ছি। নতুন প্রজন্মকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ ও মহাভারত সম্পর্কে জ্ঞান দেওয়ার জন্য ৬দিনব্যাপী পূজা অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে চলেছি। পূজায় প্রতিদিন বিশেষ বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠান থাকবে। প্রতিমা দর্শনের ক্ষেত্রে নারীদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হবে। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে আমাদের ৫শত স্বেচ্ছাসেবক দিনরাত কাজ করবেন। আশা করি যশোরের সবচেয়ে বড় দুর্গোৎসব হবে আমাদের চাঁচড়া বর্মণ পাড়ায়। সেজন্য আমি সকলকে আমাদের মন্দিরে পূজা দেখতে আসার জন্য বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।

চাঁচড়া বর্মণ পাড়া শ্রী হরি মন্দির কমিটির সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক অভিমুন্য বর্মণ বলেন, যশোর সদরে ১০১টি প্রতিমা আপনাদের উপহার দিলাম। আপনারা সকলে আমাদের মন্দিরে এসে দুর্গাপূজা উপভোগ করবেন। দুর্গোৎসব ঘিরে মন্দিরে বিশেষ সেবা সার্ভিস থাকবে। বয়োজ্যেষ্ঠ, নারী ও শিশুদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় প্রতিমা দর্শনের সুযোগ থাকবে। শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের মধ্য দিয়ে এবারের দুর্গোৎসব সম্পন্ন হবে। ধর্মীয় উৎসব মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও দৃঢ় করার সুযোগ তৈরি করে। সেই লক্ষ্যেই উৎসবের আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি ব্যতিক্রমী এ আয়োজন করা হয়েছে।

যশোরে প্রতিবছরই বিভিন্ন পূজামণ্ডপে নানা ধরনের নান্দনিক ও ব্যতিক্রমী আয়োজন দেখা যায়। তবে চাঁচড়া বর্মণ পাড়ার শ্রী হরি মন্দিরে একসঙ্গে ১০১টি প্রতিমা স্থাপনের উদ্যোগ দর্শনার্থীদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করেছে। দুর্গোৎসবের কয়েকদিন মন্দিরটিতে বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর আগমণ ঘটবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

উৎসবকে ঘিরে মন্দির এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং দর্শনার্থীদের নির্বিঘ্নে প্রতিমা দর্শনের ব্যবস্থা করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে ১০১ প্রতিমার এ আয়োজনের মধ্য দিয়ে চাঁচড়া বর্মণ পাড়ার শ্রী হরি মন্দিরে এবারের দুর্গোৎসব পেতে চলেছে ভিন্ন এক মাত্রা।

শ্রী হরি মন্দিরের এই আয়োজন শুধু ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে স্থানীয় মানুষের মিলনমেলাতেও পরিণত হবে এমন প্রত্যাশা আয়োজক কমিটির। পূজাকে কেন্দ্র করে মন্দির প্রাঙ্গণে তৈরি হচ্ছে আনন্দঘন পরিবেশ। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষও উৎসবের আয়োজন দেখতে আসবেন বলে প্রত্যাশা করছেন আয়োজকরা।