টাকার বিনিময়ে নয়, ত্যাগী নেতাকে মূল্যায়নের দাবি তৃণমূলের
- আপডেট সময় : ১০:১৬:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
- / ২২ বার পঠিত

সাতক্ষীরা কালিগঞ্জ উপজেলার কুশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতির মাঠ উত্তপ্ত হতে শুরু করেছে। এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে তৃণমূল নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মুখে মুখে এখন একটিই নাম, শেখ শফিকুল ইসলাম বাবু। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ, সততা ও দুঃসময়ে দলের পাশে থাকার কারণে বর্তমানে তিনি জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন।
শেখ শফিকুল ইসলাম বাবু কালিগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি এবং কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব হিসেবে দীর্ঘদিন অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সাহসিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিগত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে চরম রাজনৈতিক দুঃসময়, মামলা-হামলা ও নানা প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি তৃণমূলের নেতাকর্মীদের আগলে রেখেছেন এবং রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কুশুলিয়া ইউনিয়নে শেখ শফিকুল ইসলাম বাবুর একটি বিশাল ও সুসংগঠিত কর্মী বাহিনী রয়েছে। বিপদে-আপদে সাধারণ মানুষ ও দলীয় কর্মীদের পাশে দাঁড়ানোর কারণে তিনি সর্বস্তরের মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন।
তবে নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে কিছু সুবিধাবাদী ও কালো টাকার মালিকদের আনাগোনা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় তৃণমূলের ত্যাগী নেতাকর্মীরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রবীণ ও মাঠপর্যায়ের নেতা জানান, “দলীয় মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো টাকার খেলা বা ‘বাপের কোটায়’ উড়ে এসে জুড়ে বসা কাউকে যেন চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন না দেওয়া হয়। টাকার কাছে যেন দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতার মূল্যায়ন হারিয়ে না যায়, এটাই আমাদের প্রধান দাবি।
তৃণমূলের দাবি, শেখ শফিকুল ইসলাম বাবুর মতো একজন রাজপথের পরীক্ষিত নেতা কুশুলিয়া ইউনিয়নে মনোনয়ন পেলে দলের ভাবমূর্তি যেমন উজ্জ্বল হবে, তেমনই বিপুল ভোটে বিজয় নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তারা আশা প্রকাশ করেন, কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নীতি-নির্ধারকেরা কোনো ধরনের আর্থিক প্রলোভন বা পারিবারিক কোটার ঊর্ধ্বে উঠে মাঠপর্যায়ের জনপ্রিয়তাকে মূল্যায়ন করবেন।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শেখ শফিকুল ইসলাম বাবু জানান, আমি পদের জন্য রাজনীতি করিনি। দলের দুঃসময়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছি। কুশুলিয়া ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ ও তৃণমূলের নেতাকর্মীরাই আমার শক্তি। দল যদি আমার ত্যাগ ও মাঠের জনপ্রিয়তা বিবেচনা করে আমাকে মনোনয়ন দেয়, তবে কুশুলিয়া ইউনিয়নকে একটি মডেল ও দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলবো, ইনশাআল্লাহ।























