ঢাকা ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নড়াইলে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৬ সদস্য গ্রেফতার

নড়াইল সংবাদদাতা
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৩:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
  • / ৩৭ বার পঠিত

নড়াইলে তিন দিনের টানা অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের পাঁচ সদস্য ও লুণ্ঠিত স্বর্ণের এক ক্রেতাসহ মোট ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় ডাকাতির ঘটনায় লুণ্ঠিত গলিত স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ জুন ২০২৬ রাত আনুমানিক ২টার দিকে নড়াগাতী থানার পহরডাঙ্গা ইউনিয়নের পাখিমারা (মধ্যপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা সালাহ উদ্দীন খাঁনের বাড়িতে সংঘবদ্ধ ডাকাত দল হানা দেয়। দেশীয় ধারালো অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে সালাহ উদ্দীন খাঁনের হাত বেঁধে আলমারির চাবি ছিনিয়ে নেয়। পরে আলমারিতে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে পালিয়ে যায়। এ সময় তার ছেলে আশিকুর রহমানকেও বেঁধে রেখে যায় ডাকাতরা।

ঘটনার পর সালাহ উদ্দীন খাঁন নড়াগাতী থানায় একটি ডাকাতি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে নড়াইলের পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ)-এর নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), সিসিআইসি এবং নড়াগাতী থানার একাধিক টিম মাঠে নামে।

তদন্তের ধারাবাহিকতায় গত ২ থেকে ৪ জুলাই নড়াইল, খুলনা ও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ডাকাত চক্রের পাঁচ সদস্য এবং লুণ্ঠিত স্বর্ণের এক ক্রেতাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডাকাতির ঘটনায় লুণ্ঠিত গলিত স্বর্ণ উদ্ধার করে পুলিশ।

গ্রেফতাররা হলেন— জাকির মোল্লা ওরফে জেকের আলী (৪৮), জাকির হোসেন তালুকদার ওরফে কাটাপ্পা (৫৪), পারভেজ মৃধা ওরফে দারোগা (৩৬), মফিজ খাঁ (৩৮), দীন ইসলাম মোল্লা (৪২) এবং স্বর্ণকার সরজিৎ কর (৪৫)।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা পাখিমারা গ্রামের ডাকাতির ঘটনায় নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তারা আরও জানায়, ছদ্মনাম ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে নড়াইলসহ খুলনা বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি চালিয়ে আসছিল।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেফতারদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলায় একাধিক ডাকাতি ও চুরির মামলা রয়েছে। জাকির মোল্লার বিরুদ্ধে পাঁচটি, পারভেজ মৃধার বিরুদ্ধে চারটি, জাকির হোসেন তালুকদারের বিরুদ্ধে পাঁচটি এবং মফিজ খাঁর বিরুদ্ধে তিনটি মামলা বর্তমানে বিচারাধীন। আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

নড়াইলে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৬ সদস্য গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৮:৫৩:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

নড়াইলে তিন দিনের টানা অভিযানে আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের পাঁচ সদস্য ও লুণ্ঠিত স্বর্ণের এক ক্রেতাসহ মোট ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় ডাকাতির ঘটনায় লুণ্ঠিত গলিত স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৮ জুন ২০২৬ রাত আনুমানিক ২টার দিকে নড়াগাতী থানার পহরডাঙ্গা ইউনিয়নের পাখিমারা (মধ্যপাড়া) গ্রামের বাসিন্দা সালাহ উদ্দীন খাঁনের বাড়িতে সংঘবদ্ধ ডাকাত দল হানা দেয়। দেশীয় ধারালো অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে সালাহ উদ্দীন খাঁনের হাত বেঁধে আলমারির চাবি ছিনিয়ে নেয়। পরে আলমারিতে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে পালিয়ে যায়। এ সময় তার ছেলে আশিকুর রহমানকেও বেঁধে রেখে যায় ডাকাতরা।

ঘটনার পর সালাহ উদ্দীন খাঁন নড়াগাতী থানায় একটি ডাকাতি মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে নড়াইলের পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ)-এর নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), সিসিআইসি এবং নড়াগাতী থানার একাধিক টিম মাঠে নামে।

তদন্তের ধারাবাহিকতায় গত ২ থেকে ৪ জুলাই নড়াইল, খুলনা ও গোপালগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ডাকাত চক্রের পাঁচ সদস্য এবং লুণ্ঠিত স্বর্ণের এক ক্রেতাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডাকাতির ঘটনায় লুণ্ঠিত গলিত স্বর্ণ উদ্ধার করে পুলিশ।

গ্রেফতাররা হলেন— জাকির মোল্লা ওরফে জেকের আলী (৪৮), জাকির হোসেন তালুকদার ওরফে কাটাপ্পা (৫৪), পারভেজ মৃধা ওরফে দারোগা (৩৬), মফিজ খাঁ (৩৮), দীন ইসলাম মোল্লা (৪২) এবং স্বর্ণকার সরজিৎ কর (৪৫)।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা পাখিমারা গ্রামের ডাকাতির ঘটনায় নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তারা আরও জানায়, ছদ্মনাম ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে নড়াইলসহ খুলনা বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় ডাকাতি চালিয়ে আসছিল।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেফতারদের মধ্যে কয়েকজনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জেলায় একাধিক ডাকাতি ও চুরির মামলা রয়েছে। জাকির মোল্লার বিরুদ্ধে পাঁচটি, পারভেজ মৃধার বিরুদ্ধে চারটি, জাকির হোসেন তালুকদারের বিরুদ্ধে পাঁচটি এবং মফিজ খাঁর বিরুদ্ধে তিনটি মামলা বর্তমানে বিচারাধীন। আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের অন্য সদস্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।