ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ
কায়বার উন্নয়নে মানুষের পাশে শহিদুল ইসলাম
- আপডেট সময় : ০৩:৪৬:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৬৫ বার পঠিত

কায়বার উন্নয়নে মানুষের পাশে শহিদুল ইসলা
ইউপি চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকা
শার্শা (যশোর) প্রতিনিধি:
যশোরের শার্শা উপজেলার কায়বা ইউনিয়নের মানুষের কল্যাণ ও এলাকার উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন কায়বা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কাজে সম্পৃক্ত থাকার কথা জানিয়ে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন তিনি।
শহিদুল ইসলাম বলেন, নির্বাচিত হলে দল-মতনির্বিশেষে ইউনিয়নের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য কাজ করতে চান। রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মাদ্রাসা, কবরস্থান ও সামাজিক অবকাঠামোর উন্নয়নের পাশাপাশি নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দিতে চান তিনি।
স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কায়বা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় রাস্তাঘাট সংস্কার এবং ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে শহিদুল ইসলাম সহযোগিতা করে আসছেন। পাশাপাশি তিনি নিয়মিত মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে তাঁদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রয়োজনের কথা শোনেন বলে স্থানীয়রা জানান।
শহিদুল ইসলামের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৯৮৮ সালে এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় হন তিনি। পরে কায়বা ইউনিয়ন যুবদল ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালে কায়বা ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক, ২০০৮ সালে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং ২০১৮ সালে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছিলেন বলে জানান তিনি। ২০২৫ সালে কায়বা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার কথাও জানান তিনি।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে বিভিন্ন সময়ে হামলা, মামলা ও হয়রানির শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন শহিদুল ইসলাম।
রাজনীতির পাশাপাশি শিক্ষা ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কথাও জানান তিনি। তাঁর নিজ গ্রাম ভবানীপুরে একটি হাফিজিয়া ও একটি নূরানী ক্যাডেট মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার কথা উল্লেখ করে শহিদুল ইসলাম বলেন, হাফিজিয়া মাদ্রাসাটিতে বর্তমানে প্রায় ৬৫ জন শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। এছাড়া কয়েকজন শিক্ষকের বেতন নিজ অর্থায়নে দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
পারিবারিক রাজনৈতিক পরিচয় তুলে ধরে শহিদুল ইসলাম জানান, তাঁর বড় ভাই প্রয়াত নুর ইসলাম ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিএনপির শুরুর দিকের কর্মী। তাঁর দাবি, নুর ইসলাম ১৯৮২ সালে কায়বা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তাঁর আরেক ভাই রুহুল কুদ্দুস ২০১১ সালে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন বলেও জানান তিনি।
চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার কারণ সম্পর্কে শহিদুল ইসলাম বলেন, “কায়বা ইউনিয়নকে বৈষম্যহীন, শান্তিপূর্ণ ও জনবান্ধব ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। দল-মতনির্বিশেষে সব মানুষের নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চাই।”
দলীয় মনোনয়ন পেলে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি আরও বলেন, “উন্নয়ন শুধু রাস্তাঘাট নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, সামাজিক সম্প্রীতি ও নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করাও উন্নয়নের অংশ। জনগণের সহযোগিতা ও ভালোবাসা নিয়ে কায়বাকে একটি সুন্দর ও আধুনিক ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।”
তিনি বলেন, জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটিয়ে কায়বা ইউনিয়নের মানুষের শান্তি, কল্যাণ ও উন্নয়নে কাজ করাই তাঁর লক্ষ্য।






















