ঢাকা ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo আলিপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় সামির সোয়েব রাদমি Logo শার্শায় ধানক্ষেত থেকে ওয়ান শুটার পিস্তল উদ্ধার Logo যশোরে নবনির্মিত ভূমি অফিস উদ্বোধন করলেন বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী Logo সান্তাহারে ভক্তিবেদান্ত গীতা নিকেতনের বর্ষপূর্তি উৎসব পালন Logo এস এফ ট্রাভেলসের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে হজ্ব প্রতারণার অভিযোগ Logo অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রমরমা বাণিজ্য। Logo কেশবপুরে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২ এর উদ্বোধন Logo রাঙামাটিতে সওজ’র জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ Logo খুলনার জাহাঙ্গীর হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার Logo মসজিদে মসজিদে জায়নামাজ উপহার দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী শামীম

বিগত সরকারের ১,৩০০ প্রকল্প এখন ‘গলার কাঁটা’: অর্থমন্ত্রী

দর্পণ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৯:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • / ৫৭ বার পঠিত

বিগত সরকারের নেওয়া উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বর্তমান সরকারের জন্য বড় ধরনের দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের নেওয়া প্রায় ১,৩০০টি উন্নয়ন প্রকল্প উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে বর্তমান সরকার, যার অনেকগুলো এখন ‘গলার কাঁটা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘ডিবেটিং বাজেট অ্যান্ড বিওন্ড’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “বিগত সরকারের নেওয়া ১,৩০০ ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। এসব প্রকল্প আমাদের জন্য এখন লায়াবিলিটি। অনেক প্রকল্পের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ফলে না এগুলো পুরোপুরি বাদ দেওয়া যাচ্ছে, না সহজে বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে। এটি বর্তমান সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।”

তিনি বলেন, বিগত ১৫ বছরে নেওয়া এসব প্রকল্পের অনেকগুলোর বাস্তবায়ন মাঝপথে থাকায় সেগুলো বাতিল করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে সরকারকে প্রকল্পগুলো নিয়ে সতর্কতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে সৃষ্ট অনিশ্চয়তা, জ্বালানি ও অর্থায়ন সংকটসহ নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে। এসব প্রতিকূলতার মধ্যেও সরকার অর্থনীতিতে নতুন চিন্তা ও নতুন মডেল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, “আমরা গতানুগতিক অর্থনৈতিক কাঠামোর বাইরে গিয়ে সৃজনশীল অর্থনীতিকে গুরুত্ব দিচ্ছি। গ্রামাঞ্চলের মৃৎশিল্প, শীতলপাটি ও অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের সঙ্গে যুক্ত কারিগরদের উৎপাদিত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে কাজ করছি।”

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে এসব পণ্যকে আরও বাজারযোগ্য করা। বর্তমানে যে পণ্য ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, সেটি যেন ২ হাজার টাকায় বিক্রি করা যায়। কারিগরদের আয় বাড়লে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।”

সেমিনারে বক্তারা দেশের অর্থনীতি, বাজেট বাস্তবায়ন এবং টেকসই উন্নয়ন কৌশল নিয়ে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন।

বিগত সরকারের ১,৩০০ প্রকল্প এখন ‘গলার কাঁটা’: অর্থমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:৪৯:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

বিগত সরকারের নেওয়া উন্নয়ন প্রকল্পগুলো বর্তমান সরকারের জন্য বড় ধরনের দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের নেওয়া প্রায় ১,৩০০টি উন্নয়ন প্রকল্প উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছে বর্তমান সরকার, যার অনেকগুলো এখন ‘গলার কাঁটা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) রাজধানীতে অনুষ্ঠিত ‘ডিবেটিং বাজেট অ্যান্ড বিওন্ড’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, “বিগত সরকারের নেওয়া ১,৩০০ ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। এসব প্রকল্প আমাদের জন্য এখন লায়াবিলিটি। অনেক প্রকল্পের ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। ফলে না এগুলো পুরোপুরি বাদ দেওয়া যাচ্ছে, না সহজে বাস্তবায়ন করা যাচ্ছে। এটি বর্তমান সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ।”

তিনি বলেন, বিগত ১৫ বছরে নেওয়া এসব প্রকল্পের অনেকগুলোর বাস্তবায়ন মাঝপথে থাকায় সেগুলো বাতিল করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। এ কারণে সরকারকে প্রকল্পগুলো নিয়ে সতর্কতার সঙ্গে সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে সৃষ্ট অনিশ্চয়তা, জ্বালানি ও অর্থায়ন সংকটসহ নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে। এসব প্রতিকূলতার মধ্যেও সরকার অর্থনীতিতে নতুন চিন্তা ও নতুন মডেল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে।

তিনি বলেন, “আমরা গতানুগতিক অর্থনৈতিক কাঠামোর বাইরে গিয়ে সৃজনশীল অর্থনীতিকে গুরুত্ব দিচ্ছি। গ্রামাঞ্চলের মৃৎশিল্প, শীতলপাটি ও অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের সঙ্গে যুক্ত কারিগরদের উৎপাদিত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণে কাজ করছি।”

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে এসব পণ্যকে আরও বাজারযোগ্য করা। বর্তমানে যে পণ্য ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, সেটি যেন ২ হাজার টাকায় বিক্রি করা যায়। কারিগরদের আয় বাড়লে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।”

সেমিনারে বক্তারা দেশের অর্থনীতি, বাজেট বাস্তবায়ন এবং টেকসই উন্নয়ন কৌশল নিয়ে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন।