ঢাকা ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo ঝিকরগাছায় কপোতাক্ষ নদে ভ্যানচালক একলাসের মরদেহ উদ্ধার Logo কালিয়ায় কমিউনিটি পুলিশের উদ্যোগে কাবাডি প্রতিযোগিতা Logo নড়াইলে ৫ দিনব্যাপী বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসবের উদ্বোধন Logo শার্শায় প্রাতিষ্ঠানিক ও উন্মুক্ত জলাশয়ে পোনা মাছ অবমুক্ত Logo কচুয়াডাঙ্গায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা হিরু মিয়াকে সমাহিত Logo শার্শায় বিশেষ অভিযানে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের দুই কর্মী গ্রেপ্তার Logo সাতক্ষীরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি Logo শিপ্রা ঘোষ হত্যার বিচার ও আসামিদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন Logo কাভার্ডভ্যানে মিলল ২২৫৭ বোতল নিষিদ্ধ সিরাপ, গ্রেপ্তার ২ Logo রামপালে শেখ আহাদ হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামি গ্রেপ্তার

যশোরে আইনজীবী সেতুকে শোকজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৮:২৬:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
  • / ৮৪ বার পঠিত

যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট কাজী রেফাত রেজওয়ান সেতুকে শোকজ করেছে যশোর জেলা আইনজীবী সমিতি। বিচারকের নাম ব্যবহার, ঘুষ ও তদবিরের মাধ্যমে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ এবং আদালতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে তাকে আগামী সাত দিনের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. এম. এ. গফুর স্বাক্ষরিত শোকজ নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গত ২৮ জুন যশোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৪র্থ আদালতে ক্রিমিনাল আপিল নং-৮২৫/২৫ ও ৮২৬/২৫ মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই মামলায় নিযুক্ত আইনজীবী না হয়েও অ্যাড. কাজী রেফাত রেজওয়ান সেতু সময়ের আবেদন প্রত্যাহার করে শুনানিতে অংশ নেন। পরদিন ২৯ জুন আপিল মঞ্জুর করে আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।

নোটিশে আরও বলা হয়, বিচারক হিসেবে কর্মরত তার স্ত্রীর নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন আদালতে ঘুষ ও তদবিরের মাধ্যমে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ এবং আদালতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে উঠেছে। এসব অভিযোগ আইনজীবী সমিতির গঠনতন্ত্র পরিপন্থী উল্লেখ করে তাকে সাত দিনের মধ্যে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না দিলে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অ্যাড. কাজী রেফাত রেজওয়ান সেতু। তিনি বলেন, ওই দিন তিনি নিজ মামলার কাজে আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিচারক উপস্থিত এক ব্যক্তিকে জানান, মামলার শুনানি না হলে সেদিনই রায় দেওয়া হবে। পরে ওই ব্যক্তির সঙ্গে থাকা তার এক পূর্বপরিচিত ব্যক্তি দুটি আপিল মামলার শুনানি করার জন্য তাকে বিশেষভাবে অনুরোধ করেন। এরপর বিচারকের অনুমতি নিয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে শুনানিতে অংশ নেন।

তিনি দাবি করেন, বিচারককে প্রভাবিত করার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এছাড়া বিচারকের নাম ব্যবহার, ঘুষ ও তদবিরের মাধ্যমে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেছেন।

যশোরে আইনজীবী সেতুকে শোকজ

আপডেট সময় : ০৮:২৬:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

যশোর জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট কাজী রেফাত রেজওয়ান সেতুকে শোকজ করেছে যশোর জেলা আইনজীবী সমিতি। বিচারকের নাম ব্যবহার, ঘুষ ও তদবিরের মাধ্যমে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ এবং আদালতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে তাকে আগামী সাত দিনের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. এম. এ. গফুর স্বাক্ষরিত শোকজ নোটিশে উল্লেখ করা হয়, গত ২৮ জুন যশোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৪র্থ আদালতে ক্রিমিনাল আপিল নং-৮২৫/২৫ ও ৮২৬/২৫ মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই মামলায় নিযুক্ত আইনজীবী না হয়েও অ্যাড. কাজী রেফাত রেজওয়ান সেতু সময়ের আবেদন প্রত্যাহার করে শুনানিতে অংশ নেন। পরদিন ২৯ জুন আপিল মঞ্জুর করে আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।

নোটিশে আরও বলা হয়, বিচারক হিসেবে কর্মরত তার স্ত্রীর নাম ব্যবহার করে বিভিন্ন আদালতে ঘুষ ও তদবিরের মাধ্যমে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ এবং আদালতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগও তার বিরুদ্ধে উঠেছে। এসব অভিযোগ আইনজীবী সমিতির গঠনতন্ত্র পরিপন্থী উল্লেখ করে তাকে সাত দিনের মধ্যে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব না দিলে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অ্যাড. কাজী রেফাত রেজওয়ান সেতু। তিনি বলেন, ওই দিন তিনি নিজ মামলার কাজে আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বিচারক উপস্থিত এক ব্যক্তিকে জানান, মামলার শুনানি না হলে সেদিনই রায় দেওয়া হবে। পরে ওই ব্যক্তির সঙ্গে থাকা তার এক পূর্বপরিচিত ব্যক্তি দুটি আপিল মামলার শুনানি করার জন্য তাকে বিশেষভাবে অনুরোধ করেন। এরপর বিচারকের অনুমতি নিয়ে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে শুনানিতে অংশ নেন।

তিনি দাবি করেন, বিচারককে প্রভাবিত করার অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এছাড়া বিচারকের নাম ব্যবহার, ঘুষ ও তদবিরের মাধ্যমে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণের অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেছেন।