ঢাকা ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চরম ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

যশোরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বাঁশের বেড়া

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৬:২২:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
  • / ৭৪ বার পঠিত

যশোর সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের দক্ষিণ ভাটপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠের মাঝ দিয়ে বেড়া দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে শুক্রবার (৩ জুলাই) এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত দক্ষিণ ভাটপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ভাটপাড়া গ্রামের মৃত হাজারী লাল সরকারের দুই ছেলে—মৃত রবীন্দ্রনাথ সরকার ও নারায়ণ চন্দ্র সরকার—মোট ৩৩ শতাংশ জমি দান করেন। এর মধ্যে একজন ১৭ শতাংশ এবং অপরজন ১৬ শতাংশ জমি বিদ্যালয়ের নামে দান করেন।

অভিযোগ রয়েছে, ভাটপাড়া মৌজার ৯৮১ ও ৯৮২ দাগের ৩৩ শতাংশ জমি বিদ্যালয়ের নামে দান করা হলেও বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ করা হয় ৯৮০ দাগের জমিতে। দানকৃত জমির পরিবর্তে অন্যত্র জমি দেওয়ার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। এছাড়া বিদ্যালয়ের নামে জমি রেজিস্ট্রি হলেও এখনো নামজারি সম্পন্ন হয়নি বলে স্থানীয়দের দাবি।

স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে জমি-সংক্রান্ত জটিলতার সমাধান না হওয়ায় অর্ণীল সরকারের দুই ছেলে দীপংকার সরকার ও সুশান্ত সরকার তাদের দাবি করা জমির অংশে বিদ্যালয়ের মাঠের মাঝ দিয়ে বেড়া নির্মাণ করেছেন। এতে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ ব্যবহারে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের একাংশ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নারায়ণ চন্দ্র সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তবে তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সদর উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) তৌহিদুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ের মাঠে বেড়া দেওয়ার বিষয়টি তার জানা ছিল না। বিষয়টি তদন্ত করে সরকারি বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চরম ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

যশোরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বাঁশের বেড়া

আপডেট সময় : ০৬:২২:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

যশোর সদর উপজেলার রামনগর ইউনিয়নের দক্ষিণ ভাটপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠের মাঝ দিয়ে বেড়া দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। জমির মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে শুক্রবার (৩ জুলাই) এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত দক্ষিণ ভাটপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ভাটপাড়া গ্রামের মৃত হাজারী লাল সরকারের দুই ছেলে—মৃত রবীন্দ্রনাথ সরকার ও নারায়ণ চন্দ্র সরকার—মোট ৩৩ শতাংশ জমি দান করেন। এর মধ্যে একজন ১৭ শতাংশ এবং অপরজন ১৬ শতাংশ জমি বিদ্যালয়ের নামে দান করেন।

অভিযোগ রয়েছে, ভাটপাড়া মৌজার ৯৮১ ও ৯৮২ দাগের ৩৩ শতাংশ জমি বিদ্যালয়ের নামে দান করা হলেও বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ করা হয় ৯৮০ দাগের জমিতে। দানকৃত জমির পরিবর্তে অন্যত্র জমি দেওয়ার কথা থাকলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। এছাড়া বিদ্যালয়ের নামে জমি রেজিস্ট্রি হলেও এখনো নামজারি সম্পন্ন হয়নি বলে স্থানীয়দের দাবি।

স্থানীয়দের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে জমি-সংক্রান্ত জটিলতার সমাধান না হওয়ায় অর্ণীল সরকারের দুই ছেলে দীপংকার সরকার ও সুশান্ত সরকার তাদের দাবি করা জমির অংশে বিদ্যালয়ের মাঠের মাঝ দিয়ে বেড়া নির্মাণ করেছেন। এতে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ ব্যবহারে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের একাংশ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নারায়ণ চন্দ্র সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তবে তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

সদর উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) তৌহিদুর রহমান বলেন, বিদ্যালয়ের মাঠে বেড়া দেওয়ার বিষয়টি তার জানা ছিল না। বিষয়টি তদন্ত করে সরকারি বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।