নবম পে-স্কেলের সঙ্গে জবাবদিহি চায় টিআইবি
- আপডেট সময় : ০৫:৩০:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
- / ৮৭ বার পঠিত

প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে কালো টাকা বৈধ করার সুযোগ না রাখায় সরকারকে স্বাগত জানিয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। একই সঙ্গে নবম পে-স্কেল ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের ঘোষণার প্রেক্ষাপটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব প্রকাশ বাধ্যতামূলক করার দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।
বাজেট-পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, কালো টাকা বৈধ করার সুযোগ না রাখা দুর্নীতিবিরোধী অবস্থানের একটি ইতিবাচক বার্তা।
তিনি বলেন, অতীতে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির যুক্তি দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে কালো টাকা বৈধ করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল, যা ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তাই ভবিষ্যতেও এ ধরনের সুবিধা পুনর্বহাল না করার আহ্বান জানান তিনি।
নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়ে টিআইবি মনে করে, দীর্ঘদিন পর সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামো পুনর্নির্ধারণের উদ্যোগ বাস্তবসম্মত এবং সময়োপযোগী। উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য উপযুক্ত বেতন-ভাতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করে সংস্থাটি।
তবে বেতন বৃদ্ধির প্রত্যাশিত সুফল পেতে হলে জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে টিআইবি। সংস্থাটির প্রস্তাব অনুযায়ী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজস্ব এবং পরিবারের নির্ভরশীল সদস্যদের আয় ও সম্পদের তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ ও প্রকাশের বাধ্যবাধকতা থাকতে হবে। এতে প্রশাসনে স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে এবং দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে তাদের অভিমত।
এছাড়া প্রস্তাবিত বাজেটে নিত্যপ্রয়োজনীয় কিছু পণ্য ও সেবার ওপর শুল্ক ও কর কমানোর উদ্যোগকেও ইতিবাচক হিসেবে মূল্যায়ন করেছে টিআইবি। সংস্থাটির মতে, এ ধরনের পদক্ষেপ সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে সহায়ক হবে।
তবে বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সুশাসন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনার অভাবকে হতাশাজনক বলে মন্তব্য করেছে সংস্থাটি। টিআইবির মতে, শুধু বাজেট বরাদ্দ বা নীতিগত ঘোষণা নয়, কার্যকর বাস্তবায়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতাই বাজেটের সফলতা নির্ধারণ করবে।
























