ঢাকা ০৩:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করমুক্ত আয়ের সীমা সম্পর্কে যা জানা গেল ?

দর্পণ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৮:২৮:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / ৪২ বার পঠিত

জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের অর্থবিল পাস হয়েছে। বিলটি চূড়ান্ত অনুমোদনের আগে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী আনা হয়েছে। এর মধ্যে ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা করা এবং ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব প্রত্যাহার অন্যতম।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে কণ্ঠভোটে অর্থবিলটি পাস হয়। এর আগে বিলের ওপর দীর্ঘ আলোচনা শেষে বিভিন্ন সংশোধনী গ্রহণ করা হয়। এর মধ্য দিয়ে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নের আইনি ভিত্তি তৈরি হলো।

পাস হওয়া অর্থবিল অনুযায়ী, ব্যাংক হিসাব খোলা, জমি ও ফ্ল্যাট নিবন্ধন, বণ্টননামা এবং নামজারির ক্ষেত্রে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব থেকে সরে এসেছে সরকার। ফলে এসব ক্ষেত্রে আগের বিধানই বহাল থাকবে। এছাড়া প্রকৃত মূল্য ও মৌজা মূল্যের পার্থক্য নিরসনে প্রস্তাবিত বিশেষ বিধানও প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর করের হার ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনলাইন ভিডিও প্ল্যাটফর্ম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সার্চ ইঞ্জিনে বিজ্ঞাপনের ওপর প্রস্তাবিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। নতুন অর্থবিলে স্বর্ণ, রৌপ্য, প্লাটিনাম ও হীরার অলংকারের জন্য নতুন ভ্যাট কাঠামো নির্ধারণের পাশাপাশি এসব অলংকার কেনার সময় উৎসে কর কাটার বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

শিল্প খাতের উৎপাদন ব্যয় কমাতে চিংড়ি, ওষুধ, বৈদ্যুতিক তার, পিভিসি ও পিইটি রেজিন, পরিশোধিত তামা এবং অগ্নিনিরাপত্তা সরঞ্জামসহ বিভিন্ন কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক ও কর কমানো বা প্রত্যাহার করা হয়েছে। অর্থবিলে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর জন্য নতুন শর্তও যুক্ত হয়েছে। কর-পরবর্তী নিট মুনাফার ৩০ শতাংশের কম লভ্যাংশ বিতরণ করলে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ কর দিতে হবে। তবে ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এ বিধানের আওতার বাইরে থাকবে।

এ ছাড়া নির্দিষ্ট আকারের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী জমা দেওয়া এবং বিভিন্ন সরকারি সেবা গ্রহণে ব্যবসা শনাক্তকরণ নম্বর (বিআইএন) ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১১ জুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন সংশোধনী সংযোজনের পর বাজেট বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অর্থবিলটি চূড়ান্তভাবে পাস হলো।

করমুক্ত আয়ের সীমা সম্পর্কে যা জানা গেল ?

আপডেট সময় : ০৮:২৮:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের অর্থবিল পাস হয়েছে। বিলটি চূড়ান্ত অনুমোদনের আগে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী আনা হয়েছে। এর মধ্যে ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়ের সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা করা এবং ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে কর শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন) বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব প্রত্যাহার অন্যতম।

সোমবার (২৯ জুন) জাতীয় সংসদে কণ্ঠভোটে অর্থবিলটি পাস হয়। এর আগে বিলের ওপর দীর্ঘ আলোচনা শেষে বিভিন্ন সংশোধনী গ্রহণ করা হয়। এর মধ্য দিয়ে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বাস্তবায়নের আইনি ভিত্তি তৈরি হলো।

পাস হওয়া অর্থবিল অনুযায়ী, ব্যাংক হিসাব খোলা, জমি ও ফ্ল্যাট নিবন্ধন, বণ্টননামা এবং নামজারির ক্ষেত্রে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব থেকে সরে এসেছে সরকার। ফলে এসব ক্ষেত্রে আগের বিধানই বহাল থাকবে। এছাড়া প্রকৃত মূল্য ও মৌজা মূল্যের পার্থক্য নিরসনে প্রস্তাবিত বিশেষ বিধানও প্রত্যাহার করা হয়েছে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর করের হার ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে অনলাইন ভিডিও প্ল্যাটফর্ম, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সার্চ ইঞ্জিনে বিজ্ঞাপনের ওপর প্রস্তাবিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। নতুন অর্থবিলে স্বর্ণ, রৌপ্য, প্লাটিনাম ও হীরার অলংকারের জন্য নতুন ভ্যাট কাঠামো নির্ধারণের পাশাপাশি এসব অলংকার কেনার সময় উৎসে কর কাটার বিধান যুক্ত করা হয়েছে।

শিল্প খাতের উৎপাদন ব্যয় কমাতে চিংড়ি, ওষুধ, বৈদ্যুতিক তার, পিভিসি ও পিইটি রেজিন, পরিশোধিত তামা এবং অগ্নিনিরাপত্তা সরঞ্জামসহ বিভিন্ন কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক ও কর কমানো বা প্রত্যাহার করা হয়েছে। অর্থবিলে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর জন্য নতুন শর্তও যুক্ত হয়েছে। কর-পরবর্তী নিট মুনাফার ৩০ শতাংশের কম লভ্যাংশ বিতরণ করলে অতিরিক্ত ১০ শতাংশ কর দিতে হবে। তবে ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এ বিধানের আওতার বাইরে থাকবে।

এ ছাড়া নির্দিষ্ট আকারের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের জন্য নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী জমা দেওয়া এবং বিভিন্ন সরকারি সেবা গ্রহণে ব্যবসা শনাক্তকরণ নম্বর (বিআইএন) ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১১ জুন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন সংশোধনী সংযোজনের পর বাজেট বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অর্থবিলটি চূড়ান্তভাবে পাস হলো।