ঢাকা ০১:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে: শফিকুর রহমান

খুলনা সংবাদদাতা
  • আপডেট সময় : ১০:১৪:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
  • / ৩৪ বার পঠিত

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ লাঘব এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবিতে খুলনায় জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউস ময়দানে এ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, “এ বিপ্লব কোনো দল, গোষ্ঠী বা পরিবারকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য নয়; বরং স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর জন্য। প্রয়োজনে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।”

যুবসমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শোষণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দলীয় প্রভাবমুক্ত একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বক্তব্যে তিনি বিএনপির সমালোচনা করে বলেন, দলটি জনগণের সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেনি। একইসঙ্গে তিনি জনরায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানান এবং রাজনৈতিক দলগুলোকে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করার পরামর্শ দেন।

জামায়াত আমির আরও বলেন, জনগণের দাবি উপেক্ষা করা হলে গণআন্দোলন আরও শক্তিশালী হতে পারে। প্রয়োজনে সংসদে সমাধান না হলে জনগণ মাঠের আন্দোলনের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

দেশে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা সংঘাত চায় না উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা দেশকে ভালোবাসি, শান্তি ও স্থিতিশীলতা চাই। তবে অন্যায়ের কাছে মাথা নত করব না এবং জনগণের অধিকার আদায়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যাব।”

সমাবেশে জামায়াত ও ১১-দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে: শফিকুর রহমান

আপডেট সময় : ১০:১৪:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ লাঘব এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবিতে খুলনায় জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউস ময়দানে এ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, “এ বিপ্লব কোনো দল, গোষ্ঠী বা পরিবারকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য নয়; বরং স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর জন্য। প্রয়োজনে আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।”

যুবসমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শোষণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও দলীয় প্রভাবমুক্ত একটি মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বক্তব্যে তিনি বিএনপির সমালোচনা করে বলেন, দলটি জনগণের সঙ্গে করা প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারেনি। একইসঙ্গে তিনি জনরায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানান এবং রাজনৈতিক দলগুলোকে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করার পরামর্শ দেন।

জামায়াত আমির আরও বলেন, জনগণের দাবি উপেক্ষা করা হলে গণআন্দোলন আরও শক্তিশালী হতে পারে। প্রয়োজনে সংসদে সমাধান না হলে জনগণ মাঠের আন্দোলনের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

দেশে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা সংঘাত চায় না উল্লেখ করে শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা দেশকে ভালোবাসি, শান্তি ও স্থিতিশীলতা চাই। তবে অন্যায়ের কাছে মাথা নত করব না এবং জনগণের অধিকার আদায়ে গণতান্ত্রিক আন্দোলন চালিয়ে যাব।”

সমাবেশে জামায়াত ও ১১-দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।