এবার আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা : প্রধানমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ০৩:০২:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
- / ৭৪ বার পঠিত

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, “গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে এবার অবশ্যই আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে আমরা ইনশাআল্লাহ অবশ্যই ঘুরে দাঁড়াব।” রোববার (৭ জুন) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘কর্মমুখী ও টেকনিক্যাল শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ’ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা ফ্যাসিবাদী শাসন ও শোষণ দেশের জনগণের গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা ব্যবস্থাকেও প্রায় ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছে। এখন সময় এসেছে দেশকে পুনর্গঠন ও ঘুরে দাঁড়ানোর।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার আন্দোলনে যেসব মানুষ আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের অবদান যথাযথভাবে মূল্যায়ন করতে হবে। এজন্য একটি জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। শিক্ষায়-দীক্ষায়, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে নিজেদের প্রস্তুত করতে না পারলে ভবিষ্যতের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা কঠিন হয়ে পড়বে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর উচ্চশিক্ষা বিস্তারে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বর্তমানে সারা দেশে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত দুই হাজারের বেশি কলেজ রয়েছে, যেখানে প্রায় ৪০ লাখ শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এক কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী এ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছেন।
তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং শহর ও গ্রামের শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা সহজলভ্য করতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ১৯৯২ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, বিশ্ব এখন চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের যুগে প্রবেশ করেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিস্তার মানুষের জন্য নতুন সম্ভাবনার পাশাপাশি বিভিন্ন চ্যালেঞ্জও তৈরি করছে। অটোমেশন ও এআইভিত্তিক প্রযুক্তির কারণে অনেক প্রচলিত কর্মক্ষেত্র ঝুঁকির মুখে পড়লেও একই সঙ্গে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, প্রযুক্তিগত এই পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে সনদনির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তে দক্ষতাভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর, বাস্তবমুখী ও কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থার বিকল্প নেই। দেশের তরুণ প্রজন্মকে ভবিষ্যৎ কর্মবাজারের উপযোগী করে গড়ে তুলতে শিক্ষা ব্যবস্থায় যুগোপযোগী সংস্কার প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।























