ঢাকা ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কেশবপুরে ইউএনও’র নামে টাকা দাবির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৯:১০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
  • / ৪৬ বার পঠিত

যশোরের কেশবপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কথা বলে ৫০ হাজার টাকা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক ওয়াজেদ আলী খান ডাবলু-এর বিরুদ্ধে। শনিবার বিকেলে কেশবপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো: তাসের আলী।

লিখিত বক্তব্যে তাসের আলী জানান, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের শুরুতে হাজী জমশের খান ওয়াকফ এস্টেটের জমিতে অগ্রিম জামানত দিয়ে পাঁচ বছর মেয়াদে ব্যবসার উদ্দেশ্যে ট্রাক টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকায় সেমিপাকা ঘর নির্মাণ শুরু করেন তিনি। নির্মাণকাজের ইটের গাঁথুনির কাজ শেষ হওয়ার পর ছাউনি দেওয়ার সময় উপজেলা প্রশাসন কাজ বন্ধ করে দেয়।

তিনি অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে মধ্যকুল গ্রামের মৃত আব্দুল করিম খানের ছেলে ও উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক ওয়াজেদ আলী খান ডাবলু তাকে ডেকে জানান যে ইউএনওর মাধ্যমে কাজ বন্ধ করানো হয়েছে এবং পরবর্তী অনুমতির ব্যবস্থা করে দিতে ৫০ হাজার টাকা লাগবে। একই সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে চাপও দেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি।

তাসের আলী আরও বলেন, টাকা না দেওয়ায় তার কাজ বাধাগ্রস্ত করা হয় এবং তার আপন ভাই কেশবপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম মোড়ল-এর নাম জড়িয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, দলীয় পদ ব্যবহার করে ওয়াজেদ আলী খান ডাবলু প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে প্রভাব বিস্তারসহ বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন, যা বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে।

এ বিষয়ে অভিযোগের বিষয়ে ওয়াজেদ আলী খান ডাবলু বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

অন্যদিকে কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা খাতুন জানান, ওয়াকফ এস্টেটের জমিতে নির্মাণকাজ করা যাবে না বলে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে টাকা চাওয়ার বিষয়টি তার জানা নেই।

ট্যাগস :

কেশবপুরে ইউএনও’র নামে টাকা দাবির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০৯:১০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

যশোরের কেশবপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কথা বলে ৫০ হাজার টাকা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক ওয়াজেদ আলী খান ডাবলু-এর বিরুদ্ধে। শনিবার বিকেলে কেশবপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো: তাসের আলী।

লিখিত বক্তব্যে তাসের আলী জানান, ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের শুরুতে হাজী জমশের খান ওয়াকফ এস্টেটের জমিতে অগ্রিম জামানত দিয়ে পাঁচ বছর মেয়াদে ব্যবসার উদ্দেশ্যে ট্রাক টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকায় সেমিপাকা ঘর নির্মাণ শুরু করেন তিনি। নির্মাণকাজের ইটের গাঁথুনির কাজ শেষ হওয়ার পর ছাউনি দেওয়ার সময় উপজেলা প্রশাসন কাজ বন্ধ করে দেয়।

তিনি অভিযোগ করেন, পরবর্তীতে মধ্যকুল গ্রামের মৃত আব্দুল করিম খানের ছেলে ও উপজেলা বিএনপির প্রচার সম্পাদক ওয়াজেদ আলী খান ডাবলু তাকে ডেকে জানান যে ইউএনওর মাধ্যমে কাজ বন্ধ করানো হয়েছে এবং পরবর্তী অনুমতির ব্যবস্থা করে দিতে ৫০ হাজার টাকা লাগবে। একই সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে চাপও দেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি।

তাসের আলী আরও বলেন, টাকা না দেওয়ায় তার কাজ বাধাগ্রস্ত করা হয় এবং তার আপন ভাই কেশবপুর পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম ও ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম মোড়ল-এর নাম জড়িয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, দলীয় পদ ব্যবহার করে ওয়াজেদ আলী খান ডাবলু প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে প্রভাব বিস্তারসহ বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন, যা বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে।

এ বিষয়ে অভিযোগের বিষয়ে ওয়াজেদ আলী খান ডাবলু বলেন, তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

অন্যদিকে কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসোনা খাতুন জানান, ওয়াকফ এস্টেটের জমিতে নির্মাণকাজ করা যাবে না বলে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে টাকা চাওয়ার বিষয়টি তার জানা নেই।