
অবৈধ অনুপ্রবেশ, পুশ-ইন ও সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে রাত্রীকালীন নজরদারি জোরদার করতে আধুনিক থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরা ব্যবহার শুরু করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। নতুন এ প্রযুক্তির ফলে অন্ধকার কিংবা সীমিত দৃশ্যমানতার মধ্যেও সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও চলাচল সহজে শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরা দৃশ্যমান আলোর ওপর নির্ভরশীল নয়। এটি মানুষ, প্রাণী বা যানবাহন থেকে নির্গত তাপ শনাক্ত করে তাদের অবস্থান নির্ধারণ করতে সক্ষম। ফলে গভীর রাত, ঘন ঝোপঝাড়, নদীতীর কিংবা দুর্গম সীমান্ত এলাকাতেও লুকিয়ে চলাচল করা ব্যক্তিদের শনাক্ত করা অনেক সহজ হয়ে যায়।
সংশ্লিষ্টরা জানান, সাধারণ ক্যামেরা যেখানে অন্ধকারে কার্যকারিতা হারায়, সেখানে থার্মাল ক্যামেরা দীর্ঘ দূরত্ব থেকেও তাপের উপস্থিতি শনাক্ত করতে পারে। এর মাধ্যমে সীমান্ত এলাকায় সন্দেহজনক গতিবিধি দ্রুত শনাক্ত করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে।
বিজিবির মতে, আধুনিক এই প্রযুক্তি অবৈধ অনুপ্রবেশ, পুশ-ইন, চোরাচালানসহ বিভিন্ন সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় টহল ও নজরদারির কার্যকারিতা বৃদ্ধি পাবে।
সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে প্রযুক্তিনির্ভর এ উদ্যোগ বিজিবির অপারেশনাল সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, থার্মাল ইমেজিং ক্যামেরার ব্যবহার দেশের সীমান্ত ব্যবস্থাপনায় একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে।




















