ঢাকা ০৩:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
নতুন বিতর্কে স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা

প্রতিদিন গোসল কি সত্যিই প্রয়োজন?

  • দর্পণ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
  • ২৬ ভার পঠিত

প্রতিদিন গোসল করা অনেকের কাছে একটি অভ্যাসে পরিণত হলেও আধুনিক জীবনযাত্রায় এ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, প্রতিদিন পুরো শরীর সাবান দিয়ে ধোয়া শারীরিক প্রয়োজনের চেয়ে বেশি একটি সামাজিক রীতি, যা না মানলে অনেক সময় সামাজিকভাবে অস্বস্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়।

চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন গোসল করার কোনো নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যগত বাধ্যবাধকতা নেই। বরং অতিরিক্ত সাবান ও পানি ব্যবহার ত্বকের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা নষ্ট করতে পারে এবং ত্বকের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বা মাইক্রোবায়োমের ভারসাম্যেও প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, গত শতাব্দীতে রানিং ওয়াটার ও শাওয়ার ব্যবস্থার সহজলভ্যতা এবং বিভিন্ন বিজ্ঞাপন প্রচারণার কারণে গোসলকে শুধু পরিচ্ছন্নতার নয়, বরং মানসিক প্রশান্তির অংশ হিসেবেও দেখা শুরু হয়েছে। তবে বর্তমানে অনেকেই তুলনামূলক কম গোসল করার অভ্যাস গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করছেন।

এ বিষয়ে কিছু পরামর্শও উঠে এসেছে। যেমন—প্রয়োজন অনুযায়ী গোসল করা, শরীরের ঘামপ্রবণ অংশ যেমন বগল ও কুঁচকি নিয়মিত পরিষ্কার রাখা, এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস বজায় রাখা।

এ ছাড়া গোসলের পরিবর্তে মানসিক প্রশান্তির জন্য হালকা ব্যায়াম, বিশ্রাম বা বই পড়ার মতো অভ্যাস গড়ে তোলার পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন বিতর্কে স্বাস্থ্যবিশেষজ্ঞরা

প্রতিদিন গোসল কি সত্যিই প্রয়োজন?

আপডেট সময় : ০৭:৫৪:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

প্রতিদিন গোসল করা অনেকের কাছে একটি অভ্যাসে পরিণত হলেও আধুনিক জীবনযাত্রায় এ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, প্রতিদিন পুরো শরীর সাবান দিয়ে ধোয়া শারীরিক প্রয়োজনের চেয়ে বেশি একটি সামাজিক রীতি, যা না মানলে অনেক সময় সামাজিকভাবে অস্বস্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়।

চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন গোসল করার কোনো নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যগত বাধ্যবাধকতা নেই। বরং অতিরিক্ত সাবান ও পানি ব্যবহার ত্বকের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা নষ্ট করতে পারে এবং ত্বকের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বা মাইক্রোবায়োমের ভারসাম্যেও প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, গত শতাব্দীতে রানিং ওয়াটার ও শাওয়ার ব্যবস্থার সহজলভ্যতা এবং বিভিন্ন বিজ্ঞাপন প্রচারণার কারণে গোসলকে শুধু পরিচ্ছন্নতার নয়, বরং মানসিক প্রশান্তির অংশ হিসেবেও দেখা শুরু হয়েছে। তবে বর্তমানে অনেকেই তুলনামূলক কম গোসল করার অভ্যাস গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করছেন।

এ বিষয়ে কিছু পরামর্শও উঠে এসেছে। যেমন—প্রয়োজন অনুযায়ী গোসল করা, শরীরের ঘামপ্রবণ অংশ যেমন বগল ও কুঁচকি নিয়মিত পরিষ্কার রাখা, এবং সংক্রমণ প্রতিরোধে নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস বজায় রাখা।

এ ছাড়া গোসলের পরিবর্তে মানসিক প্রশান্তির জন্য হালকা ব্যায়াম, বিশ্রাম বা বই পড়ার মতো অভ্যাস গড়ে তোলার পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।