প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ : প্রতিমন্ত্রী টুকু
- আপডেট সময় : ০৮:০৪:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
- / ৩৭ বার পঠিত

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী ও আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে সরকার প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই) আঞ্চলিক কেন্দ্র পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের আয় বৃদ্ধি এবং জীবনমান উন্নয়নে ছাগল, ভেড়া, গরু ও হাঁস-মুরগি পালনকে আরও কার্যকরভাবে কাজে লাগাতে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।
তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত নাইক্ষ্যংছড়ির এ খামারের অন্যতম লক্ষ্য ছিল গয়াল সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে এসব প্রাণী বিতরণ। বর্তমান সরকার সেই লক্ষ্যকে আরও সম্প্রসারিত করে প্রান্তিক মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে।
সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জানান, ইতোমধ্যে বিভিন্ন খামারির মধ্যে ছাগল ও ভেড়া বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি সরকারি খামারগুলোতে গবেষণার মাধ্যমে কীভাবে প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিদের আরও বেশি সহায়তা দেওয়া যায়, সে বিষয়ে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, অতীতে যথাযথ পরিচর্যা ও ব্যবস্থাপনার অভাবে খামারটির পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। তবে বর্তমান সরকার খামারটির সার্বিক উন্নয়ন, আধুনিকায়ন এবং গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “একজন প্রান্তিক মানুষ যদি কয়েকটি ছাগল, ভেড়া, গরু কিংবা হাঁস-মুরগি লালন-পালনের সুযোগ পান, তাহলে তিনি নিজেই আয়ের উৎস তৈরি করতে পারবেন এবং স্বাবলম্বী হয়ে উঠবেন। প্রান্তিক মানুষের এই আত্মনির্ভরশীলতা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।”
পরিদর্শনকালে তিনি গয়াল শেড, হরিণ শেড এবং ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের শেড ঘুরে দেখেন। এ সময় গয়ালের সংখ্যা বৃদ্ধি এবং অন্যান্য প্রাণীর সার্বিক সুবিধা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন। পরে প্রতিমন্ত্রী স্থানীয় খামারিদের মধ্যে মুরগি, ছাগী, ছাগলের পাঠা, ভেড়া ও ভেড়ার পাঠা বিতরণ করেন।
এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. খালেদ কনক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহজামান খান, বিএলআরআই-এর মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুকসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
























