ঢাকা ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

ভোঁদড় দিয়ে মাছ শিকারের ঐতিহ্য রক্ষায় এমপি জাহাঙ্গীর

নড়াইল সংবাদদাতা
  • আপডেট সময় : ০৭:৫৬:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • / ৪৯ বার পঠিত

বিশ্বের বিরলতম এবং কয়েকশ বছরের পুরোনো ভোঁদড় দিয়ে মাছ শিকারের ঐতিহ্য সংরক্ষণে মালো সম্প্রদায়ের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম।

তিনি বলেন, নড়াইলের ভোঁদড় দিয়ে মাছ শিকারের এই অনন্য পদ্ধতি শুধু একটি পেশা নয়, এটি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সময়ের পরিবর্তনে এ প্রাচীন পদ্ধতি আজ বিলুপ্তির পথে। তাই এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখা এবং এর সঙ্গে জড়িত মালো সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ভোঁদড় দিয়ে মাছ শিকারের এ ঐতিহ্য সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর, স্থানীয় প্রশাসন ও সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে এ বিশ্ববিরল ঐতিহ্য তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে এটি পর্যটন সম্ভাবনার নতুন ক্ষেত্র হিসেবে বিকশিত হতে পারে।

এ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় মালো সম্প্রদায়ের সদস্যরা। তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রতিকূলতা ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেও তারা শত বছরের এই ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন। সরকারি ও সামাজিক সহযোগিতা পেলে নতুন প্রজন্মের কাছে এই ঐতিহ্য পৌঁছে দেওয়া এবং সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।

স্থানীয়দের মতে, নড়াইল অঞ্চলে প্রশিক্ষিত ভোঁদড়ের সহায়তায় মাছ শিকারের এই পদ্ধতি বিশ্বের অত্যন্ত বিরল ঐতিহ্যগুলোর একটি। তবে পেশাগত সংকট, অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর মাছ ধরার বিস্তারের কারণে ঐতিহ্যটি বর্তমানে বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। এ অবস্থায় এর সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভোঁদড় দিয়ে মাছ শিকারের ঐতিহ্য রক্ষায় এমপি জাহাঙ্গীর

আপডেট সময় : ০৭:৫৬:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

বিশ্বের বিরলতম এবং কয়েকশ বছরের পুরোনো ভোঁদড় দিয়ে মাছ শিকারের ঐতিহ্য সংরক্ষণে মালো সম্প্রদায়ের পাশে থাকার ঘোষণা দিয়েছেন নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম।

তিনি বলেন, নড়াইলের ভোঁদড় দিয়ে মাছ শিকারের এই অনন্য পদ্ধতি শুধু একটি পেশা নয়, এটি বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সময়ের পরিবর্তনে এ প্রাচীন পদ্ধতি আজ বিলুপ্তির পথে। তাই এই ঐতিহ্যকে টিকিয়ে রাখা এবং এর সঙ্গে জড়িত মালো সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ভোঁদড় দিয়ে মাছ শিকারের এ ঐতিহ্য সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর, স্থানীয় প্রশাসন ও সংস্কৃতিবিষয়ক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি পর্যটকদের কাছে এ বিশ্ববিরল ঐতিহ্য তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে এটি পর্যটন সম্ভাবনার নতুন ক্ষেত্র হিসেবে বিকশিত হতে পারে।

এ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন স্থানীয় মালো সম্প্রদায়ের সদস্যরা। তারা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নানা প্রতিকূলতা ও অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেও তারা শত বছরের এই ঐতিহ্য ধরে রেখেছেন। সরকারি ও সামাজিক সহযোগিতা পেলে নতুন প্রজন্মের কাছে এই ঐতিহ্য পৌঁছে দেওয়া এবং সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে।

স্থানীয়দের মতে, নড়াইল অঞ্চলে প্রশিক্ষিত ভোঁদড়ের সহায়তায় মাছ শিকারের এই পদ্ধতি বিশ্বের অত্যন্ত বিরল ঐতিহ্যগুলোর একটি। তবে পেশাগত সংকট, অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা এবং আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর মাছ ধরার বিস্তারের কারণে ঐতিহ্যটি বর্তমানে বিলুপ্তির ঝুঁকিতে রয়েছে। এ অবস্থায় এর সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।