ঢাকা ০৯:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo মণিরামপুরে আনসার কর্মকর্তা’র বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড় Logo যশোরে এলপিজির মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় জরিমানা Logo যবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ, কানের পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত Logo কারবালা কবরস্থানে মরদেহ দাফনে বাধা, স্বজনদের মধ্যে হাতাহাতি Logo যাত্রী-চালক বিরোধে বাস সড়কে রেখে যান চলাচল বন্ধ Logo আশাশুনিতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কর্মী সমাবেশ Logo সাতক্ষীরা কাঁচা ও পাকা মাল ব্যবসায়ী সমিতির নব-নির্বাচিতদের পরিচিতি সভা Logo শার্শার কায়বা ইউনিয়নে জনসম্পৃক্ত কর্মকাণ্ডে সক্রিয় শহিদুল ইসলাম Logo অসুস্থ সরোয়ারকে দেখতে ছুটে গেলেন নুরুজ্জামান লিটন Logo যশোরে এতিম নারীর পৈতৃক সম্পত্তি জালিয়াতির মাধ্যমে দখলের অভিযোগ

মণিরামপুরে আনসার কর্মকর্তা’র বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়

এস এম তাজাম্মুল, মনিরামপুর (যশোর)
  • আপডেট সময় : ১১:৩৩:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১২ বার পঠিত

যশোরের মণিরামপুর উপজেলা আনসার গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তা আব্দুর রউফে’র (পি.ভি.এম) বিরুদ্ধে অন্তহীন দুর্নীতির পাহাড় সমান অভিযোগ উঠেছে। দূর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, স্বেচ্ছাচারিতাসহ নিজে প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুর রউফ “রক্ষক হয়ে ভক্ষকের” ভূমিকায় নিজের চেহারার আড়ালে আরেক মুখোশ পরে একের পর এক নিয়মিত অপরাধ করে চলেছেন বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা জনিত করানে নাম প্রকাশ না করার স্বার্থে এক আনসার সদস্য।

সাম্প্রতিক তার এক দূর্নীতির আলোচিত বিষয়ের দাপ্তরিক বিতর্কের জের ধরে কয়েকটি সংযুক্তি কপির প্রমানসহ মণিরামপুর উপজেলা আনসার-ভিডিপির এক দলনেতা উপজেলা কর্মকর্তা আঃ রউফের মুখোশ খুলে দিয়ে তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। এ নিয়ে উপজেলা ব্যাপী আনসার-ভিডিপি সদস্যদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

‎যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মহাপরিচালক বরাবর দায়েরকৃত অভিযোগে মণিরামপুর পৌরসভার ৫নং তাহেরপুর ওয়ার্ড দলনেতা রবিউল ইসলাম-১ উল্লেখ করেন, উপজেলার ১৫নং কুলটিয়া ইউনিয়নের আনসার প্লাটুন কমান্ডার রবিউল ইসলামকে-২ জাতীয় পুরষ্কার পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভনের আশায় উপজেলার আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা আব্দুর রউফ (পিভিএম) মোটা অংকের অর্থ নিয়ে জাতীয় পুরস্কারের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পাওয়ার আশায় তার এই রূপ অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর শৃঙ্খলা, সততা এবং ভাবমূর্তিকে চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। তার এই রূপ কার্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে প্রতারণা এবং গুরুদণ্ডযোগ্য অপরাধ।

অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, তিনি উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা আব্দুর রউফ মহোদয়কে অনৈতিকভাবে ম্যানেজ/প্রভাবিত করে উক্ত মিথ্যা ফাইলটি জেলা কার্যালয়ে প্রেরণের জন্য অনুমোদন বা সুপারিশ করিয়ে নিয়েছেন। এই ধরণের জালিয়াতি ও অসদুপায় অবলম্বন আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর গৌরবময় ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে বলে সমস্ত অসংগতি ও অভিযোগ শতভাগ নির্ভুল দাবী করেছেন অভিযোগকারী নিজেই।

একই সাথে  মাঠপর্যায়ের সৎ, যোগ্য এবং প্রকৃত পরিশ্রমী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অধিকার ও মনোবল খর্ব করা রাষ্ট্রদ্রহী অপরাাধের সমতূল বলে মনে করছেন মনিরামপুর আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে আসা বাংলাদেশ আনসার গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর রিপোর্টিং টিমের সদস্যরা।

এ ছাড়াও সম্প্রতি ইউনিয়ন পর্যায়ের গ্রাম ভিডিপি প্রশিক্ষণে উপজেলার ০৭নং খেদাপাড়া ইউনিয়নে হেলাঞ্চী-কৃষ্ণবাটী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণার্থী প্রত্যেকের নিকট থেকে মাথা প্রতি ৬৪ জনের কাছ থেকে ১০০০-১২০০ টাকা নিয়েছে, প্রতিদিনের নাস্তার খরচ বাবদ জন প্রতি ৬৫ টাকা বরাদ্দ থাকলেও মাত্র ১৫ টাকা (১টি কলা, ১প্যাকেট কেক, ১টি সিংগাড়া) নাস্তা খরচ করে বাকি ৫০ টাকা নিজের পকেটে গেছে এবং আসন্ন দূর্গাপূজা উপলক্ষে পূজার ডিউটির জন্য প্রত্যেকের নিকট ১০০০ টাকা করে দাবি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

বিশ্বস্ত তথ্যসূত্র বলছে, খেদাপাড়া ইউনিয়নের ১০দিনের ঐ প্রশিক্ষন ক্যাম্পে ৬৪ জন সদস্য মণিরামপুর উপজেলার নাগরিকের বাধ্যতামূলক থাকলেও নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার ইমা খনাম নামে এক সুন্দরী নারীর নাম প্রশিক্ষনার্থীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিলো। অবশ্য ইমা খানমের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তার পরিচয় নিশ্চিত করে উপজেলা কর্মকর্তার সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কেের জেরে তালিকাভুক্ত হয়েছেন বলে জানান।

গুরুতর অভিযোগ আছে, উপজেলা আনসার গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তা আব্দুর রউফের তত্বাবধানে ১০দিনের ঐ প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে পার্শবর্তী উপজেলা কেশবপুরের আনসার কর্মকর্তা ও স্থানীয় খেদাপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের উপস্থিতির সাথে তাৎক্ষণিক ২ হাজার টাকা বরাদ্দকৃত সম্মানী ধার্য্য থাকলেও এ ক্ষেত্রেও তিনি স্বেচ্ছাচারিতার পরিচয় দিয়ে দূর্নীতি করে ৪ হাজার টাকা নিজের পকেটে ভরেছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে চলতি দায়িত্বে ১৬ জন আনসার সদস্যে দ্বারা যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কে মনিরামপুর বাজারের যানযট নিরসনে মোতায়েনকৃত আনসার সদস্যসের প্রত্যেক দিনের হাজিরা টাকা ৬৫০ টাকা বরাদ্দ করে মনিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা । সেখানে থেকে ৫০০ টাকা দিয়ে বাকি ১৫০ টাকা তিনি (আঃ রউফ) নিজের পকেটে রাখেন বলে দাবী করেছে একাধিক আনসার সদস্য।

অভিযোগ উঠেছে, অভিযোগকারী দলনেতা রবিউল ইসলাম -১  মাদক কারবারীকে আটক করার সময় মারাত্মক জখম হই বলে যশোর অফিস বরাবর উপজেলা কর্মকর্তা আব্দুর রউফ তাকে জোর পূর্বক আবেদন করালেও আসল সত্য ঘটনা হলো- মাদক কারবারীকে আটক করলেও সে সময় কোন প্রকার জখমের শিকার হয় নাই। কিন্তু চাপ সৃষ্টি করে আর্থিক সহায়তা পাইবার জন্য বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি কার্যালয় যশোর বরাবর লিখিত আবদেন করান আব্দুর রউফ।

জানা গেছে, চার মাস আগে মে মাসের ১ম সপ্তাহে সুনামগঞ্জ হতে মণিরামপুর উপজেলা আনসার গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তা হিসাবে যোগদান করেন।

তথ্য সূত্র বলছে, নড়াইলের কালিয়া উপজেলার আনসার গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তা থাকাকালীন আব্দুর রউফ’কে নারী ঘঠিত কারনে দাপ্তরিক শাস্তির ব্যাবস্থায় বদলি হিসাবে সুনামগঞ্জের এক উপজেলার দায়িত্বে পাঠানো হয়।

এ ব্যাপারে জানতে আনসার গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মণিরামপুর উপজেলা কর্মকর্তা অভিযুক্ত আব্দুর রউফে’র বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিক বার মুঠোফোনে অফলাইন/ অনলাইনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি সাড়া দেননি।

এদিকে যশোর জেলা আনসার কর্মকর্তার কার্যালয়ে যোগাযোগে ব্যার্থ হয়ে সরকারি তথ্য বাতায়নের সহযোগিতায় বাংলাদেশ আনসার গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর খুলনা বিভাগীয় উপমহাপরিচালক আশরাফুল আলমে’র (বিএএমএস, বিভিএমএস) সাথে কথা হলে উল্লেখিত অভিযোগের বিষয়ে অবগত না থাকলেও যদি পরবর্তীতে অভিযোগের কপি পেলে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :

মণিরামপুরে আনসার কর্মকর্তা’র বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়

আপডেট সময় : ১১:৩৩:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

যশোরের মণিরামপুর উপজেলা আনসার গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তা আব্দুর রউফে’র (পি.ভি.এম) বিরুদ্ধে অন্তহীন দুর্নীতির পাহাড় সমান অভিযোগ উঠেছে। দূর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, স্বেচ্ছাচারিতাসহ নিজে প্রশাসনিক কর্মকর্তা আব্দুর রউফ “রক্ষক হয়ে ভক্ষকের” ভূমিকায় নিজের চেহারার আড়ালে আরেক মুখোশ পরে একের পর এক নিয়মিত অপরাধ করে চলেছেন বলে জানিয়েছে নিরাপত্তা জনিত করানে নাম প্রকাশ না করার স্বার্থে এক আনসার সদস্য।

সাম্প্রতিক তার এক দূর্নীতির আলোচিত বিষয়ের দাপ্তরিক বিতর্কের জের ধরে কয়েকটি সংযুক্তি কপির প্রমানসহ মণিরামপুর উপজেলা আনসার-ভিডিপির এক দলনেতা উপজেলা কর্মকর্তা আঃ রউফের মুখোশ খুলে দিয়ে তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। এ নিয়ে উপজেলা ব্যাপী আনসার-ভিডিপি সদস্যদের মাঝে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

‎যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে মহাপরিচালক বরাবর দায়েরকৃত অভিযোগে মণিরামপুর পৌরসভার ৫নং তাহেরপুর ওয়ার্ড দলনেতা রবিউল ইসলাম-১ উল্লেখ করেন, উপজেলার ১৫নং কুলটিয়া ইউনিয়নের আনসার প্লাটুন কমান্ডার রবিউল ইসলামকে-২ জাতীয় পুরষ্কার পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভনের আশায় উপজেলার আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা আব্দুর রউফ (পিভিএম) মোটা অংকের অর্থ নিয়ে জাতীয় পুরস্কারের রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পাওয়ার আশায় তার এই রূপ অসত্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর শৃঙ্খলা, সততা এবং ভাবমূর্তিকে চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। তার এই রূপ কার্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে প্রতারণা এবং গুরুদণ্ডযোগ্য অপরাধ।

অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, তিনি উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা আব্দুর রউফ মহোদয়কে অনৈতিকভাবে ম্যানেজ/প্রভাবিত করে উক্ত মিথ্যা ফাইলটি জেলা কার্যালয়ে প্রেরণের জন্য অনুমোদন বা সুপারিশ করিয়ে নিয়েছেন। এই ধরণের জালিয়াতি ও অসদুপায় অবলম্বন আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর গৌরবময় ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে বলে সমস্ত অসংগতি ও অভিযোগ শতভাগ নির্ভুল দাবী করেছেন অভিযোগকারী নিজেই।

একই সাথে  মাঠপর্যায়ের সৎ, যোগ্য এবং প্রকৃত পরিশ্রমী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অধিকার ও মনোবল খর্ব করা রাষ্ট্রদ্রহী অপরাাধের সমতূল বলে মনে করছেন মনিরামপুর আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা আব্দুর রউফের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে আসা বাংলাদেশ আনসার গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর রিপোর্টিং টিমের সদস্যরা।

এ ছাড়াও সম্প্রতি ইউনিয়ন পর্যায়ের গ্রাম ভিডিপি প্রশিক্ষণে উপজেলার ০৭নং খেদাপাড়া ইউনিয়নে হেলাঞ্চী-কৃষ্ণবাটী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রশিক্ষণার্থী প্রত্যেকের নিকট থেকে মাথা প্রতি ৬৪ জনের কাছ থেকে ১০০০-১২০০ টাকা নিয়েছে, প্রতিদিনের নাস্তার খরচ বাবদ জন প্রতি ৬৫ টাকা বরাদ্দ থাকলেও মাত্র ১৫ টাকা (১টি কলা, ১প্যাকেট কেক, ১টি সিংগাড়া) নাস্তা খরচ করে বাকি ৫০ টাকা নিজের পকেটে গেছে এবং আসন্ন দূর্গাপূজা উপলক্ষে পূজার ডিউটির জন্য প্রত্যেকের নিকট ১০০০ টাকা করে দাবি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।

বিশ্বস্ত তথ্যসূত্র বলছে, খেদাপাড়া ইউনিয়নের ১০দিনের ঐ প্রশিক্ষন ক্যাম্পে ৬৪ জন সদস্য মণিরামপুর উপজেলার নাগরিকের বাধ্যতামূলক থাকলেও নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার ইমা খনাম নামে এক সুন্দরী নারীর নাম প্রশিক্ষনার্থীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিলো। অবশ্য ইমা খানমের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তার পরিচয় নিশ্চিত করে উপজেলা কর্মকর্তার সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কেের জেরে তালিকাভুক্ত হয়েছেন বলে জানান।

গুরুতর অভিযোগ আছে, উপজেলা আনসার গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তা আব্দুর রউফের তত্বাবধানে ১০দিনের ঐ প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে পার্শবর্তী উপজেলা কেশবপুরের আনসার কর্মকর্তা ও স্থানীয় খেদাপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের উপস্থিতির সাথে তাৎক্ষণিক ২ হাজার টাকা বরাদ্দকৃত সম্মানী ধার্য্য থাকলেও এ ক্ষেত্রেও তিনি স্বেচ্ছাচারিতার পরিচয় দিয়ে দূর্নীতি করে ৪ হাজার টাকা নিজের পকেটে ভরেছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে চলতি দায়িত্বে ১৬ জন আনসার সদস্যে দ্বারা যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কে মনিরামপুর বাজারের যানযট নিরসনে মোতায়েনকৃত আনসার সদস্যসের প্রত্যেক দিনের হাজিরা টাকা ৬৫০ টাকা বরাদ্দ করে মনিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা । সেখানে থেকে ৫০০ টাকা দিয়ে বাকি ১৫০ টাকা তিনি (আঃ রউফ) নিজের পকেটে রাখেন বলে দাবী করেছে একাধিক আনসার সদস্য।

অভিযোগ উঠেছে, অভিযোগকারী দলনেতা রবিউল ইসলাম -১  মাদক কারবারীকে আটক করার সময় মারাত্মক জখম হই বলে যশোর অফিস বরাবর উপজেলা কর্মকর্তা আব্দুর রউফ তাকে জোর পূর্বক আবেদন করালেও আসল সত্য ঘটনা হলো- মাদক কারবারীকে আটক করলেও সে সময় কোন প্রকার জখমের শিকার হয় নাই। কিন্তু চাপ সৃষ্টি করে আর্থিক সহায়তা পাইবার জন্য বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি কার্যালয় যশোর বরাবর লিখিত আবদেন করান আব্দুর রউফ।

জানা গেছে, চার মাস আগে মে মাসের ১ম সপ্তাহে সুনামগঞ্জ হতে মণিরামপুর উপজেলা আনসার গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তা হিসাবে যোগদান করেন।

তথ্য সূত্র বলছে, নড়াইলের কালিয়া উপজেলার আনসার গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তা থাকাকালীন আব্দুর রউফ’কে নারী ঘঠিত কারনে দাপ্তরিক শাস্তির ব্যাবস্থায় বদলি হিসাবে সুনামগঞ্জের এক উপজেলার দায়িত্বে পাঠানো হয়।

এ ব্যাপারে জানতে আনসার গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মণিরামপুর উপজেলা কর্মকর্তা অভিযুক্ত আব্দুর রউফে’র বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিক বার মুঠোফোনে অফলাইন/ অনলাইনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি সাড়া দেননি।

এদিকে যশোর জেলা আনসার কর্মকর্তার কার্যালয়ে যোগাযোগে ব্যার্থ হয়ে সরকারি তথ্য বাতায়নের সহযোগিতায় বাংলাদেশ আনসার গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর খুলনা বিভাগীয় উপমহাপরিচালক আশরাফুল আলমে’র (বিএএমএস, বিভিএমএস) সাথে কথা হলে উল্লেখিত অভিযোগের বিষয়ে অবগত না থাকলেও যদি পরবর্তীতে অভিযোগের কপি পেলে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।