ঢাকা ০৫:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মণিরামপুরে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

শহীদ রাষ্ট্রপতি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে যশোরের মণিরামপুরে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার বিকেলে মণিরামপুর উপজেলা অডিটোরিয়ামে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বিএনপি এবং এর বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিন্টুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন Nargis Begum, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন Syed Saberul Haque Sabu, যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি এবং Delwar Hossain Khan Khokon, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। এছাড়া উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোতালেব গাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য কামরুজ্জামান শাহীনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করা হয়। পরে শহীদ রাষ্ট্রপতি Ziaur Rahman-এর কর্মময় জীবন, রাষ্ট্র পরিচালনায় ভূমিকা এবং দেশের উন্নয়নে তার অবদান নিয়ে আলোচনা করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নার্গিস বেগম বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনে জিয়াউর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে নানা বাস্তবমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেন। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে ব্যাপক খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষি খাতে নতুন গতি সঞ্চার হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বক্তারা বলেন, খাল খননের ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সেচ সুবিধা সম্প্রসারিত হয় এবং কৃষকরা সহজে জমিতে পানি সরবরাহ করতে সক্ষম হন। পাশাপাশি কৃষিকে আধুনিকায়নের লক্ষ্যে বিদেশ থেকে কৃষিযন্ত্র ও প্রযুক্তি আমদানির উদ্যোগও নেওয়া হয়েছিল।

অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, গ্রামের উন্নয়ন ছাড়া দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়—এই বিশ্বাস থেকেই জিয়াউর রহমান কৃষি, যোগাযোগ ব্যবস্থা, গ্রামীণ অবকাঠামো এবং উৎপাদনমুখী অর্থনীতির ওপর গুরুত্বারোপ করেছিলেন।

দেলোয়ার হোসেন খান খোকন বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও উন্নয়ন দর্শন আরও বেশি প্রাসঙ্গিক। তার জনকল্যাণমুখী ও কৃষিবান্ধব চিন্তাধারা দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিতে পারে।

আলোচনা সভা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং অব্যাহত উন্নয়ন কামনা করা হয়।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মণিরামপুরে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

আপডেট সময় : ০৯:২৮:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ জুন ২০২৬

শহীদ রাষ্ট্রপতি ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে যশোরের মণিরামপুরে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার বিকেলে মণিরামপুর উপজেলা অডিটোরিয়ামে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বিএনপি এবং এর বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান মিন্টুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন Nargis Begum, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন Syed Saberul Haque Sabu, যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি এবং Delwar Hossain Khan Khokon, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক। এছাড়া উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোতালেব গাজী, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য কামরুজ্জামান শাহীনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করা হয়। পরে শহীদ রাষ্ট্রপতি Ziaur Rahman-এর কর্মময় জীবন, রাষ্ট্র পরিচালনায় ভূমিকা এবং দেশের উন্নয়নে তার অবদান নিয়ে আলোচনা করা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নার্গিস বেগম বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনে জিয়াউর রহমান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে নানা বাস্তবমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেন। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে ব্যাপক খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নের মাধ্যমে কৃষি খাতে নতুন গতি সঞ্চার হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বক্তারা বলেন, খাল খননের ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সেচ সুবিধা সম্প্রসারিত হয় এবং কৃষকরা সহজে জমিতে পানি সরবরাহ করতে সক্ষম হন। পাশাপাশি কৃষিকে আধুনিকায়নের লক্ষ্যে বিদেশ থেকে কৃষিযন্ত্র ও প্রযুক্তি আমদানির উদ্যোগও নেওয়া হয়েছিল।

অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, গ্রামের উন্নয়ন ছাড়া দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন সম্ভব নয়—এই বিশ্বাস থেকেই জিয়াউর রহমান কৃষি, যোগাযোগ ব্যবস্থা, গ্রামীণ অবকাঠামো এবং উৎপাদনমুখী অর্থনীতির ওপর গুরুত্বারোপ করেছিলেন।

দেলোয়ার হোসেন খান খোকন বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও উন্নয়ন দর্শন আরও বেশি প্রাসঙ্গিক। তার জনকল্যাণমুখী ও কৃষিবান্ধব চিন্তাধারা দেশের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা দিতে পারে।

আলোচনা সভা শেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং অব্যাহত উন্নয়ন কামনা করা হয়।