বাড়ছে দুর্ঘটনার শঙ্কা
মণিরামপুর বাজারে মহাসড়কে ৭০০ মিটারে ৫০টির বেশি গর্ত
- আপডেট সময় : ০৯:০৪:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
- / ৫৭ বার পঠিত

মণিরামপুর (যশোর) প্রতিনিধি: যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের মণিরামপুর বাজার অংশের মাত্র ৭০০ মিটার সড়কে ছোট-বড় মিলিয়ে ৫০টিরও বেশি গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও কংক্রিটের ঢালাই উঠে রড বেরিয়ে এসেছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পথচারী ও যানবাহনের চালকরা। স্থানীয়দের আশঙ্কা, দ্রুত স্থায়ী সংস্কার না হলে যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, গো-হাট মোড় থেকে উপজেলা গেট পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে পূর্ববী সিনেমা হল গেট, থানা মোড়, কলাহাট মোড়, প্রেসক্লাব গেট থেকে রাজগঞ্জ মোড় পর্যন্ত অংশ। সড়কের এবড়োখেবড়ো অবস্থার কারণে যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করছে এবং চালকদের বারবার ব্রেক ও গিয়ার পরিবর্তন করতে হচ্ছে।
ঢাকা থেকে সাতক্ষীরাগামী একটি নৈশ কোচের চালক ইসমাইল (ছদ্মনাম) বলেন, “সারা দেশে গাড়ি চালাই, কিন্তু মণিরামপুর বাজার হয়ে সাতক্ষীরা যেতে হবে শুনলেই বিরক্ত লাগে। দিনে যেমন ভোগান্তি, রাতে তা আরও বাড়ে। প্রায় ৫০ বার ব্রেক করতে হয়, বারবার গিয়ার বদলাতে হয়। এতে গাড়ি নিয়ন্ত্রণ রাখা খুবই কঠিন হয়ে পড়ে। অনেক সময় যাত্রীরাও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।”
এক পণ্যবাহী ট্রাকচালক বলেন, “শুধু গর্ত ভরাট করলে হবে না, আগে রাস্তা প্রশস্ত করতে হবে। রাস্তা বড় না করলে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, অপরিকল্পিত নির্মাণ, সড়কের দুই পাশে ভবন এবং কার্যকর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার অভাবে সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে রাস্তার ক্ষতি হচ্ছে। ফলে একই সমস্যা বারবার ফিরে আসছে এবং যানজটও লেগে থাকছে।
এ বিষয়ে যশোর সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করলে কর্তৃপক্ষ একটি ভ্রাম্যমাণ সংস্কারকারী দল পাঠিয়ে ইট ও বালি দিয়ে সাময়িকভাবে গর্তগুলো ভরাট করেছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, সাময়িক সংস্কার নয়, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে সড়কটির স্থায়ী সংস্কার, প্রশস্তকরণ এবং কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা জরুরি।
স্থানীয়দের ভাষ্য, যশোর-সাতক্ষীরা মহাসড়কের মণিরামপুর বাজার অংশটি অত্যন্ত ব্যস্ত একটি সড়ক। প্রতিদিন হাজারো যানবাহন এ পথ দিয়ে চলাচল করে। তাই জনদুর্ভোগ ও দুর্ঘটনা এড়াতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
























