ঢাকা ০২:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo জাগপা থেকে পদত্যাগ করলেন নিজামদ্দিন অমিত Logo ভাইরাস জ্বরে আক্রান্ত রাসেল রানার দশ বছর বয়সী কন্যা, দোয়া কামনা Logo স্কুলের নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রাখার চেষ্টা করায় শিক্ষিকার নামে অপপ্রচার Logo শার্শায় কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রেপ্তার Logo বেনাপোলে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি শরিফুল আটক, আদালতে প্রেরণ Logo মনিরামপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খেয়াল খুশি মতো চেম্বার করেন ডাক্তারগণ Logo সাতক্ষীরায় সারের ডিলারশিপ নিয়ে রেজাউল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার Logo বড়দিয়া–মহাজন খেয়াঘাটে নদীভাঙনের তাণ্ডব Logo জনগণের যৌক্তিক দাবি উপেক্ষার চেষ্টা করছে সরকার: গোলাম পরওয়ার Logo ঝিকরগাছা পৌরবাসী স্বাস্থ্যঝুঁকিতে, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় বেহাল দশা

মনিরামপুরে বসতবাড়ি ভাঙচুর ও হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৪:৫১:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • / ১৬ বার পঠিত

যশোরের মনিরামপুর উপজেলার ঢাকুরিয়া গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, জমি দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নারী-পুরুষসহ একই পরিবারের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। আহতদের মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) যশোর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন ঢাকুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা কায়ছেদ আলী মোল্লা।

লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ১৯৮৫ সালে বাবার কাছ থেকে মনিরামপুরের ঢাকুরিয়া ও ভবানীপুর মৌজায় মোট ১৩ শতক জমি ক্রয় করেন তিনি। ওই জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গত ৪ অক্টোবর সকালে তাঁর ভাই ইদ্রিস আলীর পক্ষ নিয়ে সাবেক ছাত্রদল নেতা ও বর্তমানে ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হুমায়ুন কবির মিন্টুর নেতৃত্বে ৫০ থেকে ৬০ জনের একটি দল তাঁদের বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

কায়ছেদ আলীর দাবি, হামলাকারীরা হাতুড়ি, রামদা, রডসহ বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর এবং জমি দখলের চেষ্টা করেন। বাধা দিলে তাঁর স্ত্রী, দুই ছেলে, বোন, ভাগ্নি, ভাগ্নিজামাইসহ পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার পরদিন ৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় কয়েকজন ব্যক্তি তাঁদের বাড়িতে এসে পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশ ও গুম করার হুমকি দেন। এতে তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে মনিরামপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে। তবে অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা নেয়নি বলে দাবি করেন কায়ছেদ আলী। এ কারণে তাঁরা আদালতে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সজীব হোসেন, আল আমিন, রেহেনা, ফরিদা, আমেনা, রুপা, হেনা ও রাসেলসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং নিজেদের বসতবাড়ি ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক ছাত্রদলের সভাপতি ও বর্তমানে ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হুমায়ুন কবির মিন্টু অভিযোগটি অস্বীকার করে বলেন, পারিবারিক বিরোধীদের জেরে শহর থেকে সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়।

ট্যাগস :

মনিরামপুরে বসতবাড়ি ভাঙচুর ও হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট সময় : ০৪:৫১:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

যশোরের মনিরামপুর উপজেলার ঢাকুরিয়া গ্রামে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, জমি দখলের চেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় নারী-পুরুষসহ একই পরিবারের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। আহতদের মনিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) যশোর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন ঢাকুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা কায়ছেদ আলী মোল্লা।

লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ১৯৮৫ সালে বাবার কাছ থেকে মনিরামপুরের ঢাকুরিয়া ও ভবানীপুর মৌজায় মোট ১৩ শতক জমি ক্রয় করেন তিনি। ওই জমি নিয়ে বিরোধের জেরে গত ৪ অক্টোবর সকালে তাঁর ভাই ইদ্রিস আলীর পক্ষ নিয়ে সাবেক ছাত্রদল নেতা ও বর্তমানে ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হুমায়ুন কবির মিন্টুর নেতৃত্বে ৫০ থেকে ৬০ জনের একটি দল তাঁদের বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

কায়ছেদ আলীর দাবি, হামলাকারীরা হাতুড়ি, রামদা, রডসহ বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে বাড়িঘর ভাঙচুর এবং জমি দখলের চেষ্টা করেন। বাধা দিলে তাঁর স্ত্রী, দুই ছেলে, বোন, ভাগ্নি, ভাগ্নিজামাইসহ পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে অন্তত ১০ জন আহত হন।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, ঘটনার পরদিন ৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় কয়েকজন ব্যক্তি তাঁদের বাড়িতে এসে পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশ ও গুম করার হুমকি দেন। এতে তাঁরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।

ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে মনিরামপুর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে। তবে অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা নেয়নি বলে দাবি করেন কায়ছেদ আলী। এ কারণে তাঁরা আদালতে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সজীব হোসেন, আল আমিন, রেহেনা, ফরিদা, আমেনা, রুপা, হেনা ও রাসেলসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা এবং নিজেদের বসতবাড়ি ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক ছাত্রদলের সভাপতি ও বর্তমানে ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক হুমায়ুন কবির মিন্টু অভিযোগটি অস্বীকার করে বলেন, পারিবারিক বিরোধীদের জেরে শহর থেকে সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে তাদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়।