ঢাকা ১০:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo যশোরে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান Logo যশোরে বনফুল মিষ্টির দোকানকে লাখ টাকা জরিমানা Logo চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের আমীর সংসদ সদস্য রুহুল আমিন পুনর্নির্বাচিত Logo মাদক কারবারিদের গ্রেপ্তার করে আলোচনায় আলমডাঙ্গার ওসি রাকিবুল ইসলাম Logo শার্শায় নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২-এর উদ্বোধন Logo চিতলমারীতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২ Logo ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত পারভেজের পাশে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত Logo যশোর জেলা জামায়াতের আমীরের শপথ নিলেন গোলাম রছুল এমপি Logo সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের নিরাপত্তায় আনসার, প্রস্তুত স্ট্রাইকিং ফোর্স Logo যশোরে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভে আগুনের প্রতিবাদে জামায়াতের বিক্ষোভ
একটিকে লাখ টাকা জরিমানা, অপরটি সিলগালা

যশোরে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১০:৩৫:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • / ১৬ বার পঠিত
যশোরে স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে ইউনানী চিকিৎসক দিয়ে অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগে একটি প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা এবং প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র না থাকায় অপর একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সামনে অবস্থিত ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীম বিনতে মুস্তাফিজ। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হাসপাতালের সামনে অবস্থিত প্রিন্স ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালানো হয়। এ সময় সেখানে মতিয়ার রহমান নামে এক ব্যক্তিকে রোগী দেখতে পান ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি এমবিবিএস ডিগ্রিধারী চিকিৎসক নন, বরং একজন ইউনানী চিকিৎসক। অভিযোগ রয়েছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে রোগীদের ব্যবস্থাপত্রে অ্যালোপ্যাথিকসহ বিভিন্ন ধরনের ওষুধ লিখে আসছিলেন। এ ঘটনায় অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রিন্স ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক সেলিম হোসেনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন।

অন্যদিকে, একই এলাকার ইসলামী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। অভিযানকালে সেখানে হাবিবুর রহমান নামে একজন ডিএমএফ চিকিৎসককে রোগী দেখতে দেখা যায়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকা ও বিভিন্ন অনিয়মের কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রতিষ্ঠানটি তাৎক্ষণিকভাবে সিলগালা করে দেন।

অভিযান শেষে যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা জানান, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অবৈধ কার্যক্রম চলতে দেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা ও অপচিকিৎসা রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

ট্যাগস :

একটিকে লাখ টাকা জরিমানা, অপরটি সিলগালা

যশোরে দুই ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান

আপডেট সময় : ১০:৩৫:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
যশোরে স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে ইউনানী চিকিৎসক দিয়ে অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগে একটি প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ টাকা জরিমানা এবং প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র না থাকায় অপর একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেলে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের সামনে অবস্থিত ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মীম বিনতে মুস্তাফিজ। এ সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে হাসপাতালের সামনে অবস্থিত প্রিন্স ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালানো হয়। এ সময় সেখানে মতিয়ার রহমান নামে এক ব্যক্তিকে রোগী দেখতে পান ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি এমবিবিএস ডিগ্রিধারী চিকিৎসক নন, বরং একজন ইউনানী চিকিৎসক। অভিযোগ রয়েছে, তিনি দীর্ঘদিন ধরে রোগীদের ব্যবস্থাপত্রে অ্যালোপ্যাথিকসহ বিভিন্ন ধরনের ওষুধ লিখে আসছিলেন। এ ঘটনায় অনিয়মের প্রমাণ পাওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রিন্স ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক সেলিম হোসেনকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করেন।

অন্যদিকে, একই এলাকার ইসলামী ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। অভিযানকালে সেখানে হাবিবুর রহমান নামে একজন ডিএমএফ চিকিৎসককে রোগী দেখতে দেখা যায়। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকা ও বিভিন্ন অনিয়মের কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রতিষ্ঠানটি তাৎক্ষণিকভাবে সিলগালা করে দেন।

অভিযান শেষে যশোরের সিভিল সার্জন ডা. মাসুদ রানা জানান, স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অবৈধ কার্যক্রম চলতে দেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা ও অপচিকিৎসা রোধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।