ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
Logo কন্টেন্ট নির্মাণ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী নড়াইলের সৌরভ Logo জমে উঠেছে কেশবপুরের গড়ভাঙ্গা সুপারি হাট, জমজমাট কেনাবেচা Logo কোটালীপাড়ার ৯৫ বছরের বৃদ্ধের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী Logo ডুমুরিয়ায় ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২’র শুভ উদ্বোধন Logo দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ও গণপ্রতিরক্ষায় আনসার-ভিডিপির পেশাগত দক্ষতায় নতুন দিগন্ত Logo অঙ্গীভূত আনসারদের বেতন বৃদ্ধির প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে: মহাপরিচালক Logo সান্তাহারে ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার Logo সাতক্ষীরায় জাতীয় অধ্যাপক ডা. এম আর খানের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত Logo নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী Logo যশোরে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় আসরের উদ্বোধন

রফিক গাজী হত্যা মামলায় আশিক গ্রুপের দু’সদস্য গ্রেফতার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৯:২৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • / ১০৮ বার পঠিত

খুলনার লবণচরা থানার আলোচিত রফিক গাজী হত্যা মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-৬। গ্রেফতার দুজন হলেন আশিক গ্রুপের সক্রিয় সদস্য ইমন শরীফ (২৭) ও সজল খান (২৫)।

র‌্যাব-৬ এর প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, গত ২৯ জুন সন্ধ্যা ৭টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাগেরহাটের ফকিরহাট থানার কাটাখালী মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার ইমন শরীফ খুলনার লবণচরা থানার মতিয়াখালী এলাকার আবুল বাসারের ছেলে এবং সজল খান একই থানার চানমারী বাজার এলাকার হারুন অর রশিদের ছেলে। নিয়মিত মামলার আসামি, সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি চাঞ্চল্যকর হত্যা ও অন্যান্য গুরুতর অপরাধের তদন্তে তারা ধারাবাহিকভাবে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই অংশ হিসেবে রফিক গাজী হত্যা মামলার তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ওই দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত রফিক গাজী (৪০) খুলনার দক্ষিণ লবণচরা এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেন। গত ১২ জুন সকাল আনুমানিক ১১টা ২০ মিনিটে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে লবণচরা থানার মাথাভাঙা এলাকার রায়পাড়ায় একটি চায়ের দোকানের সামনে পৌঁছালে হেলমেট পরিহিত কয়েকজন দুর্বৃত্ত তার পথরোধ করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা পিস্তল দিয়ে গুলি করে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়।

স্থানীয়দের সহযোগিতায় রফিক গাজীকে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন দুপুর দেড়টার দিকে তার মৃত্যু হয়। পরে নিহতের স্ত্রী রিনা বেগম লবণচরা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতার দুইজনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য লবণচরা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

রফিক গাজী হত্যা মামলায় আশিক গ্রুপের দু’সদস্য গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৯:২৮:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

খুলনার লবণচরা থানার আলোচিত রফিক গাজী হত্যা মামলার তদন্তে সন্দেহভাজন দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-৬। গ্রেফতার দুজন হলেন আশিক গ্রুপের সক্রিয় সদস্য ইমন শরীফ (২৭) ও সজল খান (২৫)।

র‌্যাব-৬ এর প্রেস বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, গত ২৯ জুন সন্ধ্যা ৭টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাগেরহাটের ফকিরহাট থানার কাটাখালী মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার ইমন শরীফ খুলনার লবণচরা থানার মতিয়াখালী এলাকার আবুল বাসারের ছেলে এবং সজল খান একই থানার চানমারী বাজার এলাকার হারুন অর রশিদের ছেলে। নিয়মিত মামলার আসামি, সাজাপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার, অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি চাঞ্চল্যকর হত্যা ও অন্যান্য গুরুতর অপরাধের তদন্তে তারা ধারাবাহিকভাবে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। এরই অংশ হিসেবে রফিক গাজী হত্যা মামলার তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ওই দুই সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত রফিক গাজী (৪০) খুলনার দক্ষিণ লবণচরা এলাকার বাসিন্দা এবং পেশায় একজন পরিবহন ব্যবসায়ী ছিলেন। গত ১২ জুন সকাল আনুমানিক ১১টা ২০ মিনিটে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে লবণচরা থানার মাথাভাঙা এলাকার রায়পাড়ায় একটি চায়ের দোকানের সামনে পৌঁছালে হেলমেট পরিহিত কয়েকজন দুর্বৃত্ত তার পথরোধ করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা পিস্তল দিয়ে গুলি করে মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়।

স্থানীয়দের সহযোগিতায় রফিক গাজীকে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন দুপুর দেড়টার দিকে তার মৃত্যু হয়। পরে নিহতের স্ত্রী রিনা বেগম লবণচরা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতার দুইজনকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য লবণচরা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।