তাপদাহের অবসান, বৃষ্টিতে স্বস্তি ফিরেছে নড়াগাতীতে
- আপডেট সময় : ০৪:৫০:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
- / ৫৮ বার পঠিত

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী থানা-এর কলাবাড়িয়া, খাশিয়াল, বাঐশোনা, জয়নগর, মাউলী ও পহরডাঙ্গা ইউনিয়নের মানুষ কয়েক সপ্তাহের তীব্র তাপদাহ ও ভ্যাপসা গরমে চরম দুর্ভোগে ছিলেন। দীর্ঘদিন বৃষ্টির অভাবে জনজীবন কার্যত বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। তবে অবশেষে বৃষ্টিপাত শুরু হওয়ায় এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দিনের প্রখর রোদ ও রাতের অস্বস্তিকর গরমে গ্রামীণ জনপদে এক ধরনের অস্থির পরিবেশ বিরাজ করছিল। খাল-বিল, মাঠ-ঘাটসহ পুরো এলাকায় গরমের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় কৃষক, শ্রমিক, রিকশা ও ভ্যানচালকসহ দিনমজুর শ্রেণির মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন।
বিশেষ করে টিনের ঘরে বসবাসকারী পরিবারগুলো প্রচণ্ড গরমে সবচেয়ে বেশি কষ্টে ছিল। ঘরের ভেতরেও অসহনীয় গরমে জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়ে। এ সময় জ্বর, সর্দি, কাশি, ডায়রিয়া ও পানিশূন্যতাসহ গরমজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যাও বৃদ্ধি পায়।
এ অবস্থায় সোমবার বিকেলে আকাশ কালো মেঘে ঢেকে গেলে শুরু হয় কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টিপাত। মুহূর্তেই বদলে যায় চারপাশের পরিবেশ। তাপমাত্রা কমে আসায় স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন স্থানীয়রা। বৃষ্টিতে ভিজে শিশু-কিশোরদের উচ্ছ্বাস এবং কৃষকদের আনন্দ ছিল চোখে পড়ার মতো।
পহরডাঙ্গা ইউনিয়নের কৃষক গিয়াস সিকদার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বৃষ্টির অপেক্ষায় ছিলেন তারা। অবশেষে বৃষ্টি হওয়ায় জমির উপকার হবে এবং গরম থেকেও কিছুটা মুক্তি মিলেছে।
মাউলীর কৃষক রাসেল সরদার বলেন, কয়েকদিন ধরে রোদে কাজ করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। বৃষ্টির কারণে এখন স্বস্তি ফিরে এসেছে।
কলাবাড়িয়া থেকে মাউলী, জয়নগর থেকে বাঐশোনা—সবখানেই বৃষ্টিকে স্বাগত জানিয়েছেন মানুষ। দীর্ঘ তাপদাহের পর এই বৃষ্টি নড়াগাতীর ছয় ইউনিয়নের জনজীবনে নতুন প্রাণ ফিরিয়ে এনেছে।


























